ভিয়েনা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু সাইমন ড্রিং আর নেই

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১
  • ৪৫ সময় দেখুন

ঢাকা: বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং আর  নেই। গত ১৬ জুলাই শুক্রবার রোমানিয়ার একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় তিনি মারা যান। সাংবাদিক সাইমন ড্রিংয়ের বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন।

রয়টার্স, টেলিগ্রাফ ও বিবিসির হয়ে সাইমন ড্রিং দীর্ঘদিন কাজ করেছেন বৈদেশিক সংবাদদাতা, টেলিভিশন উপস্থাপক ও তথ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে।
সাইমন ড্রিং একমাত্র সাংবাদিক, যিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানের ভয়াবহতা ও নৃশংসতার শুরু থেকেই প্রতিবেদন করেছিলেন। বাংলাদেশে তাকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেয়া হয়।

সাইমন ড্রিংয়ের জন্ম ইংল্যান্ডে ১৯৪৫ সালে। তিনি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন ১৮ বছর বয়স থেকে। দেখেছেন ২২টি যুদ্ধ, অভ্যূত্থান ও বিপ্লব। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন নানা দেশের অসংখ্য সহমর্মী মানুষ। যুদ্ধের মাঠে, রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে, শরণার্থীশিবিরে, প্রতিবাদে বা জনমত গঠনে কঠিন সেই সময়ে তারা ভূমিকা রেখেছেন। তাদের একজন সাইমন ড্রিং।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/এমএইচ

জনপ্রিয়
Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু সাইমন ড্রিং আর নেই

আপডেটের সময় ০৭:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১

ঢাকা: বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং আর  নেই। গত ১৬ জুলাই শুক্রবার রোমানিয়ার একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের সময় তিনি মারা যান। সাংবাদিক সাইমন ড্রিংয়ের বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন।

রয়টার্স, টেলিগ্রাফ ও বিবিসির হয়ে সাইমন ড্রিং দীর্ঘদিন কাজ করেছেন বৈদেশিক সংবাদদাতা, টেলিভিশন উপস্থাপক ও তথ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে।
সাইমন ড্রিং একমাত্র সাংবাদিক, যিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানের ভয়াবহতা ও নৃশংসতার শুরু থেকেই প্রতিবেদন করেছিলেন। বাংলাদেশে তাকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দেয়া হয়।

সাইমন ড্রিংয়ের জন্ম ইংল্যান্ডে ১৯৪৫ সালে। তিনি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন ১৮ বছর বয়স থেকে। দেখেছেন ২২টি যুদ্ধ, অভ্যূত্থান ও বিপ্লব। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন নানা দেশের অসংখ্য সহমর্মী মানুষ। যুদ্ধের মাঠে, রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে, শরণার্থীশিবিরে, প্রতিবাদে বা জনমত গঠনে কঠিন সেই সময়ে তারা ভূমিকা রেখেছেন। তাদের একজন সাইমন ড্রিং।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/এমএইচ