গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যেই এই স্বায়ত্তশাসিত ডেনিশ অঞ্চলে যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সোমবার(১৯ জানুয়ারি) উত্তর আমেরিকার মহাকাশ প্রতিরক্ষা কমান্ড (নোর্যাড) জানিয়েছে, তারা গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে শীঘ্রই যুদ্ধবিমান পাঠাবে।
তুরস্ক ভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আনাদোলু নিউজ এজেন্সি এতথ্য দিয়ে আরো জানিয়েছে, নোর্যাড এই মোতায়েনকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ডেনমার্কের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তারা জানিয়েছে, এই কার্যক্রমটি ডেনমার্কের সাথে সমন্বয় করেই করা হচ্ছে এবং গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
গ্রিনল্যান্ড দখলে অনড় যুক্তরাষ্ট্র, সেনা পাঠাচ্ছে ইইউ উত্তর আমেরিকা রক্ষায় রুটিন মাফিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই বিমানগুলো উত্তর-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের এই যোগাযোগ ও ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কীকরণ কেন্দ্রে অবস্থান করবে যা আগে থুলে এয়ার বেস নামে পরিচিত ছিল।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দীর্ঘ দিন ধরেই গ্রিনল্যান্ডের বিশাল খনিজ সম্পদ এবং সেখানে রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতির কথা বলে অঞ্চলটি কেনার প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড সরকার বারবার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তাদের সার্বভৌমত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
অনেক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক মনে করছেন বর্তমান নোর্যাড চুক্তির আওতায় গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষার পর্যাপ্ত সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্পের এই জমি কেনার জেদ মূলত ভূ-রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের একটি প্রয়াস মাত্র।
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ। এটি উত্তর আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত একটি সুবৃহৎ দ্বীপ যা ডেনমার্কের একটি স্ব-নিয়ন্ত্রিত অংশ হিসেবে স্বীকৃত। দ্বীপটির অধিকাংশই সুমেরীয় বৃত্তের উত্তর অংশে অবস্থিত। এটি পশ্চিম দিকে ডেভিস প্রণালী ও ব্যাফিন উপসাগর দ্বারা প্রাথমিকভাবে কানাডীয় সুমেরীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং পূর্ব দিকে ডেনমার্ক প্রণালী দ্বারা আইসল্যান্ড থেকে পৃথক হয়েছে।
কবির আহমেদ/ইবিটাইমস/এম আর




















