ভিয়েনা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আইজিপি’র সঙ্গে এফবিআই প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া রোধে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হবিগঞ্জে বন বিভাগের গাছ চুরির মামলায় সানু কারাগারে আগামীকাল শুরু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে, দাবি ইরানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠক কানাডায় মার্কিন কনস্যুলেটে গুলিবর্ষণ ইরান আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের কোনো বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নেই – আরাগচি চরফ্যাশনে ২৮৮টি পরিবার পেয়েছে ফ্যামিলি কার্ড জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে লালমোহনে র‍্যালি

ভোলায় শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১২:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১
  • ৪৯ সময় দেখুন

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার দৌলতখানের ৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ শিক্ষার্থীর ২০২০ সালের (জুলাই-ডিসেম্বর) ৬ মাসের উপবৃত্তির ৩৭ হাজার ৮০০ টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে একটি আইটি প্রতিষ্ঠান। অভিযুক্ত ইন্টারনেট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান “অর্না নেটে”র মালিক উপজেলার হাজিপুর এসএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন মিঠু।

জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার অপারেটর মো: ছাব্বির হোসেন নিজের ও তার মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও মোবাইল নাম্বার শিক্ষার্থীদের নামের বিপরীতে বসিয়ে দিয়ে নিজেদের মোবাইলে টাকা পেতে এ অপচেষ্টা চালান। আর এ কাজটি সম্পাদন করেছেন ওই ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের নামের তালিকা এন্ট্রি করার সময়।

যেসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রয়েছেন সেগুলো হচ্ছে- দৌলতখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম রাম রতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুকদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিদারুল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর পদ্মা রেজি: প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বামনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ২০২১ সালের উপবৃত্তির কাজ করতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে।

জালিয়াতির শিকার বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের অভিযোগ, অর্না নেটের মালিক শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন ছাড়া বিদ্যালয়গুলোর পাসওয়ার্ড, ইএমআইএস কোড অন্য কারও জানা থাকার কথা নয়।

৪২ জন শিক্ষার্থীর নামের সঙ্গে ছাব্বির ও তার মা ছায়েরা খাতুনের মোবাইল নাম্বার যথাক্রমে- ০১৫৮০৭২৩১০৯, ০১৬০৯৫৪৭৪১৬ এবং তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যুক্ত হলো কিভাবে এমন প্রশ্নের জবাবে ছাব্বির বলেন, আমাকে সাজ্জাদ হোসেন মিঠু স্যার মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছেন। আমাকে ফাঁসাতে তিনিই এ কাজ করেছেন। এ অভিযোগ অস্বীকার করে সাজ্জাদ হোসেন মিঠু বলেন, ছাব্বির অন্যত্র কাজ করবে বলে স্বেচ্ছায় আমার প্রতিষ্ঠানের কাজ ছেড়ে দিয়েছে। সে-ই এ কাজ করেছে। তাকে মারধরের অভিযোগ ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: হোসেন বলেন, ঘটনা সম্পর্কে শিক্ষকরা তাকে অবহিত করেছেন। বিষয়টি সংশোধনের চেষ্টা চলছে।

ভোলা/ইবিটাইমস/এমএন

জনপ্রিয়

আইজিপি’র সঙ্গে এফবিআই প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ভোলায় শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

আপডেটের সময় ১২:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুন ২০২১

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার দৌলতখানের ৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ শিক্ষার্থীর ২০২০ সালের (জুলাই-ডিসেম্বর) ৬ মাসের উপবৃত্তির ৩৭ হাজার ৮০০ টাকা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে একটি আইটি প্রতিষ্ঠান। অভিযুক্ত ইন্টারনেট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান “অর্না নেটে”র মালিক উপজেলার হাজিপুর এসএম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন মিঠু।

জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার অপারেটর মো: ছাব্বির হোসেন নিজের ও তার মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও মোবাইল নাম্বার শিক্ষার্থীদের নামের বিপরীতে বসিয়ে দিয়ে নিজেদের মোবাইলে টাকা পেতে এ অপচেষ্টা চালান। আর এ কাজটি সম্পাদন করেছেন ওই ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের নামের তালিকা এন্ট্রি করার সময়।

যেসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রয়েছেন সেগুলো হচ্ছে- দৌলতখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম রাম রতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুকদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিদারুল্যাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর পদ্মা রেজি: প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বামনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ২০২১ সালের উপবৃত্তির কাজ করতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে।

জালিয়াতির শিকার বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকদের অভিযোগ, অর্না নেটের মালিক শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন ছাড়া বিদ্যালয়গুলোর পাসওয়ার্ড, ইএমআইএস কোড অন্য কারও জানা থাকার কথা নয়।

৪২ জন শিক্ষার্থীর নামের সঙ্গে ছাব্বির ও তার মা ছায়েরা খাতুনের মোবাইল নাম্বার যথাক্রমে- ০১৫৮০৭২৩১০৯, ০১৬০৯৫৪৭৪১৬ এবং তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যুক্ত হলো কিভাবে এমন প্রশ্নের জবাবে ছাব্বির বলেন, আমাকে সাজ্জাদ হোসেন মিঠু স্যার মারধর করে তাড়িয়ে দিয়েছেন। আমাকে ফাঁসাতে তিনিই এ কাজ করেছেন। এ অভিযোগ অস্বীকার করে সাজ্জাদ হোসেন মিঠু বলেন, ছাব্বির অন্যত্র কাজ করবে বলে স্বেচ্ছায় আমার প্রতিষ্ঠানের কাজ ছেড়ে দিয়েছে। সে-ই এ কাজ করেছে। তাকে মারধরের অভিযোগ ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: হোসেন বলেন, ঘটনা সম্পর্কে শিক্ষকরা তাকে অবহিত করেছেন। বিষয়টি সংশোধনের চেষ্টা চলছে।

ভোলা/ইবিটাইমস/এমএন