ভিয়েনা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠি জেলায় করোনা ভাইরাসের পাশাপাশি ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা আশংকাজনকভাবে বাড়ছে

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১২:২৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১
  • ৭৪ সময় দেখুন

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের হার বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি জেলায় ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা আশংকাজনকভাবে বাড়ছে। প্রতিদিন রোগে আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন শতশত রোগী। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন এবং রোগিদের সাথে আসা ভিজিটর, নিকট আত্মিয় স্বজন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে রোগি হয়ে ফিরছেন। হাসপাতালে শিশুসহ সকল বয়সের রোগি আসছে।

হাসপাতালে ডায়রিয়ার রোগীর জন্য বিছানা রয়েছে ১৩টি। বাধ্য হয়ে রোগীরা হাসপাতালের  বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এদিকে জেলার নলছিটি, রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকাল থেকে শতাধিক রোগী ভর্তি হয়েছেন। কঠোর লকডাউনের কারনে যানবাহনের অভাবে গ্রাম থেকে রোগীরা হাসপাতালে আসতে নানা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

চিকিৎসকরা জানান, প্রচন্ড গরমে গত এক সপ্তাহ ধরে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার মানুষ। বর্হিবিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন এক হাজারেরও বেশি রোগী। এদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু ও বয়স্ক।

এদিকে হাসপাতালে পর্যাপ্ত আইভি স্যালাইন ও খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি অন্যন্য ওষুধ রয়েছে । বর্তমানে তরমুজ-বাঙ্গিও অপরিপক্ক আম খেয়ে অসুস্থ হওয়ার সংখ্যাই বেশি। আক্রান্ত রোগীকে বিশুদ্ধ পানি পান ও নিরাপদ খাবার খাওয়ার পাশাপাশি শিশু ও বয়স্কদের নিরাপদে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

হাসপাতালে আগত ডায়রিয়া রোগিদের মধ্যে একটি অংশ করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত থাকতে পারে বলে ধারণা করছে চিকিৎসক। তবে, হাসপাতালে আগত রোগিরা চিকিৎসা সেবা ও ঔষধপত্র পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

বাধন রায় /ইবি টাইমস

Tag :
জনপ্রিয়
Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ঝালকাঠি জেলায় করোনা ভাইরাসের পাশাপাশি ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা আশংকাজনকভাবে বাড়ছে

আপডেটের সময় ১২:২৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের হার বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি জেলায় ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা আশংকাজনকভাবে বাড়ছে। প্রতিদিন রোগে আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন শতশত রোগী। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন এবং রোগিদের সাথে আসা ভিজিটর, নিকট আত্মিয় স্বজন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে রোগি হয়ে ফিরছেন। হাসপাতালে শিশুসহ সকল বয়সের রোগি আসছে।

হাসপাতালে ডায়রিয়ার রোগীর জন্য বিছানা রয়েছে ১৩টি। বাধ্য হয়ে রোগীরা হাসপাতালের  বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এদিকে জেলার নলছিটি, রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকাল থেকে শতাধিক রোগী ভর্তি হয়েছেন। কঠোর লকডাউনের কারনে যানবাহনের অভাবে গ্রাম থেকে রোগীরা হাসপাতালে আসতে নানা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

চিকিৎসকরা জানান, প্রচন্ড গরমে গত এক সপ্তাহ ধরে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার মানুষ। বর্হিবিভাগে চিকিৎসা নিয়েছেন এক হাজারেরও বেশি রোগী। এদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু ও বয়স্ক।

এদিকে হাসপাতালে পর্যাপ্ত আইভি স্যালাইন ও খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি অন্যন্য ওষুধ রয়েছে । বর্তমানে তরমুজ-বাঙ্গিও অপরিপক্ক আম খেয়ে অসুস্থ হওয়ার সংখ্যাই বেশি। আক্রান্ত রোগীকে বিশুদ্ধ পানি পান ও নিরাপদ খাবার খাওয়ার পাশাপাশি শিশু ও বয়স্কদের নিরাপদে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

হাসপাতালে আগত ডায়রিয়া রোগিদের মধ্যে একটি অংশ করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত থাকতে পারে বলে ধারণা করছে চিকিৎসক। তবে, হাসপাতালে আগত রোগিরা চিকিৎসা সেবা ও ঔষধপত্র পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

বাধন রায় /ইবি টাইমস