ভিয়েনা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইউরোপের অন্য কোনও দেশে রাশিয়ার হামলার ইচ্ছা নেই নিশ্চয়তা পুতিনের রোমানিয়া-বুলগেরিয়ার যৌথ অভিযানে ৮ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার মাধবপুরে ইঞ্জিন বিকল, ৩ ঘন্টা পর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় যাত্রা বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময় সেতুসহ পাঁচ দাবিতে শাহবাগে ভোলাবাসীর অবস্থান পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ৭০,৬৬০ প্রবাসীর নিবন্ধন বাউল শিল্পী আবুল সরকারের ফাঁসির দাবিতে লালমোহনে বিক্ষোভ লালমোহনে এসটিএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন অস্ট্রিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে পর্তুগালের অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ জয়লাভ খাল–বিলহীন খিলগাতীতে সাড়ে ৯ কোটি টাকার ব্রিজ নির্মাণ, প্রশ্ন স্থানীয়দের

জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে চায় সৌদি আরব

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:৫০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩
  • ২৪ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরব দিনে ১০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস—দুটোরই দাম হু হু করে লাফিয়ে উঠে। গত রোববার (৪ জুন) ওপেক ও সহযোগী দেশগুলোর বৈঠকে এ ঘোষণা দেয় রিয়াদ।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, সৌদি আরবের এই সিদ্ধান্তে বোঝা যাচ্ছে, অপরিশোধিত তেল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে একধরনের উত্তেজনা আছে। বিশেষ করে যেভাবে তাদের মধ্যে তেল উৎপাদন কোটার জটিল বিন্যাস হলো, তাতে এক কঠিন সমীকরণের আভাস পাওয়া গেল। এ কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম একধরনের ভারসাম্যের মধ্যে আছে।

দেখা যাচ্ছে, সৌদি আরব এককভাবে তেল উৎপাদন হ্রাসের ঘোষণা দিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাত নিজেদের তেল উৎপাদনের কোটা বাড়িয়েছে, সে জন্য তারা অনেক দিন ধরে দেনদরবার করে আসছিল। আবার অন্য দেশগুলোর তেল উৎপাদনের কোটা কমেছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার ওপেক ও সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে যে বৈঠক হলো, তার আগে অনেক আলোচনা হয়েছে। সেই বৈঠককে ওপেকের ইতিহাসের অন্যতম ‘উত্তেজনাপূর্ণ’ বৈঠক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।

রোববার ওপেক ও সহযোগী দেশগুলোর বৈঠকে যে বন্দোবস্ত হলো, তা মূলত সৌদি আরবের নেতৃত্বে হয়েছে। সৌদি যুবরাজ আবদুল আজিজ বিন সালমান যাকে ‘সৌদি ললিপপ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন, যার বদৌলতে তেল ব্যবসায়ীদের মুনাফা বাড়বে। তবে সৌদি আরবের উৎপাদন হ্রাসের ঘোষণা কেবল জুলাই মাসের জন্য, পরে তা বাড়তেও পারে।

মোদ্দাকথা, তেলের দাম বাড়াতে যা দরকার সৌদি আরব তা–ই করবে। আরবিসি গ্লোবাল মার্কেটসের বৈশ্বিক পণ্য কৌশল বিভাগের প্রধান হেলিমা ক্রফট বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে এক নোটে লিখেছেন, সৌদি আরব যে এককভাবে দাম বাড়ানোর দায়িত্ব নিতে চাইছে, তাতে বোঝা যায় যে উৎপাদন হ্রাসের বিষয়টি কতটা বিশ্বাসযোগ্য। বোঝা যাচ্ছে, বাজারে সরবরাহ কমবে।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/এনএল

জনপ্রিয়

ইউরোপের অন্য কোনও দেশে রাশিয়ার হামলার ইচ্ছা নেই নিশ্চয়তা পুতিনের

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে চায় সৌদি আরব

আপডেটের সময় ০৬:৫০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩

ইবিটাইমস ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরব দিনে ১০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস—দুটোরই দাম হু হু করে লাফিয়ে উঠে। গত রোববার (৪ জুন) ওপেক ও সহযোগী দেশগুলোর বৈঠকে এ ঘোষণা দেয় রিয়াদ।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, সৌদি আরবের এই সিদ্ধান্তে বোঝা যাচ্ছে, অপরিশোধিত তেল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে একধরনের উত্তেজনা আছে। বিশেষ করে যেভাবে তাদের মধ্যে তেল উৎপাদন কোটার জটিল বিন্যাস হলো, তাতে এক কঠিন সমীকরণের আভাস পাওয়া গেল। এ কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম একধরনের ভারসাম্যের মধ্যে আছে।

দেখা যাচ্ছে, সৌদি আরব এককভাবে তেল উৎপাদন হ্রাসের ঘোষণা দিল। কিন্তু সংযুক্ত আরব আমিরাত নিজেদের তেল উৎপাদনের কোটা বাড়িয়েছে, সে জন্য তারা অনেক দিন ধরে দেনদরবার করে আসছিল। আবার অন্য দেশগুলোর তেল উৎপাদনের কোটা কমেছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার ওপেক ও সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে যে বৈঠক হলো, তার আগে অনেক আলোচনা হয়েছে। সেই বৈঠককে ওপেকের ইতিহাসের অন্যতম ‘উত্তেজনাপূর্ণ’ বৈঠক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।

রোববার ওপেক ও সহযোগী দেশগুলোর বৈঠকে যে বন্দোবস্ত হলো, তা মূলত সৌদি আরবের নেতৃত্বে হয়েছে। সৌদি যুবরাজ আবদুল আজিজ বিন সালমান যাকে ‘সৌদি ললিপপ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন, যার বদৌলতে তেল ব্যবসায়ীদের মুনাফা বাড়বে। তবে সৌদি আরবের উৎপাদন হ্রাসের ঘোষণা কেবল জুলাই মাসের জন্য, পরে তা বাড়তেও পারে।

মোদ্দাকথা, তেলের দাম বাড়াতে যা দরকার সৌদি আরব তা–ই করবে। আরবিসি গ্লোবাল মার্কেটসের বৈশ্বিক পণ্য কৌশল বিভাগের প্রধান হেলিমা ক্রফট বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে এক নোটে লিখেছেন, সৌদি আরব যে এককভাবে দাম বাড়ানোর দায়িত্ব নিতে চাইছে, তাতে বোঝা যায় যে উৎপাদন হ্রাসের বিষয়টি কতটা বিশ্বাসযোগ্য। বোঝা যাচ্ছে, বাজারে সরবরাহ কমবে।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/এনএল