ভিয়েনা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইউএইতে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী দ্রুত সিদ্ধান্ত প্রদানের লক্ষ্যে নতুন ইইউ আশ্রয় নীতি কার্যকর হচ্ছে যুদ্ধবিরতি আলোচনা: তেহরানে কাতারের প্রতিনিধি দল জিয়াউর রহমানের কর্ম ও আদর্শ নিয়ে উঁচুমানের গবেষণার আহ্বান মির্জা ফখরুলের সাবেক আইজি বেনজির গ্রেফতার লালমোহনে জমি জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ, স্পিকারের সুদৃষ্টি কামনা এসিল্যান্ড পরিচয়ে টাকা দাবি লালমোহনে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন মন্ত্রী মাহবুব আনাম স্বপন

টিকার জন্য মানুষ লাইনে বসে রাত কাটিয়েছেন, এটি লজ্জার: জিএম কাদের

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৩:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অগাস্ট ২০২১
  • ১০১ সময় দেখুন

ঢাকা: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, গণটিকা কর্মসূচি সফল করে বিশ্ব যখন সব কিছু স্বাভাবিক করে ফেলছে, তখন আমাদের দেশে শতশত মানুষ এক ডোজ টিকার জন্য সারারাত লাইনে বসে রাত কাটিয়েছেন। বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধরা সীমাহীন ভোগান্তিতে রাত কাটিয়েছেন শুধু এক ডোজ করোনা টিকা পাওয়ার আশায়। কারণ, গেলো কয়েকদিন তারা বিভিন্ন কেন্দ্রে ঘুরেও টিকা পায়নি। বিশ্বে এমন দুঃখজনক ঘটনা নজিরবিহীন। জাতির জন্য এরচেয়ে লজ্জাজনক সংবাদ আর হতে পারেনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে প্রয়াত সদস্য, নেতাকর্মীদের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান শেষে এক বিবৃতিতে জিএম কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, টিকার জন্য সারারাত শতশত নারী-পুরুষ লাইনে বসে রাত কাটানোর ঘটনা মূল্যায়ন করলেই প্রমাণ হবে গণটিকা কার্যক্রম কতটা ব্যর্থ। গণটিকা কর্মসূচি সফল করতে অন্তত ২৭ কোটি ডোজ টিকা প্রয়োজন হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মানুষকে বাঁচাতে দ্রুততার সাথে বিভিন্ন সোর্স থেকে টিকা সংগ্রহ করতে হবে। তাছাড়া, গণটিকা কর্মসূচীতে যথাযথ পরিকল্পনা ও সার্বিক সমন্বয় থাকা দরকার।

জিএম কাদের বলেন, টিকা নিয়ে একেক মন্ত্রী একেক ধরনের কথা বলছেন। মন্ত্রীদের কথা এখন আর মানুষ জানতে চায় না। তাদের বক্তব্যে দেশের মানুষ সরকারের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। বাস্তবতা হলো সরকার যা করতে বলছেন দেশের মানুষ এখন আর তা করতে আগ্রহবোধ করছে না।

বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বর্তমান প্রেক্ষিতে জীবন বাঁচাতে চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। উপজেলা এমনকি জেলা পর্যায়ে মুমুর্ষ রোগি প্রায়ই অক্সিজেন সহায়তা পাচ্ছে না। এর চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা আর হতে পারে না। সেকারণে, সংক্রমণ প্রবণ এলাকায় সেনাবাহিনীর সহায়তায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদীসহ দ্রুততার সাথে ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণ জরুরী হয়ে পড়েছে। আমরা আবারো বলছি, করোনায় কর্মহীনদের মধ্য থেকে কমপক্ষে ২ কোটি পরিবারকে মাসে অন্তত ১০ হাজার টাকা অর্থ দেয়া এই মুহুর্তে প্রয়োজন মনে করি।

ঢাকা/ইবিটাইমস/আরএন

ইউএইতে গ্রেফতার বেনজীর, দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

টিকার জন্য মানুষ লাইনে বসে রাত কাটিয়েছেন, এটি লজ্জার: জিএম কাদের

আপডেটের সময় ০৩:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অগাস্ট ২০২১

ঢাকা: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, গণটিকা কর্মসূচি সফল করে বিশ্ব যখন সব কিছু স্বাভাবিক করে ফেলছে, তখন আমাদের দেশে শতশত মানুষ এক ডোজ টিকার জন্য সারারাত লাইনে বসে রাত কাটিয়েছেন। বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধরা সীমাহীন ভোগান্তিতে রাত কাটিয়েছেন শুধু এক ডোজ করোনা টিকা পাওয়ার আশায়। কারণ, গেলো কয়েকদিন তারা বিভিন্ন কেন্দ্রে ঘুরেও টিকা পায়নি। বিশ্বে এমন দুঃখজনক ঘটনা নজিরবিহীন। জাতির জন্য এরচেয়ে লজ্জাজনক সংবাদ আর হতে পারেনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে প্রয়াত সদস্য, নেতাকর্মীদের স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান শেষে এক বিবৃতিতে জিএম কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, টিকার জন্য সারারাত শতশত নারী-পুরুষ লাইনে বসে রাত কাটানোর ঘটনা মূল্যায়ন করলেই প্রমাণ হবে গণটিকা কার্যক্রম কতটা ব্যর্থ। গণটিকা কর্মসূচি সফল করতে অন্তত ২৭ কোটি ডোজ টিকা প্রয়োজন হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মানুষকে বাঁচাতে দ্রুততার সাথে বিভিন্ন সোর্স থেকে টিকা সংগ্রহ করতে হবে। তাছাড়া, গণটিকা কর্মসূচীতে যথাযথ পরিকল্পনা ও সার্বিক সমন্বয় থাকা দরকার।

জিএম কাদের বলেন, টিকা নিয়ে একেক মন্ত্রী একেক ধরনের কথা বলছেন। মন্ত্রীদের কথা এখন আর মানুষ জানতে চায় না। তাদের বক্তব্যে দেশের মানুষ সরকারের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। বাস্তবতা হলো সরকার যা করতে বলছেন দেশের মানুষ এখন আর তা করতে আগ্রহবোধ করছে না।

বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বর্তমান প্রেক্ষিতে জীবন বাঁচাতে চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। উপজেলা এমনকি জেলা পর্যায়ে মুমুর্ষ রোগি প্রায়ই অক্সিজেন সহায়তা পাচ্ছে না। এর চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা আর হতে পারে না। সেকারণে, সংক্রমণ প্রবণ এলাকায় সেনাবাহিনীর সহায়তায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদীসহ দ্রুততার সাথে ফিল্ড হাসপাতাল নির্মাণ জরুরী হয়ে পড়েছে। আমরা আবারো বলছি, করোনায় কর্মহীনদের মধ্য থেকে কমপক্ষে ২ কোটি পরিবারকে মাসে অন্তত ১০ হাজার টাকা অর্থ দেয়া এই মুহুর্তে প্রয়োজন মনে করি।

ঢাকা/ইবিটাইমস/আরএন