জাহিদ দুলাল, ভোলা দক্ষিণ : নিজের রুমে বসে বৈদ্যুতিক মর্টার ও ফ্যান দিয়ে অটোমেটিক ডাস্টবিন বানানোর চেষ্টা করছিলো নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোস্তাকিম মাহি। তবে অসাবধানতার কারণে বিদ্যুতায়িত হয়ে জীবন গেলো তার।
বাবা-মা বাজার থেকে বাসায় ফিরে দেখেন ছেলে ওয়ালের সাথে পড়ে আছে। পরে তাকে দ্রুত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (১৪ জুন) রাতে ভোলার লালমোহন পৌরশহরের কলেজ গেট এলাকার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি মোস্তফা মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোস্তাকিম মাহি লালমোহন মধ্য বাজারের চালের আড়তদার মো. মনির হোসেনের ছেলে ও মা পশ্চিম বাউরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। মাহি লালমোহন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র।
মাহির খালু মনির হাওলাদার জানান, মাহি পলিটেকনিক্যালে পড়ার কারণে নিজে নিজে শিক্ষামূলক কিছু বানানোর চেষ্টা করতো। তার রুমে বসে সে মর্টার দিয়ে অটোমেটিক ডাস্টবিন বানাতে চেয়েছিলো। এসময় অসাবধানতার কারণে বিদ্যুতায়িত হয়ে ওয়ালে ছিটকে পড়ে। ঘটনার সময় তার বাবা-মা বাজারে ছিল। বাজার থেকে ফিরেই তারা ছেলেকে পড়ে থাকতে দেখে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু তার আগেই মাহির মৃত্যু হয়।
লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তৈয়বুর রহমান জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় জরুরি বিভাগে আনা হয় মাহিকে। ইলেকট্রিক শকে তার মৃত্যু হয়েছে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস
অটোমেটিক ডাস্টবিন বানাতে গিয়ে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু
