ভিয়েনা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে : সিইসি টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তিতে খোলা ময়দানে মোনাজাত স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন ইউরোপের অন্য কোনও দেশে রাশিয়ার হামলার ইচ্ছা নেই নিশ্চয়তা পুতিনের রোমানিয়া-বুলগেরিয়ার যৌথ অভিযানে ৮ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার মাধবপুরে ইঞ্জিন বিকল, ৩ ঘন্টা পর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় যাত্রা বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময় সেতুসহ পাঁচ দাবিতে শাহবাগে ভোলাবাসীর অবস্থান

চলতি মার্চে ভারত থেকে আসবে আদানির বিদ্যুৎ: নসরুল হামিদ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৫:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৩
  • ৫৩ সময় দেখুন

মোঃ নাসরুল্লাহ, ঢাকা: চলতি বছররের মার্চ থেকে ভারতের ঝাড়খন্ডে নির্মাণাধীন আদানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আসবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) ভারতের ঝাড়খন্ডে আদানি পাওয়ার লিমিটেডের নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে একথা জানিয়েছেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ জন্য নিবেদিত সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করা সম্ভব হবে।

ভারতের ঝাড়খন্ডের গোড্ডায় আদানির নির্মাণাধীন ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার দুটি ইউনিট পরিদর্শন করার পরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন আদানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে ২৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছি এবং মার্চ মাসে রোহনপুরের মাধ্যমে ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। আদানি গ্রুপ ভারত থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য একটি ডেডিকেটেড ট্রান্সমিশন লাইন নির্মাণ করেছে উল্লেখ করে নসরুল হামিদ বলেন, মার্চের মাঝামাঝি থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করা সম্ভব হবে এবং জুনের মধ্যে ১,৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাব।

তিনি বলেন, আগামী গ্রীষ্মের চাহিদা মেটাতে আমাদের আরও বিদ্যুতের প্রয়োজন, কারণ ১০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজেলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হবে। আমরা জ্বালানির বিকল্প বিভিন্ন উৎসও খুঁজছি এবং সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য কাজ করছি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার এ অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এরইমধ্যে ডেডিকেটেড ট্রান্সমিশন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানী অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বগুড়ায় দুটি সাবস্টেশন ও অন্যান্য ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা নির্মাণ করেছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবিহিত করতে গিয়ে অনিল সারদানা বলেন, আদানি ১৬০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট নিয়ে অতি-সুপারক্রিটিকাল প্রযুক্তি পদ্ধতির কয়লা-চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে।
তিনি বলেন, স্থানীয় কয়লা ব্যবহার করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ রপ্তানি না করার জন্য ভারত সরকারের নীতির কারণে, আমরা প্ল্যান্টের জন্য অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আনছি। এই মুহূর্তে কয়লার দাম বাড়ছে তাই বিদ্যুতের দাম কয়লার শুল্ক উপর নির্ভরশীল। ভবিষ্যতে কয়লার দাম কমলে বিদ্যুতের দামও কমবে। এক প্রশ্নের জবাবে অনিল সারদানা বলেন, আদানি গ্রুপ বিদ্যুৎ সরবরাহ না করায় এখনো বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে কোন অর্থ পায়নি।

উল্লেখ্য, দেশের বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতার লক্ষ্যে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট সই হয় ২০১১ সালে। ওই চুক্তির আওতায় ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। ২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর আদানির সঙ্গে ক্রয়চুক্তি সই হয়।

চুক্তি অনুসারে আগামী ২৫ বছর এ কেন্দ্র থেকে এক হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। প্রতি ইউনিট ছয় টাকা ৮৯ পয়সা দরে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ কিনতে সম্ভাব্য ব্যয় হবে এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।

ঢাকা/ইবিটাইমস/আরএন/আরএস

জনপ্রিয়

উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

চলতি মার্চে ভারত থেকে আসবে আদানির বিদ্যুৎ: নসরুল হামিদ

আপডেটের সময় ০৫:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৩

মোঃ নাসরুল্লাহ, ঢাকা: চলতি বছররের মার্চ থেকে ভারতের ঝাড়খন্ডে নির্মাণাধীন আদানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আসবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) ভারতের ঝাড়খন্ডে আদানি পাওয়ার লিমিটেডের নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে একথা জানিয়েছেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ জন্য নিবেদিত সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করা সম্ভব হবে।

ভারতের ঝাড়খন্ডের গোড্ডায় আদানির নির্মাণাধীন ১৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার দুটি ইউনিট পরিদর্শন করার পরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন আদানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে ২৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছি এবং মার্চ মাসে রোহনপুরের মাধ্যমে ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। আদানি গ্রুপ ভারত থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য একটি ডেডিকেটেড ট্রান্সমিশন লাইন নির্মাণ করেছে উল্লেখ করে নসরুল হামিদ বলেন, মার্চের মাঝামাঝি থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করা সম্ভব হবে এবং জুনের মধ্যে ১,৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাব।

তিনি বলেন, আগামী গ্রীষ্মের চাহিদা মেটাতে আমাদের আরও বিদ্যুতের প্রয়োজন, কারণ ১০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডিজেলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হবে। আমরা জ্বালানির বিকল্প বিভিন্ন উৎসও খুঁজছি এবং সাশ্রয়ী মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য কাজ করছি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার এ অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এরইমধ্যে ডেডিকেটেড ট্রান্সমিশন লাইন নির্মাণ করা হয়েছে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানী অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও বগুড়ায় দুটি সাবস্টেশন ও অন্যান্য ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা নির্মাণ করেছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবিহিত করতে গিয়ে অনিল সারদানা বলেন, আদানি ১৬০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট নিয়ে অতি-সুপারক্রিটিকাল প্রযুক্তি পদ্ধতির কয়লা-চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে।
তিনি বলেন, স্থানীয় কয়লা ব্যবহার করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ রপ্তানি না করার জন্য ভারত সরকারের নীতির কারণে, আমরা প্ল্যান্টের জন্য অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আনছি। এই মুহূর্তে কয়লার দাম বাড়ছে তাই বিদ্যুতের দাম কয়লার শুল্ক উপর নির্ভরশীল। ভবিষ্যতে কয়লার দাম কমলে বিদ্যুতের দামও কমবে। এক প্রশ্নের জবাবে অনিল সারদানা বলেন, আদানি গ্রুপ বিদ্যুৎ সরবরাহ না করায় এখনো বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে কোন অর্থ পায়নি।

উল্লেখ্য, দেশের বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতার লক্ষ্যে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট সই হয় ২০১১ সালে। ওই চুক্তির আওতায় ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। ২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর আদানির সঙ্গে ক্রয়চুক্তি সই হয়।

চুক্তি অনুসারে আগামী ২৫ বছর এ কেন্দ্র থেকে এক হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। প্রতি ইউনিট ছয় টাকা ৮৯ পয়সা দরে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ কিনতে সম্ভাব্য ব্যয় হবে এক লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।

ঢাকা/ইবিটাইমস/আরএন/আরএস