পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের নাজিরপুরে তথ্য প্রযুক্তি মামলায় উপজেলা বিএনপির আহŸায়ক কমিটির সদস্য সচীব মো. আবু হাসান খান সহ ৫ নেতাকে করাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (০৯ফেব্রুয়ারি) তারা আদালতে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো অন্য নেতারা হলেন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা শফিকুর রহমান, উপজেলার শ্রীরামকাঠী ইউনয়িনের ডুমুরিয়া গ্রামের মৃত আছমত আলীর ছেলে বিএনপি নেতা মো. মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, উপজেলার মালিখালী ইউনিয়নের যুগিয়া গ্রামের পল্লী চিকিৎসক ও বিএনপি নেতা মোস্তফা কামাল মোস্তাফিজ এবং জেলার সদর সদর উপজেলার কলাখালীর বিএনপি নেতা খান মিলন।
জেলা বিএনপির আহŸায়ক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন ওই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গত ২৫ সেপ্টেম্বর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচীব আবু হাসান খানকে প্রধান করে ৯ জনকে নামীয় এবং আরো অসংখ্যদের অজ্ঞাত করে ওই মামলাটি দায়ের করা হয়। ওই নেতাদের কারাগাওে পাঠানো ও তাদের নামের মামলা দায়েরের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, শাসক দল তাদের বিরোধী মতাদর্শের লোকদের কন্ঠ রোধ করতে এমন আইন করা হয়েছে।
নাজিরপুর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির জানান, স্থানীয় মো. আল আমীন খান নামের এক শাসক দলের নেতা ওই মামলাটি দায়ের করেছিলেন।
জানা গেছে, জেলার নাজিরপুর উপজেলা বিএনপির কমিটির আহ্বায়ক সদস্য সচীব ও সাবেক সাদারন সম্পাদক মো. আবু হাসান খান স্থানীয় এমপ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ.ম রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দেন। ওই ষ্ট্যাটাসে বিভিন্ন লোক কমেন্ট করেন। এ ঘটনায় ৯ জনকে নামীয় ও অসংখ্যদের অজ্ঞাত করে তথ্য প্রযুক্তি আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় জেলার কাউখালী উপজেলা বিএনপির কমিটির আহ্বায়ক সদস্য সচীব এইচ এম দ্বীন মোহাম্মাদ কারাভোগ করেন।
এইচ এম লাহেল মাহমুদ/ইবিটাইমস