ভিয়েনা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পাখি মেরে পৈচাশিক আনন্দ পান লালমোহনের জামাল বাংলাদেশকে ২৪৮ রানের লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে ইরানের বুশেহর প্রদেশে কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান ঝালকাঠিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন টাঙ্গাইলে বাসাইলে রাস্তার পাশে থেকে নবজাতক উদ্ধার চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ প্রথমবারের মতো THE Impact Rankings 2026-এ স্থান পেল মাভাবিপ্রবি আপিল খারিজ: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পুনর্বহাল রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

নিজে পরিবর্তন হয়ে,দেশ পরিবর্তন করতে হবে- ঝিনাইদহে পীর সাহেব চরমোনাই

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০২:২১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪
  • ৭১ সময় দেখুন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন,বার বার নেতা পরিবর্তন না করে নীতি ও আদর্শের পরিবর্তন করতে হবে। তা না হলে আমাদের বার বার রক্ত দিতে হবে। নেতা পরিবর্তনের মাধ্যমে কখনো শান্তি ও বৈষম্য আসতে পারে না।

তিনি বলেন,দেশ স্বাধীনের ৫৩ বছর এদেশের মানুষ বহুবার রক্ত দিয়েছে,আন্দোলন করেছে কিন্তু ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। দেশে ন্যায় বিচার ও ইনসাফ কায়েম হয়নি। নিজে পরিবর্তন হয়ে,দেশ পরিবর্তন করতে হবে।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বুধবার বিকালে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে ইসলামী আন্দোলন আয়োজিত এক গনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

ছাত্র-জনতার উপর গণহত্যায় জড়িতদের বিচার,হতাহতদের ক্ষতি পুরণ,দুর্নীতিবাজদের বিচার ও নির্বাচন কমিশন পুণর্গঠনসহ ৭ দফা দাবী বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই গণসমাবেশের আয়োজন করে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর ঝিনাইদহ জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ এইচ এম মোমতাজুল করীমের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শোয়াইব হোসেন,ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আহমদ আব্দুল জলিল,ঝিনাইদহ জেলা সেক্রেটারি প্রভাষক মাওলানা শিহাব উদ্দীন, আলহাজ্ব ক্কারী ওমর আলী,মুহাম্মদ রায়হান উদ্দীন, মুহাম্মাদ আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল,মাওলানা নিজাম উদ্দীন মুন্সি মাুলানা মিরাজ হুসাইন, মুফতি নাজির আহম্মেদ,মুফতি মুহাম্মাদ আলী হুসাইন,মাওলানা শহীদুল ইসলাম,মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক,মুহাম্মদ ফারুক হোসেন ও এইচ এম নাঈম মাহমুদ বক্তব্য রাখেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেন, এই ভুখন্ড মুসলমানরা শাসন করেছে। কিন্তু কিছু মুনাফেকদের কারণে আমরা পরাজিত হয়েছি। তিনি অভিযোগ করে বলেন,সে সময় দিল্লীর ষড়যন্ত্রে ৮০ হাজার মাদ্রাসা ধ্বংস করা হয়েছে। আলেমদেরকে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছে। হাজার হাজার আলেম হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন,বৃটিশরা যখন দিল্লী দখল করেছিল,তখন ওলী আওলিয়ারা আন্দোলন করে তাদের এই ভুখন্ড থেকে তাদের বিতাড়িত করেছিল। কিন্তু মুসলমানরা সাম্য,মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক অবস্থান পায়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হিন্দু জমিদাররা বিশেষ করে রবি ঠাকুর চিঠি লিখে ৪১ বার বাঁধা দিয়েছিল। তারপরও নবাব স্যার সলিমুল্লাহ (রঃ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিল। যখন রক্ত দিয়ে মুসলমানরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিল আর সেই মুসলমানদেরকে বলা হয় সাম্প্রদায়িক।

