ভিয়েনা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পাখি মেরে পৈচাশিক আনন্দ পান লালমোহনের জামাল বাংলাদেশকে ২৪৮ রানের লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে ইরানের বুশেহর প্রদেশে কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান ঝালকাঠিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন টাঙ্গাইলে বাসাইলে রাস্তার পাশে থেকে নবজাতক উদ্ধার চরফ্যাশনে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে জরুরি ওষুধ বিতরণ প্রথমবারের মতো THE Impact Rankings 2026-এ স্থান পেল মাভাবিপ্রবি আপিল খারিজ: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পুনর্বহাল রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

হবিগঞ্জে ড্রাগন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন চাষিরা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১১:০০:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১
  • ৮৭ সময় দেখুন

মোতাব্বির কাজল, হবিগঞ্জঃ দেশি ফল না হলেও দেশে বাড়ছে ড্রাগনের চাষ। উচ্চ ফলনশীল ও ঔষধী গুন থাকায় ড্রাগন ফলের চাহিদা ও বাজার মূল্য বেশি। তাই লাভোবান হওয়ায় আশায় এই ফল চাষে ঝুকছেন হবিগঞ্জের চাষিরা।

সরকারি ভাবে কৃষকদেরকে চারা, চাষ পদ্ধতি ও প্রশিক্ষনসহ আর্থিক সহযোগিতা করা হলে বেশি ফলনের সাথে সাথে অধিক মুনাফাও অর্জন করতে পারবেন বলে আশা চাষিদের। স্থানীয় কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় গত দেড়বছরে ড্রাগন ফলের চাষ বেড়েছে কয়েকগুন।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য বলছর, বাহুবলে বর্তমানে ৪ হেক্টর জমিতে ড্রাগন ফলের চাষাবাদ হচ্ছে।

উপজেলার একাধিক চাষিরা জানিয়েছেন , চাষ উপযোগী মাটি ও লাভজনক হওয়ায় ড্রাগন চাষ সম্ভাবনাময় মনে করছেন তারা। কেউ কেউ অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক লাভবান হচ্ছেন বলেও জানান তারা।

লামাতাশি ইউনিয়নের ড্রাগন ফল চাষি আব্দুল্লাহ জানান, ইউনিয়নের  উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা শামীম উল হক শামীমের পরামর্শে উত্তরবঙ্গ থেকে ১ শ ৪ টি চারা এনে ১৫ শতাংশ জমিতে চাষাবাদ শুরু করেন তিনি। ৫০ টাকা করে কিনে আনা এসব চারায় এবছর ১০-১৫ কেজি করে ড্রাগন ফল ধরেছে। ৫ শ টাকা কেজি ধরে সেই ফল ক্ষেত থেকেই কিনে নিয়ে যান পাইকাররা। তিনি আরও জানান, ফলের পাশাপাশি চারাও উৎপাদন করছেন তিনি। ইতোমধ্যে ২৫ হাজার টাকার ড্রাগন ফল ও ৫ হাজার টাকার চারা বিক্রি করেছেন।

এ বিষয়ে লামাতাশি ইউনিয়নের দ্বিমুড়া ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শামীমুল হক শামীম বলেন, আমরা কৃষক ভাইদেরকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাচ্ছি। আশা করছি আমার ব্লকে ড্রাগন চাষির সংখ্যা আরও বাড়বে।

বাহুবল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল ড্রাগন একটি লাভজনক ফল  উল্লেখ করে বলেন, প্রথমদিকে একজন কৃষককে চারা সংগ্রহ করে দিয়েছিলাম। বর্তমানে চাষিদেরকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

হবিগঞ্জ/ইবিটাইমস/আরএন

জনপ্রিয়

পাখি মেরে পৈচাশিক আনন্দ পান লালমোহনের জামাল

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

হবিগঞ্জে ড্রাগন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন চাষিরা

আপডেটের সময় ১১:০০:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১

মোতাব্বির কাজল, হবিগঞ্জঃ দেশি ফল না হলেও দেশে বাড়ছে ড্রাগনের চাষ। উচ্চ ফলনশীল ও ঔষধী গুন থাকায় ড্রাগন ফলের চাহিদা ও বাজার মূল্য বেশি। তাই লাভোবান হওয়ায় আশায় এই ফল চাষে ঝুকছেন হবিগঞ্জের চাষিরা।

সরকারি ভাবে কৃষকদেরকে চারা, চাষ পদ্ধতি ও প্রশিক্ষনসহ আর্থিক সহযোগিতা করা হলে বেশি ফলনের সাথে সাথে অধিক মুনাফাও অর্জন করতে পারবেন বলে আশা চাষিদের। স্থানীয় কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় গত দেড়বছরে ড্রাগন ফলের চাষ বেড়েছে কয়েকগুন।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য বলছর, বাহুবলে বর্তমানে ৪ হেক্টর জমিতে ড্রাগন ফলের চাষাবাদ হচ্ছে।

উপজেলার একাধিক চাষিরা জানিয়েছেন , চাষ উপযোগী মাটি ও লাভজনক হওয়ায় ড্রাগন চাষ সম্ভাবনাময় মনে করছেন তারা। কেউ কেউ অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক লাভবান হচ্ছেন বলেও জানান তারা।

লামাতাশি ইউনিয়নের ড্রাগন ফল চাষি আব্দুল্লাহ জানান, ইউনিয়নের  উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা শামীম উল হক শামীমের পরামর্শে উত্তরবঙ্গ থেকে ১ শ ৪ টি চারা এনে ১৫ শতাংশ জমিতে চাষাবাদ শুরু করেন তিনি। ৫০ টাকা করে কিনে আনা এসব চারায় এবছর ১০-১৫ কেজি করে ড্রাগন ফল ধরেছে। ৫ শ টাকা কেজি ধরে সেই ফল ক্ষেত থেকেই কিনে নিয়ে যান পাইকাররা। তিনি আরও জানান, ফলের পাশাপাশি চারাও উৎপাদন করছেন তিনি। ইতোমধ্যে ২৫ হাজার টাকার ড্রাগন ফল ও ৫ হাজার টাকার চারা বিক্রি করেছেন।

এ বিষয়ে লামাতাশি ইউনিয়নের দ্বিমুড়া ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শামীমুল হক শামীম বলেন, আমরা কৃষক ভাইদেরকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাচ্ছি। আশা করছি আমার ব্লকে ড্রাগন চাষির সংখ্যা আরও বাড়বে।

বাহুবল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল ড্রাগন একটি লাভজনক ফল  উল্লেখ করে বলেন, প্রথমদিকে একজন কৃষককে চারা সংগ্রহ করে দিয়েছিলাম। বর্তমানে চাষিদেরকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

হবিগঞ্জ/ইবিটাইমস/আরএন