ভিয়েনা ১২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে : সিইসি টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তিতে খোলা ময়দানে মোনাজাত স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন ইউরোপের অন্য কোনও দেশে রাশিয়ার হামলার ইচ্ছা নেই নিশ্চয়তা পুতিনের রোমানিয়া-বুলগেরিয়ার যৌথ অভিযানে ৮ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার মাধবপুরে ইঞ্জিন বিকল, ৩ ঘন্টা পর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় যাত্রা বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময় সেতুসহ পাঁচ দাবিতে শাহবাগে ভোলাবাসীর অবস্থান

ঘুষের টাকা না দেওয়ায় শিক্ষকের এমপিও আবেদন পাঠাননি মাদরাসা সুপার

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৩:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩
  • ২৯ সময় দেখুন

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে চাহিদামত ঘুষের টাকা না দেওয়ায় শিক্ষকের এমপিও আবেদন পাঠান নি মাদরাসা সুপার। উল্টো শিক্ষককে হয়রানি করছেন মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার উত্তর কলারন দাখিল মাদরাসায় গত ৪ সেপ্টেম্বর সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট পদে যোগদান করেন আবুল কালাম নামের এক শিক্ষক। এমপিও করার জন্য মাদরাসা সুপার আলী হায়দার খান ওই শিক্ষকের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবী করেন। সেপ্টেম্বর মাসে এমপিও আবেদন করার কথা থাকলেও সুপার এমপিওর আবেদন করেন নি। আবুল কালাম প্রথমে সুপারকে ২০ হাজার টাকা দেন। এমপিও সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র আবুল কালামকে না দিয়ে সুপার বলেন যে তিনি এমপিও আবেদন করে দিবেন এবং অক্টোবর মাসের ৫ তারিখ সুপার আবুল কালামকে জানান যে তার এমপিও আবেদন করা হয়েছে। কয়েকদিন পর এমপিও কোন অবস্থায় আছে জানতে চাইলে সুপার জানান যে, তার এমপিও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর রিজেক্ট করেছে। কিন্ত মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে খোজ নিয়ে জানা গেছে আবুল কালামের আদৌ এমপিওর কোন আবেদন করা হয়নি। পরে সভাপতির জেরার মুখে সুপার এমপিও আবেদন করেন নি বলে স্বীকার করেছেন।

ভূক্তভোগী শিক্ষক আবুল কালাম জানান, এমপিও করার জন্য সুপার আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা চেয়েছেন। সুপারকে ২০ হাজার টাকা দিয়েছি। পুরো টাকা না দেওয়ার কারনে তিনি গত দুই মাস ঘুরিয়েও আমার এমপিও আবেদন করেন নি।

এ ব্যাপারে মাদরাসার সুপার আলী হায়দারের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, ওই শিক্ষকের বিলের জন্য এমপিও কাগজ পাঠাতে হয় মাসের ৫ তারিখের মধ্যে। কিন্তু কাগজের একটি কম থাকায় সমস্যা হয়েছে। বিল এমপিও’র কাগজ পাঠানো সময় ওই শিক্ষক আমার (সুপার) সাথেই ছিলেন। তার কাছে কোন টাকা চাওয়া হয় নি বা বিল পাঠানোর কথা বলে তার কাছ থেকে কোন টাকা নেয়া হয় নি।

ওই মাদরাসার সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এমপিও আবেদনের শেষ সময়ে কাগজ সেন্ট (পাঠানো) করা হয়েছে। কিন্তু শেষ সময়ে নেট বিজি (ব্যাস্ত) থাকায় নেট আবেদন নেয় নি। টাকা চাওয়ার কোন ঘটনা ঘটেনি। আমি (সভাপতি) ওই শিক্ষককে বলেছি টাকা টোকার কোন সমস্যা হলে আমি (সভাপতি) দেখবো।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অলি আহাদ বলেন, এ ব্যাপারে এখনো আমাকে কেহ লিখিত অভিযোগ দেন নি। সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে এমন খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট মাদরাসা সুপারকে ফোন দিয়েছি। অভিযোগকারী শিক্ষককে নিয়ে তাকে (সুপার) আসতে বলা হয়েছে।

এইচ এম লাহেল মাহমুদ/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ঘুষের টাকা না দেওয়ায় শিক্ষকের এমপিও আবেদন পাঠাননি মাদরাসা সুপার

আপডেটের সময় ০৩:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে চাহিদামত ঘুষের টাকা না দেওয়ায় শিক্ষকের এমপিও আবেদন পাঠান নি মাদরাসা সুপার। উল্টো শিক্ষককে হয়রানি করছেন মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, উপজেলার উত্তর কলারন দাখিল মাদরাসায় গত ৪ সেপ্টেম্বর সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট পদে যোগদান করেন আবুল কালাম নামের এক শিক্ষক। এমপিও করার জন্য মাদরাসা সুপার আলী হায়দার খান ওই শিক্ষকের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবী করেন। সেপ্টেম্বর মাসে এমপিও আবেদন করার কথা থাকলেও সুপার এমপিওর আবেদন করেন নি। আবুল কালাম প্রথমে সুপারকে ২০ হাজার টাকা দেন। এমপিও সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র আবুল কালামকে না দিয়ে সুপার বলেন যে তিনি এমপিও আবেদন করে দিবেন এবং অক্টোবর মাসের ৫ তারিখ সুপার আবুল কালামকে জানান যে তার এমপিও আবেদন করা হয়েছে। কয়েকদিন পর এমপিও কোন অবস্থায় আছে জানতে চাইলে সুপার জানান যে, তার এমপিও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর রিজেক্ট করেছে। কিন্ত মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে খোজ নিয়ে জানা গেছে আবুল কালামের আদৌ এমপিওর কোন আবেদন করা হয়নি। পরে সভাপতির জেরার মুখে সুপার এমপিও আবেদন করেন নি বলে স্বীকার করেছেন।

ভূক্তভোগী শিক্ষক আবুল কালাম জানান, এমপিও করার জন্য সুপার আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা চেয়েছেন। সুপারকে ২০ হাজার টাকা দিয়েছি। পুরো টাকা না দেওয়ার কারনে তিনি গত দুই মাস ঘুরিয়েও আমার এমপিও আবেদন করেন নি।

এ ব্যাপারে মাদরাসার সুপার আলী হায়দারের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, ওই শিক্ষকের বিলের জন্য এমপিও কাগজ পাঠাতে হয় মাসের ৫ তারিখের মধ্যে। কিন্তু কাগজের একটি কম থাকায় সমস্যা হয়েছে। বিল এমপিও’র কাগজ পাঠানো সময় ওই শিক্ষক আমার (সুপার) সাথেই ছিলেন। তার কাছে কোন টাকা চাওয়া হয় নি বা বিল পাঠানোর কথা বলে তার কাছ থেকে কোন টাকা নেয়া হয় নি।

ওই মাদরাসার সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এমপিও আবেদনের শেষ সময়ে কাগজ সেন্ট (পাঠানো) করা হয়েছে। কিন্তু শেষ সময়ে নেট বিজি (ব্যাস্ত) থাকায় নেট আবেদন নেয় নি। টাকা চাওয়ার কোন ঘটনা ঘটেনি। আমি (সভাপতি) ওই শিক্ষককে বলেছি টাকা টোকার কোন সমস্যা হলে আমি (সভাপতি) দেখবো।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অলি আহাদ বলেন, এ ব্যাপারে এখনো আমাকে কেহ লিখিত অভিযোগ দেন নি। সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে এমন খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট মাদরাসা সুপারকে ফোন দিয়েছি। অভিযোগকারী শিক্ষককে নিয়ে তাকে (সুপার) আসতে বলা হয়েছে।

এইচ এম লাহেল মাহমুদ/ইবিটাইমস