তিনি বলেন,এই উপমহাদেশে ইসলাম প্রচার ও প্রসারে মুসলমানরা রক্ত দিয়ে অবদান রেখেছে। তাই এই দেশ মুসলমানদের হলেও অধিকার সবার। পাকিস্তান গঠনের মাধ্যমে মুসলিমদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়। সেই পাকিস্তান গঠনেও নেতৃত্ব দিয়েছিল মুসলমানরা। পাকিস্থান সৃষ্টির পর পুর্ব পাকিস্থানের মানুষ আবারো বৈষম্যের শিকার হতে থাকেন। দেশের মানুষ আবারো যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুলমন্ত্র ছিল সাম্য, মানবিকতা, ন্যায় বিচার ও সামাজিক মর্যাদা। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর ৭২ সালের সংবিধানে মুলনীতি হিসেবে গনতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের মতো কুফরি মতবাদ চাপিয়ে দেয় ভারত। ভারতের প্রেসক্রিপশনে সংবিধান লেখা হয়। ফলে দেশের মানুষ সাম্য ও ন্যায় বিচরার থেকে বঞ্চিত হতে থাকে।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেন,ফ্যাসিবাদ শেখ হাসিনা এই দেশটা লুটপাট করেছে। তার মন্ত্রী,এমপি ও সাধাারণ নেতাকর্মীরা শত নয়, হাজার নয়, লাখ লাখ কোটি টাকার মালিক। যে দেশে শেখ হাসিনার পিয়ন ৪০০ কোটি টাকার মালিক হয়, পিয়ন হেলিকপ্টারে ঘোরে,ফরিদপুরের ছাত্রলীগ নেতা দুই হাজার কোটি পাচার করে, মন্ত্রীরা কানাডার বেগমপাড়ায় বাড়ি করে,বিদেশে ভুমি মন্ত্রির হাজার হাজার কোটি টাকার বাড়ি পাওয়া যায় সেদেশের অর্থনীতির আর কি অবশিষ্ট থাকতে পারে ?

তিনি বলেন,হাসিনার আমলে যুবলীগ নেতা সম্রাট সিঙ্গাপুরে কেসিনো খেলে ২০০ কোটি টাকা হারে,১৪ কোটি লাখ টাকা পাচার করা হয়, ৯৮ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় এটাই কি দেশের মানুষ চেয়েছিল ? তিনি বলেন,যারা আ’লীগ করে তাদের জন্য সাত খুন মাফ হবে এটা সাম্যতা হতে পারে না। এ জন্য আমরা দেশ স্বাধীন করিনি।

তিনি বলেন,আমরা মুসলিমলীগ দেখেছি,আ’লীগ দেখেছি,জাতীয় পার্টি দেখেছি,বিএনপি দেখেছি। কিন্তু মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হতে দেখিনি। তাই আসুন দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হলে, ঘুষ দুর্নীতি ও কালো টাকার নির্বাচন বন্ধ করতে হলে সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচন চাই। তিনি বলেন দেশে যদি কেউ মডারেট ইসলাম কায়েম করতে চাই,সে বেঈমান হয়ে যাব। দেশে কারো মনগড়া ইসলাম কায়েম করতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন,গত ৫ আগষ্টের পর দেশব্যাপী যারা লুটপাট, চাঁদাবাজী ও দখলদারিত্ব কায়েম করেছে তাদের প্রত্যাখান করতে জনগনকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পরে তিনি দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।

শেখ ইমন/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

পাখি মেরে পৈচাশিক আনন্দ পান লালমোহনের জামাল

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

নিজে পরিবর্তন হয়ে,দেশ পরিবর্তন করতে হবে- ঝিনাইদহে পীর সাহেব চরমোনাই

আপডেটের সময় ০২:২১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন,বার বার নেতা পরিবর্তন না করে নীতি ও আদর্শের পরিবর্তন করতে হবে। তা না হলে আমাদের বার বার রক্ত দিতে হবে। নেতা পরিবর্তনের মাধ্যমে কখনো শান্তি ও বৈষম্য আসতে পারে না।

তিনি বলেন,দেশ স্বাধীনের ৫৩ বছর এদেশের মানুষ বহুবার রক্ত দিয়েছে,আন্দোলন করেছে কিন্তু ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। দেশে ন্যায় বিচার ও ইনসাফ কায়েম হয়নি। নিজে পরিবর্তন হয়ে,দেশ পরিবর্তন করতে হবে।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বুধবার বিকালে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে ইসলামী আন্দোলন আয়োজিত এক গনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

ছাত্র-জনতার উপর গণহত্যায় জড়িতদের বিচার,হতাহতদের ক্ষতি পুরণ,দুর্নীতিবাজদের বিচার ও নির্বাচন কমিশন পুণর্গঠনসহ ৭ দফা দাবী বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই গণসমাবেশের আয়োজন করে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর ঝিনাইদহ জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ এইচ এম মোমতাজুল করীমের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শোয়াইব হোসেন,ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আহমদ আব্দুল জলিল,ঝিনাইদহ জেলা সেক্রেটারি প্রভাষক মাওলানা শিহাব উদ্দীন, আলহাজ্ব ক্কারী ওমর আলী,মুহাম্মদ রায়হান উদ্দীন, মুহাম্মাদ আব্দুর রাজ্জাক মন্ডল,মাওলানা নিজাম উদ্দীন মুন্সি মাুলানা মিরাজ হুসাইন, মুফতি নাজির আহম্মেদ,মুফতি মুহাম্মাদ আলী হুসাইন,মাওলানা শহীদুল ইসলাম,মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক,মুহাম্মদ ফারুক হোসেন ও এইচ এম নাঈম মাহমুদ বক্তব্য রাখেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেন, এই ভুখন্ড মুসলমানরা শাসন করেছে। কিন্তু কিছু মুনাফেকদের কারণে আমরা পরাজিত হয়েছি। তিনি অভিযোগ করে বলেন,সে সময় দিল্লীর ষড়যন্ত্রে ৮০ হাজার মাদ্রাসা ধ্বংস করা হয়েছে। আলেমদেরকে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছে। হাজার হাজার আলেম হত্যা করা হয়েছে।

