ভিয়েনা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পাখি মেরে পৈচাশিক আনন্দ পান লালমোহনের জামাল বাংলাদেশকে ২৪৮ রানের লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে ইরানের বুশেহর প্রদেশে কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান ঝালকাঠিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন টাঙ্গাইলে বাসাইলে রাস্তার পাশে থেকে নবজাতক উদ্ধার চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ প্রথমবারের মতো THE Impact Rankings 2026-এ স্থান পেল মাভাবিপ্রবি আপিল খারিজ: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পুনর্বহাল রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মেঘনায় মাছ ধরছে শতশত নৌকা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:৪৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • ৬৭ সময় দেখুন

ভোলা প্রতিনিধিঃ ভোলার মনপুরার মেঘনায় মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে মৎস্য বিভাগের উদাসিনতা লক্ষ্য করা গেছে। সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলেও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে তেমন প্রচারনা বা তৎপরতা দেখা যায়নি। দিনের বেলায় মেঘনা নদীতে অসংখ্য মাছধরা নৌকা ও হাজারো বেহুন্দি জাল মাছ ধরতে দেখা গেছে।

জানা যায়, শুক্রবার (১মার্চ) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস মনপুরার মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এতে জাটকা ছাড়াও সবধরনের ছোট মাছ ধরা, বিক্রি, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও সংরক্ষণও নিষিদ্ধ করা হয়।

অবৈধভাবে মাছ ধরলে আইনানুগ ববস্থা নেয়ার বিধান থাকলেও ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা নদীর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। শুক্রবার রাত ১২ পর থেকে জাটকাসহ সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও মনপুরার মেঘনায় শত শত নৌকা মাছ ধরতে দেখা গেছে। এছাড়াও শনিবার দিনের চিত্রও একই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার হাজীর হাট লঞ্চঘাট সংলগ্ন পশ্চিম পাশের মেঘনায় দিনের বেলায় অসংখ্য নৌকা মাছ ধরতে দেখা গেছে। পাশাপাশি হাজারো বেহুন্দি জাল পাতায় অবস্থা রয়েছে।

তবে নিষেধাজ্ঞা সময়ে মাছ ধরতে দেখা গেলেও উপজেলা মৎস্য অফিসের তেমন তৎপরতা চোখে পড়েনি। এবং রাতেও কোন অভিযান পরিচালনা করেনি মৎস্য অফিস। তাছাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নিজেই মনপুরায় উপস্থিত নেই বলে জানিয়েছে বিশ্বস্ত সূত্র।

এদিকে নিষেধাজ্ঞা সময়ে অভিযান না হওয়ায় শনিবার সকালে উপজেলার হাজীর হাট বাজারে পূর্বের ন্যায় অবৈধ জাটকা, ট্যাংরা, পোমা, চিংড়িসহ ছোটমাছ অবাধে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন জানান, আমি অফিসের কাজে ভোলায় আছি। রাতে মৎস্য অফিস থেকে আমরা অভিযান দিতে পারিনি। তবে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

শুক্রবার মধ্যরাত থেকে এখন পর্যন্ত কোন জেলেকে আটক বা কোন অবৈধ জাল জব্দ করার খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিখন বনিক বলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকায় অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। মৎস্য কর্মকর্তা সোমবার (৩ মার্চ) মনপুরায় আসলে আমরা অভিযান পরিচালনা করবো।

মনজুর রহমান/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

পাখি মেরে পৈচাশিক আনন্দ পান লালমোহনের জামাল

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মেঘনায় মাছ ধরছে শতশত নৌকা

আপডেটের সময় ০৬:৪৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

ভোলা প্রতিনিধিঃ ভোলার মনপুরার মেঘনায় মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে মৎস্য বিভাগের উদাসিনতা লক্ষ্য করা গেছে। সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলেও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে তেমন প্রচারনা বা তৎপরতা দেখা যায়নি। দিনের বেলায় মেঘনা নদীতে অসংখ্য মাছধরা নৌকা ও হাজারো বেহুন্দি জাল মাছ ধরতে দেখা গেছে।

জানা যায়, শুক্রবার (১মার্চ) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস মনপুরার মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এতে জাটকা ছাড়াও সবধরনের ছোট মাছ ধরা, বিক্রি, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও সংরক্ষণও নিষিদ্ধ করা হয়।

অবৈধভাবে মাছ ধরলে আইনানুগ ববস্থা নেয়ার বিধান থাকলেও ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা নদীর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। শুক্রবার রাত ১২ পর থেকে জাটকাসহ সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও মনপুরার মেঘনায় শত শত নৌকা মাছ ধরতে দেখা গেছে। এছাড়াও শনিবার দিনের চিত্রও একই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার হাজীর হাট লঞ্চঘাট সংলগ্ন পশ্চিম পাশের মেঘনায় দিনের বেলায় অসংখ্য নৌকা মাছ ধরতে দেখা গেছে। পাশাপাশি হাজারো বেহুন্দি জাল পাতায় অবস্থা রয়েছে।

তবে নিষেধাজ্ঞা সময়ে মাছ ধরতে দেখা গেলেও উপজেলা মৎস্য অফিসের তেমন তৎপরতা চোখে পড়েনি। এবং রাতেও কোন অভিযান পরিচালনা করেনি মৎস্য অফিস। তাছাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নিজেই মনপুরায় উপস্থিত নেই বলে জানিয়েছে বিশ্বস্ত সূত্র।

এদিকে নিষেধাজ্ঞা সময়ে অভিযান না হওয়ায় শনিবার সকালে উপজেলার হাজীর হাট বাজারে পূর্বের ন্যায় অবৈধ জাটকা, ট্যাংরা, পোমা, চিংড়িসহ ছোটমাছ অবাধে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন জানান, আমি অফিসের কাজে ভোলায় আছি। রাতে মৎস্য অফিস থেকে আমরা অভিযান দিতে পারিনি। তবে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

শুক্রবার মধ্যরাত থেকে এখন পর্যন্ত কোন জেলেকে আটক বা কোন অবৈধ জাল জব্দ করার খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিখন বনিক বলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকায় অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। মৎস্য কর্মকর্তা সোমবার (৩ মার্চ) মনপুরায় আসলে আমরা অভিযান পরিচালনা করবো।

মনজুর রহমান/ইবিটাইমস