ভিয়েনা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন পুলিশে শৃঙ্খলা ফেরায় সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাগ, পোশাক ও ফুটওয়্যার সামগ্রী বিতরণ করা হবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়াকফ প্রশাসকের সাক্ষাৎ বায়ার্নকে বিদায় করে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে পিএসজি লালমোহনে উপজেলা পর্যায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দেলদুয়ারে ধানক্ষেত থেকে নিখোঁজ নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আসবে বলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর আশাবাদ ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ দেশে এসেছে ১৫ লাখ হাম ও ৯ লাখ ডোজ টিডি টিকা

ভারতে সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য ও উস্কানি বাড়ছে

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:০১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ৬৬ সময় দেখুন

২০২৩ সালের প্রথমার্ধে ভারতে গড়ে প্রতিদিন একাধিক মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্যের ঘটনা ঘটছে এবং নির্বাচন আসন্ন এমন রাজ্যগুলোতে এমন ঘটনা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে

ইবিটাইমস ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ সংস্থা ভয়েস অফ আমেরিকা তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ওয়াশিংটনভিত্তিক হিন্দুত্ব ওয়াচের একটি প্রতিবেদনে এতথ্য উঠে এসেছে।

সংস্থাটি ভারতের সংখ্যালঘুদের সম্প্রদায়ের ওপর হওয়া হামলা পর্যবেক্ষণ করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের প্রথমার্ধে মুসলিমদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তৃতা সমাবেশের ২৫৫টি নথিভুক্ত ঘটনা ঘটেছে। এতে পূর্ববর্তী বছরগুলোর কোনো তুলনামূলক তথ্য ছিল না।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং গুজরাটে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সমাবেশ দেখা গেছে। মহারাষ্ট্রে এ ধরনের ঘটনার পরিমাণ ২৯ শতাংশ। এই ঘটনা গুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দ্বারা শাসিত এলাকায় সংঘটিত হয়েছিল। বিজেপি ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে আবারও ব্যাপকভাবে জয়লাভ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মোদির সরকার সংখ্যালঘু নির্যাতনের উপস্থিতি অস্বীকার করে। মন্তব্যের অনুরোধ করা হলে ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাস সাড়া এ সম্পর্কে কোন সাড়া দেয়নি। অধিকার গোষ্ঠীগুলো মোদির অধীনে মুসলমানদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ করেছে। মোদি ২০১৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।

তারা মুসলিম অভিবাসীদের বাদ দেয়ার জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় দ্বারা “মৌলিকভাবে বৈষম্যমূলক” হিসেবে অভিহিত ২০১৯ সালের নাগরিকত্ব আইনের দিকে ইঙ্গিত করেছে। এটি একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন। আইনটি সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত বিশ্বাসের স্বাধীনতার অধিকার এবং ২০১৯ সালে মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদাকে চ্যালেঞ্জ করে।

কর্ণাটকে যখন বিজেপি ক্ষমতায় ছিল তখন বেআইনি স্থাপনা অপসারণের নামে মুসলিমদের বাড়িঘর ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং সেখানে শ্রেণিকক্ষে হিজাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ভারতে সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্য ও উস্কানি বাড়ছে

আপডেটের সময় ০৬:০১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

২০২৩ সালের প্রথমার্ধে ভারতে গড়ে প্রতিদিন একাধিক মুসলিম বিদ্বেষী বক্তব্যের ঘটনা ঘটছে এবং নির্বাচন আসন্ন এমন রাজ্যগুলোতে এমন ঘটনা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে

ইবিটাইমস ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ সংস্থা ভয়েস অফ আমেরিকা তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ওয়াশিংটনভিত্তিক হিন্দুত্ব ওয়াচের একটি প্রতিবেদনে এতথ্য উঠে এসেছে।

সংস্থাটি ভারতের সংখ্যালঘুদের সম্প্রদায়ের ওপর হওয়া হামলা পর্যবেক্ষণ করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের প্রথমার্ধে মুসলিমদের লক্ষ্য করে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তৃতা সমাবেশের ২৫৫টি নথিভুক্ত ঘটনা ঘটেছে। এতে পূর্ববর্তী বছরগুলোর কোনো তুলনামূলক তথ্য ছিল না।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং গুজরাটে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সমাবেশ দেখা গেছে। মহারাষ্ট্রে এ ধরনের ঘটনার পরিমাণ ২৯ শতাংশ। এই ঘটনা গুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দ্বারা শাসিত এলাকায় সংঘটিত হয়েছিল। বিজেপি ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে আবারও ব্যাপকভাবে জয়লাভ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মোদির সরকার সংখ্যালঘু নির্যাতনের উপস্থিতি অস্বীকার করে। মন্তব্যের অনুরোধ করা হলে ওয়াশিংটনে ভারতীয় দূতাবাস সাড়া এ সম্পর্কে কোন সাড়া দেয়নি। অধিকার গোষ্ঠীগুলো মোদির অধীনে মুসলমানদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ করেছে। মোদি ২০১৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।

তারা মুসলিম অভিবাসীদের বাদ দেয়ার জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় দ্বারা “মৌলিকভাবে বৈষম্যমূলক” হিসেবে অভিহিত ২০১৯ সালের নাগরিকত্ব আইনের দিকে ইঙ্গিত করেছে। এটি একটি ধর্মান্তর বিরোধী আইন। আইনটি সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত বিশ্বাসের স্বাধীনতার অধিকার এবং ২০১৯ সালে মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদাকে চ্যালেঞ্জ করে।

কর্ণাটকে যখন বিজেপি ক্ষমতায় ছিল তখন বেআইনি স্থাপনা অপসারণের নামে মুসলিমদের বাড়িঘর ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং সেখানে শ্রেণিকক্ষে হিজাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস