ভিয়েনা ০২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোলায় উৎসাহ-উদ্দিপনায় ধর্মসভা অনুষ্ঠানে পুণ্যার্থীদের ঢল

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৫:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩
  • ৪৪ সময় দেখুন

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার তজুমদ্দিনে বিশ্ব শান্তির মঙ্গল কামনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ধর্মসভা।

শুক্রবার (৩ মার্চ) সকাল থেকে দিনব্যাপী শ্রী শ্রী অনুকূল ঠাকুরের প্রার্থনা, ধর্মীয় পদাবলী-কীর্তন, মাতৃ সম্মেলন ও আলোকচিত্রী প্রদর্শনীনহ বর্নাঢ্যা  এ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন ভক্ত-পুণ্যার্থীরা।

এ উপলক্ষ্যে গোলকপুর সৎসঙ্গ আশ্রমে  উপমহাদেশের যুগপুরুষোত্তম শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ১৩৫ তম মহা-উৎসব আয়োজন চলছে।
দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পুন্যার্থীরা এ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।

প্রায় ৩০ বছর ধরে চলে আসছে এ উৎসব। এতে খুশি ভক্তরা। এছাড়াও এ উৎসব উপলক্ষ্যে ফ্রি মেডিকেল চিকিৎসার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। সেখানেও ছিল মানুষের ভীড়। ‘শক্তিকে জাগাতে গেলে ভক্তিকে জাগাতে হবে’। নিজে বাঁচতে গেলে ইষ্ট ও পরিবেশকে বাচাঁতে হবে।

উপ মহাদেশের প্রান পুরুষ, ধর্ম সাধক শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের  এ বানী চিরন্তন। তা মেনেই সারাবিশ্বের ১৩০ দেশের প্রায় ১০ কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন  ঠাকুর অনুকুল চন্দ্র। সেই প্রান পুরুষ ধর্মসাধকের ১৩৫ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সারাবিশ্বের সাথে একযোগে ভোলাতেও নানা আয়োজনে  অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২ দিন ব্যাপী ধর্মসভা। শুক্রবার ২য় দিন ছিলো ধর্মসভা, মাতৃ সম্মেলন, কীর্তন, প্রার্থনা, ফ্রি মেডিকেল সহ নানা আয়োজন। এ অনুষ্ঠানে পরিবার ও বিশ্ব শান্তির মঙ্গল কামনায়  পুন্যার্থীরা অংশ নিয়েছেন। পদাবলী কীর্তনে অংশ নিয়েছেন এক ঝাঁক ভারতীয় শিল্পী। এছাড়াও মাতৃ সম্মেলন ও ধর্মসভায় অংশ নিয়েছেন তারা। এ অনুষ্ঠানে  উপস্থিত হতে পেরে খুশি পুণ্যার্থীরা।

বরিশাল থেকে আসা পুন্যার্থী রিনা বিশ্বাস, ঢাকা থেকে আগত প্রকৌশলী অমল চন্দ্র রায় সহ অন্যরা বলেন, ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের আদর্শ উপদ মেতে চলছি, তিনি সব সময় বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল চেয়েছেন।

চরফ্যাশন থেকে আরেক পুন্যার্থী সুশমিতা রায় বলেন, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমরা ভীষনা ভালো লাগছে, এখানে এসে প্রার্থনা করেছি যেম আমাদের সবার মঙ্গল হয়।

দিন ব্যপী এ অনুষ্ঠানের একদিকে চলছে ধর্মসভা অন্যদিকে চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম। সেখানেও দেখা গেছে মানুষের ঢল।

বাংলাদেশ সৎসংঘের সাংগঠনিক  সম্পাদক ও আয়োজক কমিটির কর্মকর্তা  নিখিল মজুমদার  জানিয়েছেন, প্রতি বছরের মত এ বছরও বর্নাঢ্যা আয়োজনে চলছে উৎসবটি। প্রায় ৪ হাজার ভক্ত-পুণ্যার্থীর ঢল নেসেছে অনুষ্ঠানে।

মহা প্রসাদ বিতরণের মধ্যদিয়ে এ অনুষ্ঠান শুক্রবার মধ্য রাতে শেষ হবে এ অনুষ্ঠান।

মনজুর রহমান/ইবিটাইমস/এম আর 

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ভোলায় উৎসাহ-উদ্দিপনায় ধর্মসভা অনুষ্ঠানে পুণ্যার্থীদের ঢল

