ভিয়েনা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পাখি মেরে পৈচাশিক আনন্দ পান লালমোহনের জামাল বাংলাদেশকে ২৪৮ রানের লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে ইরানের বুশেহর প্রদেশে কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান ঝালকাঠিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন টাঙ্গাইলে বাসাইলে রাস্তার পাশে থেকে নবজাতক উদ্ধার চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ প্রথমবারের মতো THE Impact Rankings 2026-এ স্থান পেল মাভাবিপ্রবি আপিল খারিজ: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পুনর্বহাল রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

ঝিনাইদহে জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপনে অনিয়ম, ক্ষোভ সচেতন মহলের

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১২:২৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
  • ৪৭ সময় দেখুন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে ঝিনাইদহে আয়োজনের কথা থাকলেও যথাযথ কর্মসূচি পালন না করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকরা। নির্ধারিত র‌্যালি আয়োজনের কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা হয়। আর অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় নামমাত্রভাবে, যা অনেকের কাছেই দায়সারা মনে হয়েছে। রোববার সকালে জেলা নির্বাচন অফিসের সামনে বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। পরে কালেক্টরেট স্কুল মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার মশিয়ুর রহমান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার কামরুজ্জামানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে অনুষ্ঠানে জনসাধারণের অংশগ্রহণ ছিল কম এবং পূর্বঘোষিত র‌্যালি আয়োজন না করায় অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সচেতন নাগরিক মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সভাপতি আমিনুর রহমান টুকু জানান, সামনে আমরা একটি অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ণ নির্বাচন আশা করছি। বয়স হয়েছে কিন্তু অনেকেই ভোটার হতে পারেননি। তাদেরও বিষয়টি জানা দরকার। সেকরণেই ভোটার দিবস কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয় বরং নতুন ও তরুণ ভোটারদের সচেতন করার একটি বড় সুযোগ। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এবারের আয়োজনটি প্রাণহীন হয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করতে ভোটার দিবস যথাযথভাবে পালন করা জরুরি, কিন্তু এবারের আয়োজন দেখে মনে হয়েছে এটি কেবল নিয়ম রক্ষার একটি অংশ ছিল।
অনেকে দাবি করেছেন, আগামীতে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ দিবস পালনে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত, যাতে ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং প্রকৃতপক্ষে একটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, আমি নতুন এসেছি। আয়োজনের বিষয়টি বুঝতে পারিনি। আগামীতে যথাযথভাবে পালন করা হবে।
শেখ ইমন/ইবিটাইমস 
জনপ্রিয়

পাখি মেরে পৈচাশিক আনন্দ পান লালমোহনের জামাল

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ঝিনাইদহে জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপনে অনিয়ম, ক্ষোভ সচেতন মহলের

আপডেটের সময় ১২:২৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে ঝিনাইদহে আয়োজনের কথা থাকলেও যথাযথ কর্মসূচি পালন না করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিকরা। নির্ধারিত র‌্যালি আয়োজনের কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা হয়। আর অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় নামমাত্রভাবে, যা অনেকের কাছেই দায়সারা মনে হয়েছে। রোববার সকালে জেলা নির্বাচন অফিসের সামনে বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। পরে কালেক্টরেট স্কুল মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার মশিয়ুর রহমান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার কামরুজ্জামানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে অনুষ্ঠানে জনসাধারণের অংশগ্রহণ ছিল কম এবং পূর্বঘোষিত র‌্যালি আয়োজন না করায় অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সচেতন নাগরিক মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সভাপতি আমিনুর রহমান টুকু জানান, সামনে আমরা একটি অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ণ নির্বাচন আশা করছি। বয়স হয়েছে কিন্তু অনেকেই ভোটার হতে পারেননি। তাদেরও বিষয়টি জানা দরকার। সেকরণেই ভোটার দিবস কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয় বরং নতুন ও তরুণ ভোটারদের সচেতন করার একটি বড় সুযোগ। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এবারের আয়োজনটি প্রাণহীন হয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করতে ভোটার দিবস যথাযথভাবে পালন করা জরুরি, কিন্তু এবারের আয়োজন দেখে মনে হয়েছে এটি কেবল নিয়ম রক্ষার একটি অংশ ছিল।
অনেকে দাবি করেছেন, আগামীতে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ দিবস পালনে যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত, যাতে ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং প্রকৃতপক্ষে একটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, আমি নতুন এসেছি। আয়োজনের বিষয়টি বুঝতে পারিনি। আগামীতে যথাযথভাবে পালন করা হবে।
শেখ ইমন/ইবিটাইমস