ভিয়েনা ০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

ঝিনাইদহে পুলিশ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১১:১৬:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • ৪৪ সময় দেখুন

শেখ ইমন, ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহের ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্পের সাবেক ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক মিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মাহাবুব আলম এ রায় দেন।

মৃতুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, রাজবাড়ী জেলার নিমতলা এলাকার আমজাদ হোসেন, লিয়াকত হোসেন, দক্ষিণ দৌলতদিয়া গ্রামের আক্কাস আলী, ফরিদপুরের ভাটি লক্ষ্মীপুর গ্রামের আলম শেখ এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ফরিদপুরের শোভারামপুর গ্রামের শাহীন, গোয়ালচামট গ্রামের মোহাম্মদ সাগর, টাপাখোলা গ্রামের নুরু খা ও যশোরের শেখহাটি খা পাড়া এলাকার মনির হোসেন। এদের মধ্যে আমজাদ হোসেন ব্যাতীত সকল আসামী পলাতক রয়েছে।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের আগস্ট মাসের ২৩ তারিখ রাতে জেলা শহরের বাস মালিক সমিতি অফিসের সামনে একটি মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় পতিত হয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ দেখে আরোহীরা পালিয়ে যায়। সেসময় দেখা যায় মোটর সাইকেল টি ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক মিরাজুল ইসলামের। কিন্তু তখন মিরাজুলের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে ওই দিন সন্ধ্যায় মিরাজুল ইসলাম ইফতার করে প্রয়োজনীয় কাগজ, নিজের নামে ইসুকৃত পিস্তল, গুলি, ম্যাগজিনসহ অন্যান্য কাগজ নিয়ে মোটর সাইকেল যোগে কর্মস্থলে রওনা হন।

এরপর পুলিশ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরবর্তীতে পরদিন ২৪ তারিখ সকালে ভেটেরিনারি কলেজের পুর্ব পাশের পানি ভর্তি ডোবায় মিরাজুল ইসলাম এর পোশাক পরিহিত হাত-পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই দিনই পুলিশ বাদি হয়ে সদর থানায় অজ্ঞাত নামাদের আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ এজাহারে উল্লেখ করে তার কাছে থাকা পিস্তল, গুলি, মোটর সাইকেল সহ অন্যান্য মালামাল ছিনতাই এর জন্য সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করতে পারে। এই মামলায় তদন্ত শেষে পুলিশ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করে। সেই মামলায় তদন্ত শেষে আজ বিচারক ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রাদান করেন। মামলায় বাকি আসামীদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহ কোর্ট ইন্সপেক্টর মোক্তার হোসেন বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমজাদ হোসেন কে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়

তুচ্ছতাচ্ছিল্য পেরিয়ে সফলতার গল্প ২৩ জাতের আঙুরে স্বপ্ন বুনছে কলেজছাত্র পারভেজ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ঝিনাইদহে পুলিশ হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেটের সময় ১১:১৬:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

শেখ ইমন, ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহের ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্পের সাবেক ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক মিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মাহাবুব আলম এ রায় দেন।

মৃতুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, রাজবাড়ী জেলার নিমতলা এলাকার আমজাদ হোসেন, লিয়াকত হোসেন, দক্ষিণ দৌলতদিয়া গ্রামের আক্কাস আলী, ফরিদপুরের ভাটি লক্ষ্মীপুর গ্রামের আলম শেখ এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ফরিদপুরের শোভারামপুর গ্রামের শাহীন, গোয়ালচামট গ্রামের মোহাম্মদ সাগর, টাপাখোলা গ্রামের নুরু খা ও যশোরের শেখহাটি খা পাড়া এলাকার মনির হোসেন। এদের মধ্যে আমজাদ হোসেন ব্যাতীত সকল আসামী পলাতক রয়েছে।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের আগস্ট মাসের ২৩ তারিখ রাতে জেলা শহরের বাস মালিক সমিতি অফিসের সামনে একটি মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় পতিত হয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ দেখে আরোহীরা পালিয়ে যায়। সেসময় দেখা যায় মোটর সাইকেল টি ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক মিরাজুল ইসলামের। কিন্তু তখন মিরাজুলের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে ওই দিন সন্ধ্যায় মিরাজুল ইসলাম ইফতার করে প্রয়োজনীয় কাগজ, নিজের নামে ইসুকৃত পিস্তল, গুলি, ম্যাগজিনসহ অন্যান্য কাগজ নিয়ে মোটর সাইকেল যোগে কর্মস্থলে রওনা হন।

এরপর পুলিশ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরবর্তীতে পরদিন ২৪ তারিখ সকালে ভেটেরিনারি কলেজের পুর্ব পাশের পানি ভর্তি ডোবায় মিরাজুল ইসলাম এর পোশাক পরিহিত হাত-পা বাঁধা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই দিনই পুলিশ বাদি হয়ে সদর থানায় অজ্ঞাত নামাদের আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ এজাহারে উল্লেখ করে তার কাছে থাকা পিস্তল, গুলি, মোটর সাইকেল সহ অন্যান্য মালামাল ছিনতাই এর জন্য সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করতে পারে। এই মামলায় তদন্ত শেষে পুলিশ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করে। সেই মামলায় তদন্ত শেষে আজ বিচারক ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রাদান করেন। মামলায় বাকি আসামীদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহ কোর্ট ইন্সপেক্টর মোক্তার হোসেন বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমজাদ হোসেন কে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস