ভিয়েনা ১০:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এবার নতুন আইসিসির দাবি পাকিস্তানের গাজায় শান্তি প্রচেষ্টা এবং লিবিয়ার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে তুরস্ক ও মিশর একসাথে কাজ করছে – এরদোগান “আপনি হৃদয়ের প্রধানমন্ত্রী”, আমাদের ভোলা-বরিশাল সেতু করে দেবেন-বরিশালে তারেক রহমানকে পার্থ বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের ওপর জামায়াতের হামলা, আহত-৮ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধর, জরুরি বিভাগ ২ ঘণ্টা বন্ধ প্রচারণায় বাধার অভিযোগে টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন ১২ তারিখে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ এসেছে : জামায়াত আমীর জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে ছোট-বড় সকলেই বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়া পাবে : মুজিবুর রহমান দেশে ইনসাফ কায়েম করতে চাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী : অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বর্ষা নিক্ষেপে স্বর্ণপদক পেলাে ঝালকাঠির মেয়ে ফারজানা

লালমোহনে নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে লাচ্ছা সেমাই

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৪:২১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২২
  • ২৭ সময় দেখুন

লালমোহন ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহনের বিভিন্ন স্থানে নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি হচ্ছে লাচ্ছা সেমাই। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে লালমোহনে লাচ্ছা সেমাই তৈরির ধুম পড়েছে। উপজেলার কয়েকটি স্থানে গড়ে উঠেছে লাচ্ছা সেমাই তৈরির শতাধিক কারখানা। তবে এসব কারখানায় একেবারে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এবং নিম্নমানের সব উপকরণসামগ্রী দিয়ে লাচ্ছা সেমাই করা হচ্ছে। অধিক মুনাফার লোভে সেমাই তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে মানবদেহের জন্য মারাত্মক সব ক্ষতিকর উপকরণ।

গতকাল সন্ধ্যায় উপজেলার ফরাজগঞ্জ ৪নং ওয়ার্ড কিশোরগঞ্জ গ্রামের মোঃ ফারুক এর ফারুক লাচ্ছা ও মোঃ সিটাজ এর আল মিজান লাচ্ছা এবং ফায়ার সার্ভিস ভবনের পেছনের হেলাল উদ্দিন ভূইয়ার মিনা ফুড প্রোডাক্টসের কারখানা ঘুরে দেখা যায়, লাচ্ছা তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকরা। তবে তাদের হাতে কোন গ্লোবস নেই, মুখে মাক্স নেই। প্রচন্ড গরম আর লাচ্ছার চুলোর তাপে পোশাক খুলে কাজ করছে শ্রমিকরা। এতে দেহের ঘাম ঝরে পড়ছে লাচ্ছা তৈরির খামিরে। অন্যদিকে নিন্ম মানের ময়দার সাথে পোড়া তেল ও নিন্ম মানের ডালডা দিয়ে ভাজা হচ্ছে লাচ্ছি সেমাই। তেল ও পানি মিশে নোংরা হয়ে রয়েছে মেঝে, তবে পরিস্কারের কোনও বালাই নেই।

খাদ্য তৈরির ক্ষেত্রে বিএসটিআইয়ের কোন অনুমোদন না থাকলেও ঈদকে ঘিরে অধিক মুনাফার আশায় লাচ্ছি সেমাইয়ের কারখানা গড়ে তুলেছে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা।

কারখানা মালিকদের সাথে আলাপকালে তারা জানান, কাজ করতে গেলে একটু-আধটু নোংরা হবেই। তবে লাচ্ছির উৎপাদন সামগ্রী ভাল মানের। অন্যান্য বছর ভোক্তা অধিকার ও উপজেলা প্রশাসন থেকে অভিযান দেয়া হয়েছিল। এবছর এখন পর্যন্ত কেউ আসেনি বলেও জানান তারা।
লালমোহন পৌরসভার স্যানিটরি অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহে দিনের বেলায় অভিযানে গিয়েছিলাম, কাউকে পাওয়া যায়নি। আর রাতে জেলা থেকে ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তাগণ এসে অভিযান পরিচালনা করা দুস্কর।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ভোলা জেলা সহকারী পরিচালক মাহবুবুল হাসান বলেন, আমরা অভিযানে গিয়েছিলাম। পূর্বে যেসব স্থানে কারখানা ছিল, সেগুলোর অনেকটি খূঁজে পাওয়া যায়নি। আর নতুন করে যেসব কারখানা গড়ে উঠেছে, ওগুলোর তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে যেগুলোকে পাওয়া গিয়েছে, সেগুলো কে সাবধান করে দেয়া হয়েছে।

লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পল্লব কুমার হাজরা বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী তৈরির বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভোলা/ইবিটাইমস

জনপ্রিয়

এবার নতুন আইসিসির দাবি পাকিস্তানের

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

লালমোহনে নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে লাচ্ছা সেমাই

আপডেটের সময় ০৪:২১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২২

লালমোহন ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহনের বিভিন্ন স্থানে নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি হচ্ছে লাচ্ছা সেমাই। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে লালমোহনে লাচ্ছা সেমাই তৈরির ধুম পড়েছে। উপজেলার কয়েকটি স্থানে গড়ে উঠেছে লাচ্ছা সেমাই তৈরির শতাধিক কারখানা। তবে এসব কারখানায় একেবারে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এবং নিম্নমানের সব উপকরণসামগ্রী দিয়ে লাচ্ছা সেমাই করা হচ্ছে। অধিক মুনাফার লোভে সেমাই তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে মানবদেহের জন্য মারাত্মক সব ক্ষতিকর উপকরণ।

গতকাল সন্ধ্যায় উপজেলার ফরাজগঞ্জ ৪নং ওয়ার্ড কিশোরগঞ্জ গ্রামের মোঃ ফারুক এর ফারুক লাচ্ছা ও মোঃ সিটাজ এর আল মিজান লাচ্ছা এবং ফায়ার সার্ভিস ভবনের পেছনের হেলাল উদ্দিন ভূইয়ার মিনা ফুড প্রোডাক্টসের কারখানা ঘুরে দেখা যায়, লাচ্ছা তৈরিতে ব্যস্ত শ্রমিকরা। তবে তাদের হাতে কোন গ্লোবস নেই, মুখে মাক্স নেই। প্রচন্ড গরম আর লাচ্ছার চুলোর তাপে পোশাক খুলে কাজ করছে শ্রমিকরা। এতে দেহের ঘাম ঝরে পড়ছে লাচ্ছা তৈরির খামিরে। অন্যদিকে নিন্ম মানের ময়দার সাথে পোড়া তেল ও নিন্ম মানের ডালডা দিয়ে ভাজা হচ্ছে লাচ্ছি সেমাই। তেল ও পানি মিশে নোংরা হয়ে রয়েছে মেঝে, তবে পরিস্কারের কোনও বালাই নেই।

খাদ্য তৈরির ক্ষেত্রে বিএসটিআইয়ের কোন অনুমোদন না থাকলেও ঈদকে ঘিরে অধিক মুনাফার আশায় লাচ্ছি সেমাইয়ের কারখানা গড়ে তুলেছে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা।

কারখানা মালিকদের সাথে আলাপকালে তারা জানান, কাজ করতে গেলে একটু-আধটু নোংরা হবেই। তবে লাচ্ছির উৎপাদন সামগ্রী ভাল মানের। অন্যান্য বছর ভোক্তা অধিকার ও উপজেলা প্রশাসন থেকে অভিযান দেয়া হয়েছিল। এবছর এখন পর্যন্ত কেউ আসেনি বলেও জানান তারা।
লালমোহন পৌরসভার স্যানিটরি অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, গত সপ্তাহে দিনের বেলায় অভিযানে গিয়েছিলাম, কাউকে পাওয়া যায়নি। আর রাতে জেলা থেকে ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তাগণ এসে অভিযান পরিচালনা করা দুস্কর।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ভোলা জেলা সহকারী পরিচালক মাহবুবুল হাসান বলেন, আমরা অভিযানে গিয়েছিলাম। পূর্বে যেসব স্থানে কারখানা ছিল, সেগুলোর অনেকটি খূঁজে পাওয়া যায়নি। আর নতুন করে যেসব কারখানা গড়ে উঠেছে, ওগুলোর তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে যেগুলোকে পাওয়া গিয়েছে, সেগুলো কে সাবধান করে দেয়া হয়েছে।

লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) পল্লব কুমার হাজরা বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী তৈরির বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভোলা/ইবিটাইমস