ভিয়েনা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জ্বালানির পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে: জাতিসংঘ ভারতের দুই গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে ভোটগ্রহণ চলছে ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে মার্কিন বাহিনীর অভিযান : পেন্টাগন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক ইরানে সহায়তা পাঠালো বাংলাদেশ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ১০ সদস্যের যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর লালমোহনে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করলেন ৯৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা নবীগঞ্জে কলেজছাত্র নিহতের ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তার ৪৯৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনসার নিয়োগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মতি

লাল পোশাকের স্যারেরা খাবার দিছে, তেরপাল দিছে

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০১:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুন ২০২১
  • ৭৮ সময় দেখুন

ভোলা প্রতিনিধিঃ মেঘনার রাক্ষুসে থাবায় শেষ আশ্রয়স্থল টুকু হারিয়ে বারেক সরদার থাকেন ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের মাঝের চরে আবাসন প্রকল্প-২ গুচ্ছগ্রামে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে তার বর্তমান আশ্রয়স্থল গুচ্ছগ্রামে আঘাত হানে। লন্ডভন্ড করে দেয় গুচ্ছগ্রামের বেশকিছু ঘরবাড়ি।

কারও কোনো সহযোগিতা না পেয়ে সর্বস্ব হারিয়ে মানেবতর জীবন যাপন করছেন ৯৫ বছর বয়সী বারেক সরদার। হঠাৎ একদল লাল পোশাকের তরুণ তার কাছে পৌঁছে দিলেন খাদ্য সহায়তাসহ ত্রাণ সামগ্রী। এতে খুশিতে চোখের পানি চলে আসে তার।

বারেক সরদারের মতো মাঝের চরের দুই শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ভোলা জেলা ইউনিটের সদস্যরা। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী ভোলার সাতটি উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার ৫০০ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার, তারপুলিন ও হাইজিন প্যাকেজ বিতরণ করে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভোলা জেলা ইউনিট।আবেগাপ্লুত বারেক সরদার বলেন, মেঘনায় আর তুফানে আমার ঘরবাড়ি সব কাইরা নিছে। এহন আছিলাম সরকারের দেওয়া ঘরে। হেইডাও ভাইংগা গেছে। চাল দিয়া পানি পরে ঘরে থাহা যায় না। এই লাল পোশাকের স্যারেরা খাবার দিছে, তেরপাল দিছে। এহন আর পানি পরব না। ত্রাণ বিতরণকালে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারি মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সরকারের পাশাপাশি দুর্যোগ নিয়ে কাজ করে থাকে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।

এরই ধারাবাহিকতায় ভোলা জেলার সাতটি উপজেলার ২ হাজার ৫০০ পরিবারের জন্য এই ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে। আমরা ভোলা জেলা ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পর্যবেক্ষণ করে তাদের মাঝে এই ফুড প্যাকেজ পৌঁছে দিচ্ছি। এ সময় ভোলা জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারি মো. আজিজুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেডক্রস রেডক্রিসেন্টের লাইভলিহুড ম্যানেজার অ্যান্ড ক্যাশ ফোকাল মেহেদী হাসান শিশির, ইউনিট লেভেল অফিসার তরিকুল ইসলাম, (এনডিআরটি) সদস্য সোহাগ, এনডিডব্লিউআরটি সদস্য বরকত, ইউনিটের (এনডিআরটি) সদস্য সাদ্দাম হোসেন, এনডিডব্লিউআরটি সদস্য সাহিদ হোসেন দীপু। ভলান্টিয়ারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রহমান মিম, আল-আমীন প্রমুখ।

সাব্বির আলম বাবু/ইবি টাইমস

জনপ্রিয়

জ্বালানির পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

লাল পোশাকের স্যারেরা খাবার দিছে, তেরপাল দিছে

আপডেটের সময় ০১:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুন ২০২১

ভোলা প্রতিনিধিঃ মেঘনার রাক্ষুসে থাবায় শেষ আশ্রয়স্থল টুকু হারিয়ে বারেক সরদার থাকেন ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের মাঝের চরে আবাসন প্রকল্প-২ গুচ্ছগ্রামে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে তার বর্তমান আশ্রয়স্থল গুচ্ছগ্রামে আঘাত হানে। লন্ডভন্ড করে দেয় গুচ্ছগ্রামের বেশকিছু ঘরবাড়ি।

কারও কোনো সহযোগিতা না পেয়ে সর্বস্ব হারিয়ে মানেবতর জীবন যাপন করছেন ৯৫ বছর বয়সী বারেক সরদার। হঠাৎ একদল লাল পোশাকের তরুণ তার কাছে পৌঁছে দিলেন খাদ্য সহায়তাসহ ত্রাণ সামগ্রী। এতে খুশিতে চোখের পানি চলে আসে তার।

বারেক সরদারের মতো মাঝের চরের দুই শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ভোলা জেলা ইউনিটের সদস্যরা। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী ভোলার সাতটি উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার ৫০০ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার, তারপুলিন ও হাইজিন প্যাকেজ বিতরণ করে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ভোলা জেলা ইউনিট।আবেগাপ্লুত বারেক সরদার বলেন, মেঘনায় আর তুফানে আমার ঘরবাড়ি সব কাইরা নিছে। এহন আছিলাম সরকারের দেওয়া ঘরে। হেইডাও ভাইংগা গেছে। চাল দিয়া পানি পরে ঘরে থাহা যায় না। এই লাল পোশাকের স্যারেরা খাবার দিছে, তেরপাল দিছে। এহন আর পানি পরব না। ত্রাণ বিতরণকালে রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারি মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সরকারের পাশাপাশি দুর্যোগ নিয়ে কাজ করে থাকে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।

এরই ধারাবাহিকতায় ভোলা জেলার সাতটি উপজেলার ২ হাজার ৫০০ পরিবারের জন্য এই ত্রাণসামগ্রী পাঠিয়েছে। আমরা ভোলা জেলা ইউনিট ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পর্যবেক্ষণ করে তাদের মাঝে এই ফুড প্যাকেজ পৌঁছে দিচ্ছি। এ সময় ভোলা জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারি মো. আজিজুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেডক্রস রেডক্রিসেন্টের লাইভলিহুড ম্যানেজার অ্যান্ড ক্যাশ ফোকাল মেহেদী হাসান শিশির, ইউনিট লেভেল অফিসার তরিকুল ইসলাম, (এনডিআরটি) সদস্য সোহাগ, এনডিডব্লিউআরটি সদস্য বরকত, ইউনিটের (এনডিআরটি) সদস্য সাদ্দাম হোসেন, এনডিডব্লিউআরটি সদস্য সাহিদ হোসেন দীপু। ভলান্টিয়ারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রহমান মিম, আল-আমীন প্রমুখ।

সাব্বির আলম বাবু/ইবি টাইমস