ভিয়েনা ০২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

ইরানকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে: আমিরাত

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০১:৫১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলার কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরানকে দায়ী করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কীভাবে তেহরানকে হামলা বন্ধ করতে ও হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলতে বাধ্য করবে— সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে দেশটি।

এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। তবে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর প্রমাণিত হয়েছে।

ইরান হামলার কথা জানিয়েছে এবং ইউএইসহ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ বলেছে, তেহরান তাদের লক্ষ্য করে আঘাত হেনেছে।

এই সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা চালায়। এতে তাদের শীর্ষ নেতৃত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সবচেয়ে বেশি হামলার শিকার হয়েছে ইউএই।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে ইউএই জানায়, ‘অঞ্চলে সব ধরণের শত্রুতা তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা এবং হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে পুনরায় চালু করার বিষয়ে ইরানের পূর্ণ প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করতে চুক্তির ধারাগুলো নিয়ে আমরা আরও স্পষ্টতা চাই।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ইরানের হামলার জন্য ‘দৃঢ় অবস্থান’ নেওয়া জরুরি। এর মধ্যে ইরানকে জবাবদিহির আওতায় আনা এবং সব ক্ষয়ক্ষতির জন্য সম্পূর্ণ দায় বহন ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্ত।’

ইরানের হামলায় দীর্ঘদিন তুলনামূলক নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত এই অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়েছে।
এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদের পাশাপাশি বেসামরিক অবকাঠামো, বিমানবন্দর, জ্বালানি স্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, বন্দর, হোটেল ও আবাসিক এলাকা— লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

ইউএই বলেছে, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলোসহ ইরানের ‘সব ধরণের হুমকি’ মোকাবিলা করতে হবে।

একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতার ওপর হুমকি, অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও জলদস্যুতার অবসান ঘটাতে হবে।

এ সব হুমকি’র কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। কয়েক বছর ধরে চলা সম্পর্ক উন্নয়নের প্রক্রিয়াও এতে ব্যহত হয়েছে।

এর ফলে, ইউএই ইরানের বিষয়ে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তারা তেহরান থেকে রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করেছে এবং সেখানকার দূতাবাস বন্ধ করে দিয়েছে।

দুবাই ভিত্তিক বিমান সংস্থাগুলো জানায়, কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া ইরানিদের ইউএইতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ভ্রমণ সংস্থাগুলোও জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানিদের ভিসা আবেদন ব্যাপকভাবে বাতিল হচ্ছে।

দুবাইয়ে একটি হাসপাতাল, কয়েকটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি সেন্টারসহ ইরান-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান-বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

সন্তানকে চিকিৎসার সহযোগিতার জন্য বাবার আকুতি

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ইরানকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে: আমিরাত

আপডেটের সময় ০১:৫১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলার কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরানকে দায়ী করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কীভাবে তেহরানকে হামলা বন্ধ করতে ও হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলতে বাধ্য করবে— সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে দেশটি।

এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। তবে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর প্রমাণিত হয়েছে।

ইরান হামলার কথা জানিয়েছে এবং ইউএইসহ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ বলেছে, তেহরান তাদের লক্ষ্য করে আঘাত হেনেছে।

এই সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা চালায়। এতে তাদের শীর্ষ নেতৃত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সবচেয়ে বেশি হামলার শিকার হয়েছে ইউএই।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে ইউএই জানায়, ‘অঞ্চলে সব ধরণের শত্রুতা তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা এবং হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে পুনরায় চালু করার বিষয়ে ইরানের পূর্ণ প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করতে চুক্তির ধারাগুলো নিয়ে আমরা আরও স্পষ্টতা চাই।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ইরানের হামলার জন্য ‘দৃঢ় অবস্থান’ নেওয়া জরুরি। এর মধ্যে ইরানকে জবাবদিহির আওতায় আনা এবং সব ক্ষয়ক্ষতির জন্য সম্পূর্ণ দায় বহন ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্ত।’

ইরানের হামলায় দীর্ঘদিন তুলনামূলক নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত এই অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়েছে।
এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদের পাশাপাশি বেসামরিক অবকাঠামো, বিমানবন্দর, জ্বালানি স্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, বন্দর, হোটেল ও আবাসিক এলাকা— লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

ইউএই বলেছে, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলোসহ ইরানের ‘সব ধরণের হুমকি’ মোকাবিলা করতে হবে।

একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতার ওপর হুমকি, অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও জলদস্যুতার অবসান ঘটাতে হবে।

এ সব হুমকি’র কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। কয়েক বছর ধরে চলা সম্পর্ক উন্নয়নের প্রক্রিয়াও এতে ব্যহত হয়েছে।

এর ফলে, ইউএই ইরানের বিষয়ে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তারা তেহরান থেকে রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করেছে এবং সেখানকার দূতাবাস বন্ধ করে দিয়েছে।

দুবাই ভিত্তিক বিমান সংস্থাগুলো জানায়, কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া ইরানিদের ইউএইতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ভ্রমণ সংস্থাগুলোও জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানিদের ভিসা আবেদন ব্যাপকভাবে বাতিল হচ্ছে।

দুবাইয়ে একটি হাসপাতাল, কয়েকটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি সেন্টারসহ ইরান-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান-বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা/এসএস