ভোলায় লকডাউনের প্রথম দিনে সচেতনতামূলক অভিযান ও জরিমানা

ভোলাঃ বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে সারাদেশে সাতদিনের কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার সর্বাত্মক লকডাউন এর প্রথম দিনে ভোলার উপশহর বাংলাবাজারে সচেতনতামূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

অভিযানে বাংলাবাজার সকল ব্যবসায়ী ও সকল পথচারীদের স্বাস্থ্য বিধি মানতে মাইকিং করা হয়। করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সকলকে মাইকিং করে সচেতন ও করা হয়। এসময় বলা হয় অপ্রয়োজনে কেউ যেন বাসা থেকে বের না হয়।

ব্যস্ততম শহরগুলো প্রায় জনশূন্য। শুধুমাত্র খেটে খাওয়া কিছু সংখ্যক মানুষ নিজের পরিবারের ক্ষুধা নিবারণের জন্য রাস্তায় নামতে হচ্ছে। এছাড়া মানুষ খুব একটা ঘর থেকে কম বের হচ্ছে। কিছু সংখ্যক বের হচ্ছে তাদের প্রয়োজনের তাগিদে।

উপশহরের মার্কেট দোকানপাট সব বন্ধ রয়েছে। ভোলা টু চরফ্যাশন সড়ক থেকে শুরু করে দৌলতখান সড়ক এবং বাঘমারা ব্রিজ সড়কগুলোতেও দুই- একটি রিক্সা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সা দেখা গেছে।

জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সার্ভিসের আওতায় (ফার্মেসী, মুদি দোকান, কুরিয়ার সার্ভিস এবং কাঁচাবাজার) সকল প্রতিষ্ঠানের স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল নিরাপত্তা নিশ্চিত করে খোলা রয়েছে।

ভোলার বিভিন্ন উপজেলায় লকডাউন কার্যকরে অভিযান পরিচালনা করেন, ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ও দৌলতখান উপজেলার সহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) মহুয়া আফরোজ। দৌলতখান উপজেলার নির্বাহী কর্মকতা আক্তার হোসেন ও বাংলাবাজার পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা ও দৌলতখান উপজেলার চেয়ারম্যান মন্জুর আলম খান ও ভাইস চেয়ারম্যান মো: সিদ্দিক মিয়া এবং পৌর মেয়র জাকির তালুকদার দক্ষিণ দীঘলদী এর প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনের পল্লী বিদ্যুৎ এর পরিচালক হারুন অর রশীদ ও বাজার কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ।

অন্যদিকে ভোলার চরফ্যাসনে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় এবং বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়ায় ৩৩ জনকে ৩৭ হাজার ৯শ’ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) পৌরশহরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন ও  উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিপন বিশ্বাস।

লালমোহন  উপজেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, সর্বত্রই ফাঁকা। দোকানপাট বন্ধ, রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল নেই বললেই চলে।অবাধ চলাচলরোধে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আল নোমান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহিদুল ইসলাম। একইসাথে লালমোহন থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাকসুদুর রহমান মুরাদ’র নের্তৃত্বেও মাঠে নামে পুলিশ।

রিপন শান /ইবিটাইমস/আরএন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »