ভিয়েনা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বুলগেরিয়ান সীমান্তে তিন মিশরীয় অনিয়মিত অভিবাসী প্রত্যাশী কিশোরের মৃত্যু ইন্দোনেশিয়য় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ জনে দাঁড়িয়েছে ইউক্রেন শান্তি পরিকল্পনার আলোচকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন – ভলোদিমির জেলেনস্কি অস্ট্রিয়ার আগামী বাজেট ঘাটতি পেনশন ব্যবস্থার ওপর প্রভাব পড়তে পারে মাভাবিপ্রবিতে পরিবেশ বিষয়ক ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে : সিইসি টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তিতে খোলা ময়দানে মোনাজাত স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

গোয়েন্দারা ভয় দেখিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার করিয়েছে: জি এম কাদের

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৮:০১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪
  • ২৯ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের হেফাজতে নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা ভয়ভীতি দেখিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলের নেতা জি এম কাদের। তিনি বলেন, দিনের পর দিন নিরাপত্তার নামে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখাকে আইনসম্মত মনে করি না।

সোমবার (২৯ জুলাই) বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এসব কথা বলেন। ডিবি পুলিশের হেফাজত থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় নেতার মুক্তি দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের সরকারের সমালোচনা ও প্রতিবাদ করার অধিকার আছে। অহিংস প্রতিবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহ বিবেচনা করে, আইনশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ব্যবহার করে সহিংস মোকাবিলার অধিকার সরকার বা সরকারি দলের নেই। কোনো আন্দোলন দমাতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি করতে পারে না।

প্রাণহানির জন্য সরকারকে দায়ী করে জি এম কাদের বলেন, আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হেলিকপ্টার ও বহুতল ভবন থেকে জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি করেছে। বাবা-মায়ের কোলে, ঘরে থাকা শিশুও নিহত হয়েছে। অসংখ্য নিরীহ পথচারীর প্রাণ গেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন হলো, এই ধরনের গুলি বর্ষনের উদ্দেশ্য কী ছিল? সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা যদি লক্ষ্য হয়, তাহলে এই ধরনের প্রক্রিয়ায় কি সন্ত্রাসী চিহ্নিত করা সম্ভব ছিল? বাবার কোলে শিশু, রান্নাঘরে গৃহিণী ও নিরিহ পথচারী, তারা কি সন্ত্রাসী? এই মৃত্যুর দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।’

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘আন্দোলন দমাতে দেদারছে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, গ্রেপ্তার বাণিজ্য চালাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। দেশের মানুষ যেন আতঙ্করাজ্যের বাসিন্দা। প্রতিটি আহত, নিহত এবং সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে আমরা বিচার চাচ্ছি।’

ডেস্ক/ইবিটাইমস/ এনএল/আরএন

জনপ্রিয়

বুলগেরিয়ান সীমান্তে তিন মিশরীয় অনিয়মিত অভিবাসী প্রত্যাশী কিশোরের মৃত্যু

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

গোয়েন্দারা ভয় দেখিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার করিয়েছে: জি এম কাদের

আপডেটের সময় ০৮:০১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪

ইবিটাইমস ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাদের হেফাজতে নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থা ভয়ভীতি দেখিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলের নেতা জি এম কাদের। তিনি বলেন, দিনের পর দিন নিরাপত্তার নামে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখাকে আইনসম্মত মনে করি না।

সোমবার (২৯ জুলাই) বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এসব কথা বলেন। ডিবি পুলিশের হেফাজত থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় নেতার মুক্তি দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের সরকারের সমালোচনা ও প্রতিবাদ করার অধিকার আছে। অহিংস প্রতিবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহ বিবেচনা করে, আইনশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ব্যবহার করে সহিংস মোকাবিলার অধিকার সরকার বা সরকারি দলের নেই। কোনো আন্দোলন দমাতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলি করতে পারে না।

প্রাণহানির জন্য সরকারকে দায়ী করে জি এম কাদের বলেন, আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হেলিকপ্টার ও বহুতল ভবন থেকে জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি করেছে। বাবা-মায়ের কোলে, ঘরে থাকা শিশুও নিহত হয়েছে। অসংখ্য নিরীহ পথচারীর প্রাণ গেছে।

তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন হলো, এই ধরনের গুলি বর্ষনের উদ্দেশ্য কী ছিল? সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা যদি লক্ষ্য হয়, তাহলে এই ধরনের প্রক্রিয়ায় কি সন্ত্রাসী চিহ্নিত করা সম্ভব ছিল? বাবার কোলে শিশু, রান্নাঘরে গৃহিণী ও নিরিহ পথচারী, তারা কি সন্ত্রাসী? এই মৃত্যুর দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।’

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘আন্দোলন দমাতে দেদারছে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, গ্রেপ্তার বাণিজ্য চালাচ্ছে সংশ্লিষ্টরা। সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। দেশের মানুষ যেন আতঙ্করাজ্যের বাসিন্দা। প্রতিটি আহত, নিহত এবং সহিংসতার নিরপেক্ষ তদন্তসাপেক্ষে আমরা বিচার চাচ্ছি।’

ডেস্ক/ইবিটাইমস/ এনএল/আরএন