ভিয়েনা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

যৌথ উদ্যোগে টিকা উৎপাদনে চীন খসড়া সমঝোতা স্মারক পাঠিয়েছে : পররাষ্ট্র মন্ত্রী

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১
  • ১৪ সময় দেখুন

ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, চীন এখানে একটি স্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যালের সাথে তাদের সিনোফার্ম কোভিড ভ্যাকসিনের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন করার জন্য খসড়া সমঝোতা স্মারক পাঠিয়েছে। তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এরইমধ্যে খসড়া সমঝোতাটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। বলেছি তাদেরকে এটি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারক প্রস্তুত করতে দেরি হবে না। কারণ চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করার পর এখানে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন শুরু করতে দুই মাসের মত সময় লাগবে। মোমেন বলেন,  চীনের সিনোফার্ম বাংলাদেশী ফার্মাসিউটিক্যালস ইনসেপ্টার সাথে যৌথ উৎপাদনে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সম্ভাব্য চুক্তি অনুযায়ী ইনসেপ্টা এখানে ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারবে না, তারা স্থানীয়ভাবে কেবল চীনা টিকার বোতলজাতকরণ এবং লেবেলিং করবে। এতে ভ্যাকসিনের খরচও যথেষ্ট কম পড়বে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিটি বাংলাদেশ সরকার, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং চীনের সিনোফার্ম এই তিন পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে।

এখানে রাশিয়ার ভ্যাকসিনের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মস্কো প্রশাসন ধীরে কাজ করছে কারণ রাশিয়ায় করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আঘাত করেছে।

ঢাকা/ইবিটাইমস/এমএইচ

জনপ্রিয়

লালমোহন হাসপাতালে ৮ দফা দাবিতে নার্সদের প্রতীকী শাট-ডাউন

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

যৌথ উদ্যোগে টিকা উৎপাদনে চীন খসড়া সমঝোতা স্মারক পাঠিয়েছে : পররাষ্ট্র মন্ত্রী

আপডেটের সময় ০৬:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১

ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, চীন এখানে একটি স্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যালের সাথে তাদের সিনোফার্ম কোভিড ভ্যাকসিনের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন করার জন্য খসড়া সমঝোতা স্মারক পাঠিয়েছে। তিনি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এরইমধ্যে খসড়া সমঝোতাটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। বলেছি তাদেরকে এটি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চূড়ান্ত সমঝোতা স্মারক প্রস্তুত করতে দেরি হবে না। কারণ চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করার পর এখানে যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন শুরু করতে দুই মাসের মত সময় লাগবে। মোমেন বলেন,  চীনের সিনোফার্ম বাংলাদেশী ফার্মাসিউটিক্যালস ইনসেপ্টার সাথে যৌথ উৎপাদনে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সম্ভাব্য চুক্তি অনুযায়ী ইনসেপ্টা এখানে ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারবে না, তারা স্থানীয়ভাবে কেবল চীনা টিকার বোতলজাতকরণ এবং লেবেলিং করবে। এতে ভ্যাকসিনের খরচও যথেষ্ট কম পড়বে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চূড়ান্ত চুক্তিটি বাংলাদেশ সরকার, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং চীনের সিনোফার্ম এই তিন পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে।

এখানে রাশিয়ার ভ্যাকসিনের যৌথ উদ্যোগে উৎপাদন সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে মস্কো প্রশাসন ধীরে কাজ করছে কারণ রাশিয়ায় করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আঘাত করেছে।

ঢাকা/ইবিটাইমস/এমএইচ