ভিয়েনা ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমাতে ইইউ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধ করার উপায় বলে দিল ইরান কুয়েতে মার্কিন দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ইরানে যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত নিহত ৭৮৭ : রেড ক্রিসেন্ট বয়স্ক, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও শিক্ষার্থীরা রেলে ২৫% ডিসকাউন্ট সুবিধা পাবে : রেলমন্ত্রী ভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাচলের কারণে যানবাহনের গতি বেড়েছে সড়ক থেকে ব্যানার দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোস্টগার্ড মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলামের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

তীব্র গরমে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা টাঙ্গাইলের শীতল পাটি শিল্পীদের

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:৫৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪
  • ৩৮ সময় দেখুন
টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ বহুকাল ধরে ঐতিহ্যের সাথে  শীতল পাটি তৈরি করে আসছে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাটি শিল্পীরা ।এসব পাটি  গুনে মানে উন্নত ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের হওয়ায় কালক্রমে দেশজুড়েই জনপ্রিয়তা অর্জন করে । অথচ আধুনিক যুগে এসে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে শীতল পাটির কদরে অনেকটাই ভাটা পড়ে ।  ফলে বিপাকে পড়ে এ অঞ্চলের পাটি শিল্পীরা । তবে এ বছর তীব্র গরমে কদর বেড়েছে টাঙ্গাইলের শীতল পাটির।
এদিকে টাঙ্গাইলের শীতল পাটি দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। এ অঞ্চলের পাটি শিল্পকে আরও প্রসারিত করতে সব ধরনের সহযোগিতার কথা জানালো জেলার শীর্ষ এই কর্মকর্তা।
শীতল পাটি তৈরির  কাজ যেন  তাদের রক্তে মিশে আছে । তারা শত কষ্টের মাঝেও বাব-দাদার এ পেশাকে বুকে লালন করে  আসছে । সে কারনে সকল প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে পাটি তৈরির মধ্যে দিয়ে  আজও শীতল পাটির  ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার হিঙ্গানগর গ্রামের   পাটি শিল্পীরা । পুরুষরা পাটি তৈরির প্রধান উপকরণ বেত গাছ কেটে রোদে শুকিয়ে পাটি তৈরির উপকরণ  তৈরি করেন দেন আর নারী  শিল্পীরা অনেক দরদ দিয়ে মনের সব রং ঢেলে নিপুন হাতে তৈরি করেন আরামদায়ক ও টেকসই  শীতল পাটি ।
বর্তমানে আধুনিকতার যাঁতাকল থেকে বেড়িয়ে এসে ঘুরে  দাঁড়ানোর প্রয়াসে পুরো উদ্যামে নিয়ে শীতল পাটির তৈরির কাজ করছেন এ অঞ্চেলের পাটিকররা । এ উপজেলার শীতল পাটি  গুণে মানে অনণ্যা হওয়ায়  নজর কারছে  বর্তমানে বিভিন্ন অনলাইন শপে। সেখান থেকে পছন্দশই শীতল পাটি সংগ্রহ করছে ক্রেতারা ।
এ বছর তীব্র গরমে বেড়েছে এ অঞ্চলের পাটির চাহিদা যে কারণে ব্যস্ত সময় পার করছে পাটি শিল্পীরা।
উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের  হিংগানগর কামান্নাপাড়া লোকনাথ মন্দির  এলাকায় সপ্তাহে শুক্রুবার ও মঙ্গলবার  দুই দিন বসে পাটি বিক্রির হাট । এ হাটে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাটি কিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করেন ব্যসায়ীরা ।
বর্তমানে পাটি শিল্পের সাথে প্রায় ৫ হাজার পরিবার  জড়িত রয়েছে ।  এ অঞ্চলে প্রতিটি  পাটির মান অনুযায়ী   ৮ শ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত পাইকারী মূল্যে বিক্রি হয়ে থাকে । এসব পাটির খুচরা মূল্য রয়েছে ১০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা । এ  উপজেলার  বেশিরভাগ পাটি স্থানীয় এ হাটেই  বিক্রি হয়ে থাকে । এছাড়া গ্রামে গ্রামে গিয়ে কিছু পাটি খুচরা মূল্যে বিক্রি করেন পাটিকররা।
শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা/ইবিটাইমস 
জনপ্রিয়

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

তীব্র গরমে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা টাঙ্গাইলের শীতল পাটি শিল্পীদের

আপডেটের সময় ০৯:৫৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪
টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ বহুকাল ধরে ঐতিহ্যের সাথে  শীতল পাটি তৈরি করে আসছে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাটি শিল্পীরা ।এসব পাটি  গুনে মানে উন্নত ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের হওয়ায় কালক্রমে দেশজুড়েই জনপ্রিয়তা অর্জন করে । অথচ আধুনিক যুগে এসে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে শীতল পাটির কদরে অনেকটাই ভাটা পড়ে ।  ফলে বিপাকে পড়ে এ অঞ্চলের পাটি শিল্পীরা । তবে এ বছর তীব্র গরমে কদর বেড়েছে টাঙ্গাইলের শীতল পাটির।
এদিকে টাঙ্গাইলের শীতল পাটি দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। এ অঞ্চলের পাটি শিল্পকে আরও প্রসারিত করতে সব ধরনের সহযোগিতার কথা জানালো জেলার শীর্ষ এই কর্মকর্তা।
শীতল পাটি তৈরির  কাজ যেন  তাদের রক্তে মিশে আছে । তারা শত কষ্টের মাঝেও বাব-দাদার এ পেশাকে বুকে লালন করে  আসছে । সে কারনে সকল প্রতিকূলতার সাথে লড়াই করে পাটি তৈরির মধ্যে দিয়ে  আজও শীতল পাটির  ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার হিঙ্গানগর গ্রামের   পাটি শিল্পীরা । পুরুষরা পাটি তৈরির প্রধান উপকরণ বেত গাছ কেটে রোদে শুকিয়ে পাটি তৈরির উপকরণ  তৈরি করেন দেন আর নারী  শিল্পীরা অনেক দরদ দিয়ে মনের সব রং ঢেলে নিপুন হাতে তৈরি করেন আরামদায়ক ও টেকসই  শীতল পাটি ।
বর্তমানে আধুনিকতার যাঁতাকল থেকে বেড়িয়ে এসে ঘুরে  দাঁড়ানোর প্রয়াসে পুরো উদ্যামে নিয়ে শীতল পাটির তৈরির কাজ করছেন এ অঞ্চেলের পাটিকররা । এ উপজেলার শীতল পাটি  গুণে মানে অনণ্যা হওয়ায়  নজর কারছে  বর্তমানে বিভিন্ন অনলাইন শপে। সেখান থেকে পছন্দশই শীতল পাটি সংগ্রহ করছে ক্রেতারা ।
এ বছর তীব্র গরমে বেড়েছে এ অঞ্চলের পাটির চাহিদা যে কারণে ব্যস্ত সময় পার করছে পাটি শিল্পীরা।
উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের  হিংগানগর কামান্নাপাড়া লোকনাথ মন্দির  এলাকায় সপ্তাহে শুক্রুবার ও মঙ্গলবার  দুই দিন বসে পাটি বিক্রির হাট । এ হাটে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাটি কিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করেন ব্যসায়ীরা ।
বর্তমানে পাটি শিল্পের সাথে প্রায় ৫ হাজার পরিবার  জড়িত রয়েছে ।  এ অঞ্চলে প্রতিটি  পাটির মান অনুযায়ী   ৮ শ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত পাইকারী মূল্যে বিক্রি হয়ে থাকে । এসব পাটির খুচরা মূল্য রয়েছে ১০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা । এ  উপজেলার  বেশিরভাগ পাটি স্থানীয় এ হাটেই  বিক্রি হয়ে থাকে । এছাড়া গ্রামে গ্রামে গিয়ে কিছু পাটি খুচরা মূল্যে বিক্রি করেন পাটিকররা।
শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা/ইবিটাইমস