ঢাকা প্রতিনিধি: বাসা থেকে তুলে নেওয়ার ৩৫ ঘণ্টার বেশি সময় পর কারাগারে গেলেন সাভারে কর্মরত প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে আদালত থেকে প্রিজন ভ্যানে করে তাঁকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়।
এর আগে রমনা থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এসিএমএম) তোফাজ্জল হোসেন শামসুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। শামসুজ্জামানের জামিন আবেদন নাকচ করা হয়। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন শামসুজ্জামানের আইনজীবী প্রশান্ত কর্মকার। শুনানিতে ছিলেন আরেক আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনা হয় শামসুজ্জামানকে। পরে রমনা থানা-পুলিশ তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে। সাংবাদিক শামসুজ্জামানের জামিন চেয়ে আদালতে আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রাজধানীর তেজগাঁও ও রমনা থানায় দুটি মামলা হয়েছে।
বাসা থেকে তুলে নেওয়ার ২০ ঘণ্টার বেশি সময় পর গতকাল বুধবার মধ্যরাতে শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান এই মামলার প্রধান আসামি। সেই মামলাতেই শামসুজ্জামানকে বাসা থেকে তুলে নেওয়ার ৩০ ঘণ্টা পর আদালতে আনা হয়। এই মামলার বাদী আবদুল মালেক (মশিউর মালেক)। তিনি নিজেকে হাইকোর্টের আইনজীবী পরিচয় দিয়েছেন।
ঢাকা/বিবিটাইমস/আরএস