ভিয়েনা ১০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

টাঙ্গাইলে দেড় শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিনি শিশুপার্কের যাত্রা শুরু

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০১:২২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ১১৭ সময় দেখুন

oplus_2

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : প্রান্তিক এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের আনন্দ আর বিনোদনের মাধ্যমে লেখাপড়া নিশ্চিত করতে সম্পুর্ণ ব্যতিক্রমি উদ্যোগ নিয়েছে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসন। জেলার ১২টি উপজেলায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠির শিশুদের জন্যে ১৬০টি বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্লে গ্রাউন্ড অর্থাৎ মিনি শিশু পার্ক স্থাপনের যাত্রা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নে খাগজানা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই মিনি পার্কের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক।

“বিশ্বকে বদলে দিতে, বিকশিত হই আনন্দের সাথে” এ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে জেলা প্রশাসক স্কুল প্রাঙ্গনে শিশুদের জন্য এই আনন্দ বিনোদনের উদ্যোগ নেন। এ লক্ষ্যে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে একটি করে দোলনা, স্লীপার, ব্যালেন্সার, বাসকেট বল, প্রজাপতি ফটো ফ্রেম, রোপ ল্যাডার ও বাংলদেশের মানচিত্র সম্বলিত ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছে।

স্কুল প্রাঙ্গনে স্থাপিত রাইডগুলোতে শিশুদের আনন্দ-উচ্ছাস দেখে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় লোকজন ও অভিবাবকরা অবিভুত হন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেওয়ান আসিফ পেলে,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাহাব উদ্দিন, জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আক্তারুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

প্রান্তিক শিশুদের জন্য ব্যাতিক্রমী উদ্যোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, একটি জাতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হচ্ছে শিশুরা। আর তাই পৃথিবীর যা কিছু সুন্দর, সত্য এবং শুদ্ধ তার মধ্যেদিয়ে শিশুদের বড় করে তোলা আমাদের দায়িত্ব। শিশুদের সর্ব্বোচ বিকাশ ঘটে তখনই যখন তারা আনন্দের সাথে বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়। মূলত শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সর্ব্বোচ বিকাশ নিশ্চিত করতে এবং স্কুল থেকে ঝরে পড়া রোধ করতেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ১৬০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই প্লেগ্রাউন্ড বা মিনি শিশুপার্ক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়

তুচ্ছতাচ্ছিল্য পেরিয়ে সফলতার গল্প ২৩ জাতের আঙুরে স্বপ্ন বুনছে কলেজছাত্র পারভেজ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

টাঙ্গাইলে দেড় শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিনি শিশুপার্কের যাত্রা শুরু

আপডেটের সময় ০১:২২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : প্রান্তিক এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিশুদের আনন্দ আর বিনোদনের মাধ্যমে লেখাপড়া নিশ্চিত করতে সম্পুর্ণ ব্যতিক্রমি উদ্যোগ নিয়েছে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসন। জেলার ১২টি উপজেলায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠির শিশুদের জন্যে ১৬০টি বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্লে গ্রাউন্ড অর্থাৎ মিনি শিশু পার্ক স্থাপনের যাত্রা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নে খাগজানা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই মিনি পার্কের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক।

“বিশ্বকে বদলে দিতে, বিকশিত হই আনন্দের সাথে” এ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে জেলা প্রশাসক স্কুল প্রাঙ্গনে শিশুদের জন্য এই আনন্দ বিনোদনের উদ্যোগ নেন। এ লক্ষ্যে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে একটি করে দোলনা, স্লীপার, ব্যালেন্সার, বাসকেট বল, প্রজাপতি ফটো ফ্রেম, রোপ ল্যাডার ও বাংলদেশের মানচিত্র সম্বলিত ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছে।

স্কুল প্রাঙ্গনে স্থাপিত রাইডগুলোতে শিশুদের আনন্দ-উচ্ছাস দেখে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় লোকজন ও অভিবাবকরা অবিভুত হন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আনিসুর রহমান, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেওয়ান আসিফ পেলে,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাহাব উদ্দিন, জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আক্তারুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

প্রান্তিক শিশুদের জন্য ব্যাতিক্রমী উদ্যোগের বিষয়ে জেলা প্রশাসক শরীফা হক বলেন, একটি জাতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হচ্ছে শিশুরা। আর তাই পৃথিবীর যা কিছু সুন্দর, সত্য এবং শুদ্ধ তার মধ্যেদিয়ে শিশুদের বড় করে তোলা আমাদের দায়িত্ব। শিশুদের সর্ব্বোচ বিকাশ ঘটে তখনই যখন তারা আনন্দের সাথে বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়। মূলত শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সর্ব্বোচ বিকাশ নিশ্চিত করতে এবং স্কুল থেকে ঝরে পড়া রোধ করতেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ১৬০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই প্লেগ্রাউন্ড বা মিনি শিশুপার্ক নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস