ভিয়েনা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বুলগেরিয়ান সীমান্তে তিন মিশরীয় অনিয়মিত অভিবাসী প্রত্যাশী কিশোরের মৃত্যু ইন্দোনেশিয়য় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ জনে দাঁড়িয়েছে ইউক্রেন শান্তি পরিকল্পনার আলোচকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন – ভলোদিমির জেলেনস্কি অস্ট্রিয়ার আগামী বাজেট ঘাটতি পেনশন ব্যবস্থার ওপর প্রভাব পড়তে পারে মাভাবিপ্রবিতে পরিবেশ বিষয়ক ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে : সিইসি টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তিতে খোলা ময়দানে মোনাজাত স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

রোজার উত্তাপ এখনই ভোলার নিত্যপণ্যের বাজারে

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ মার্চ ২০২১
  • ২৩ সময় দেখুন

ভোলা প্রতিনিধি: কয়েকদিন পরই রোজা, শুরু হতে এখনো প্রায় ২০/২৫ বাকি। এখনই রোজার উত্তাপ বাড়তে শুরু করছে ভোলার নিত্যপণ্যের বাজারে । একদিকে করোনায় কর্ম সংকোচন, অন্যদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বেশি। দিন দিন নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধিতে নিম্ম আয়ের সাধারন মানুষ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

কয়েকটি বাজার ঘুরে ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, প্রতিদিনই কিছু না কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন পাইকারী বাজারে প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্যে দাম বাড়াচ্ছে। তাই আমরা বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতিবছরের মতো এবারও সক্রিয় কিছু অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী,রোজা সামনে রেখে তারা এখন থেকেই রমজানে ব্যবহৃত পণ্যের দাম বাড়িয়ে চলেছে। সব মিলিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষ পড়েছে চরম বিপাকে।

বিভিন্ন বাজারে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হয়েছে ৭৫ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয় ৭০ টাকা। আর গত বছর এই সময় বিক্রি হয় ৭৫ টাকা। প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয় ৬০ টাকা, যা দুমাস আগেও ৫৫ টাকায় বিক্রি হয়। গত বছর এই সময় বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা। বর্তমানে প্রতি কেজি মুগডাল বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা, যা দুমাস আগে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়। আর গত বছর এই সময় বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয়েছে ১১০ টাকা। আর গত বছর এ সময়ে বিক্রি হয়েছে ৯৫ টাকা।

এছাড়া হলুদের দামও বেড়েছে। এ ছাড়া গুঁড়া দুধের মধ্যে ফ্রেশ বর্তমানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয়েছে ৫৬০ টাকা। আর গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছে ৫৫০ টাকা। মাসখানেক ধরে ধারাবাহিক ভাবে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্যের দাম। বিশেষ করে রোজায় যে সমস্ত পণ্যের বাড়তি চাহিদা রয়েছে সেসব পণ্যের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে।

এদিকে, প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা বলেন, ‘রমজানের সময় পণ্যের দাম নিয়ে যাতে সাধারন মানুষ সমস্যায় পড়তে না হয়, সেজন্য প্রস্তুতি রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বাজার তদারকি করা হচ্ছে। এবার কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সাব্বির আলম বাবু/ইবি টাইমস

Tag :
জনপ্রিয়

বুলগেরিয়ান সীমান্তে তিন মিশরীয় অনিয়মিত অভিবাসী প্রত্যাশী কিশোরের মৃত্যু

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

রোজার উত্তাপ এখনই ভোলার নিত্যপণ্যের বাজারে

আপডেটের সময় ০৬:০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ মার্চ ২০২১

ভোলা প্রতিনিধি: কয়েকদিন পরই রোজা, শুরু হতে এখনো প্রায় ২০/২৫ বাকি। এখনই রোজার উত্তাপ বাড়তে শুরু করছে ভোলার নিত্যপণ্যের বাজারে । একদিকে করোনায় কর্ম সংকোচন, অন্যদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বেশি। দিন দিন নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধিতে নিম্ম আয়ের সাধারন মানুষ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

কয়েকটি বাজার ঘুরে ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, প্রতিদিনই কিছু না কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন পাইকারী বাজারে প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পণ্যে দাম বাড়াচ্ছে। তাই আমরা বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতিবছরের মতো এবারও সক্রিয় কিছু অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী,রোজা সামনে রেখে তারা এখন থেকেই রমজানে ব্যবহৃত পণ্যের দাম বাড়িয়ে চলেছে। সব মিলিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষ পড়েছে চরম বিপাকে।

বিভিন্ন বাজারে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হয়েছে ৭৫ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয় ৭০ টাকা। আর গত বছর এই সময় বিক্রি হয় ৭৫ টাকা। প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয় ৬০ টাকা, যা দুমাস আগেও ৫৫ টাকায় বিক্রি হয়। গত বছর এই সময় বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকা। বর্তমানে প্রতি কেজি মুগডাল বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা, যা দুমাস আগে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়। আর গত বছর এই সময় বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয়েছে ১১০ টাকা। আর গত বছর এ সময়ে বিক্রি হয়েছে ৯৫ টাকা।

এছাড়া হলুদের দামও বেড়েছে। এ ছাড়া গুঁড়া দুধের মধ্যে ফ্রেশ বর্তমানে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, যা দুমাস আগে বিক্রি হয়েছে ৫৬০ টাকা। আর গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছে ৫৫০ টাকা। মাসখানেক ধরে ধারাবাহিক ভাবে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় এসব পণ্যের দাম। বিশেষ করে রোজায় যে সমস্ত পণ্যের বাড়তি চাহিদা রয়েছে সেসব পণ্যের দাম প্রতিদিনই বাড়ছে।

এদিকে, প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা বলেন, ‘রমজানের সময় পণ্যের দাম নিয়ে যাতে সাধারন মানুষ সমস্যায় পড়তে না হয়, সেজন্য প্রস্তুতি রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বাজার তদারকি করা হচ্ছে। এবার কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

সাব্বির আলম বাবু/ইবি টাইমস