তিনি বলেন,বৃটিশরা যখন দিল্লী দখল করেছিল,তখন ওলী আওলিয়ারা আন্দোলন করে তাদের এই ভুখন্ড থেকে তাদের বিতাড়িত করেছিল। কিন্তু মুসলমানরা সাম্য,মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক অবস্থান পায়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হিন্দু জমিদাররা বিশেষ করে রবি ঠাকুর চিঠি লিখে ৪১ বার বাঁধা দিয়েছিল। তারপরও নবাব স্যার সলিমুল্লাহ (রঃ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিল। যখন রক্ত দিয়ে মুসলমানরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিল আর সেই মুসলমানদেরকে বলা হয় সাম্প্রদায়িক।

তিনি বলেন,এই উপমহাদেশে ইসলাম প্রচার ও প্রসারে মুসলমানরা রক্ত দিয়ে অবদান রেখেছে। তাই এই দেশ মুসলমানদের হলেও অধিকার সবার। পাকিস্তান গঠনের মাধ্যমে মুসলিমদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়। সেই পাকিস্তান গঠনেও নেতৃত্ব দিয়েছিল মুসলমানরা। পাকিস্থান সৃষ্টির পর পুর্ব পাকিস্থানের মানুষ আবারো বৈষম্যের শিকার হতে থাকেন। দেশের মানুষ আবারো যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুলমন্ত্র ছিল সাম্য, মানবিকতা, ন্যায় বিচার ও সামাজিক মর্যাদা। কিন্তু দেশ স্বাধীনের পর ৭২ সালের সংবিধানে মুলনীতি হিসেবে গনতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের মতো কুফরি মতবাদ চাপিয়ে দেয় ভারত। ভারতের প্রেসক্রিপশনে সংবিধান লেখা হয়। ফলে দেশের মানুষ সাম্য ও ন্যায় বিচরার থেকে বঞ্চিত হতে থাকে।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেন,ফ্যাসিবাদ শেখ হাসিনা এই দেশটা লুটপাট করেছে। তার মন্ত্রী,এমপি ও সাধাারণ নেতাকর্মীরা শত নয়, হাজার নয়, লাখ লাখ কোটি টাকার মালিক। যে দেশে শেখ হাসিনার পিয়ন ৪০০ কোটি টাকার মালিক হয়, পিয়ন হেলিকপ্টারে ঘোরে,ফরিদপুরের ছাত্রলীগ নেতা দুই হাজার কোটি পাচার করে, মন্ত্রীরা কানাডার বেগমপাড়ায় বাড়ি করে,বিদেশে ভুমি মন্ত্রির হাজার হাজার কোটি টাকার বাড়ি পাওয়া যায় সেদেশের অর্থনীতির আর কি অবশিষ্ট থাকতে পারে ?

তিনি বলেন,হাসিনার আমলে যুবলীগ নেতা সম্রাট সিঙ্গাপুরে কেসিনো খেলে ২০০ কোটি টাকা হারে,১৪ কোটি লাখ টাকা পাচার করা হয়, ৯৮ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় এটাই কি দেশের মানুষ চেয়েছিল ? তিনি বলেন,যারা আ’লীগ করে তাদের জন্য সাত খুন মাফ হবে এটা সাম্যতা হতে পারে না। এ জন্য আমরা দেশ স্বাধীন করিনি।

তিনি বলেন,আমরা মুসলিমলীগ দেখেছি,আ’লীগ দেখেছি,জাতীয় পার্টি দেখেছি,বিএনপি দেখেছি। কিন্তু মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হতে দেখিনি। তাই আসুন দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হলে, ঘুষ দুর্নীতি ও কালো টাকার নির্বাচন বন্ধ করতে হলে সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচন চাই। তিনি বলেন দেশে যদি কেউ মডারেট ইসলাম কায়েম করতে চাই,সে বেঈমান হয়ে যাব। দেশে কারো মনগড়া ইসলাম কায়েম করতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন,গত ৫ আগষ্টের পর দেশব্যাপী যারা লুটপাট, চাঁদাবাজী ও দখলদারিত্ব কায়েম করেছে তাদের প্রত্যাখান করতে জনগনকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পরে তিনি দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।

শেখ ইমন/ইবিটাইমস