আপডেটের সময় ০৫:৫৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার তজুমদ্দিনে বিশ্ব শান্তির মঙ্গল কামনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ধর্মসভা।

শুক্রবার (৩ মার্চ) সকাল থেকে দিনব্যাপী শ্রী শ্রী অনুকূল ঠাকুরের প্রার্থনা, ধর্মীয় পদাবলী-কীর্তন, মাতৃ সম্মেলন ও আলোকচিত্রী প্রদর্শনীনহ বর্নাঢ্যা  এ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন ভক্ত-পুণ্যার্থীরা।

এ উপলক্ষ্যে গোলকপুর সৎসঙ্গ আশ্রমে  উপমহাদেশের যুগপুরুষোত্তম শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ১৩৫ তম মহা-উৎসব আয়োজন চলছে।
দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পুন্যার্থীরা এ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।

প্রায় ৩০ বছর ধরে চলে আসছে এ উৎসব। এতে খুশি ভক্তরা। এছাড়াও এ উৎসব উপলক্ষ্যে ফ্রি মেডিকেল চিকিৎসার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। সেখানেও ছিল মানুষের ভীড়। ‘শক্তিকে জাগাতে গেলে ভক্তিকে জাগাতে হবে’। নিজে বাঁচতে গেলে ইষ্ট ও পরিবেশকে বাচাঁতে হবে।

উপ মহাদেশের প্রান পুরুষ, ধর্ম সাধক শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের  এ বানী চিরন্তন। তা মেনেই সারাবিশ্বের ১৩০ দেশের প্রায় ১০ কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন  ঠাকুর অনুকুল চন্দ্র। সেই প্রান পুরুষ ধর্মসাধকের ১৩৫ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সারাবিশ্বের সাথে একযোগে ভোলাতেও নানা আয়োজনে  অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২ দিন ব্যাপী ধর্মসভা। শুক্রবার ২য় দিন ছিলো ধর্মসভা, মাতৃ সম্মেলন, কীর্তন, প্রার্থনা, ফ্রি মেডিকেল সহ নানা আয়োজন। এ অনুষ্ঠানে পরিবার ও বিশ্ব শান্তির মঙ্গল কামনায়  পুন্যার্থীরা অংশ নিয়েছেন। পদাবলী কীর্তনে অংশ নিয়েছেন এক ঝাঁক ভারতীয় শিল্পী। এছাড়াও মাতৃ সম্মেলন ও ধর্মসভায় অংশ নিয়েছেন তারা। এ অনুষ্ঠানে  উপস্থিত হতে পেরে খুশি পুণ্যার্থীরা।

বরিশাল থেকে আসা পুন্যার্থী রিনা বিশ্বাস, ঢাকা থেকে আগত প্রকৌশলী অমল চন্দ্র রায় সহ অন্যরা বলেন, ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের আদর্শ উপদ মেতে চলছি, তিনি সব সময় বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল চেয়েছেন।

চরফ্যাশন থেকে আরেক পুন্যার্থী সুশমিতা রায় বলেন, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আসতে পেরে আমরা ভীষনা ভালো লাগছে, এখানে এসে প্রার্থনা করেছি যেম আমাদের সবার মঙ্গল হয়।

দিন ব্যপী এ অনুষ্ঠানের একদিকে চলছে ধর্মসভা অন্যদিকে চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম। সেখানেও দেখা গেছে মানুষের ঢল।

বাংলাদেশ সৎসংঘের সাংগঠনিক  সম্পাদক ও আয়োজক কমিটির কর্মকর্তা  নিখিল মজুমদার  জানিয়েছেন, প্রতি বছরের মত এ বছরও বর্নাঢ্যা আয়োজনে চলছে উৎসবটি। প্রায় ৪ হাজার ভক্ত-পুণ্যার্থীর ঢল নেসেছে অনুষ্ঠানে।

মহা প্রসাদ বিতরণের মধ্যদিয়ে এ অনুষ্ঠান শুক্রবার মধ্য রাতে শেষ হবে এ অনুষ্ঠান।

মনজুর রহমান/ইবিটাইমস/এম আর