ভিয়েনা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালি সুরক্ষায় সামরিক শক্তি প্রয়োগের প্রস্তাবে আজ নিরাপত্তা পরিষদে ভোট ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত সৈন্যদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আয়োজন করবে উত্তর কোরিয়া মার্কিন চাপের মুখে ২ হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমার ঘোষণা কিউবার সরকারি ব্যয় সংকোচন, অফিস সময় কমানো ও সন্ধ্যা ৬টার পর মার্কেট বন্ধের সিদ্ধান্ত টানা প্রায় ১৬ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী খুলনায় চালু হচ্ছে ই-হেলথ কার্ড তেলের আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে : মীর শাহে আলম ১৮ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক টাঙ্গাইলে হামে আক্রান্ত ৮ মাসের শিশুর মৃত্যু টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গ্রীষ্মকালীন কৃষি প্রণোদনা বিতরণ

মিন্নির জামিনের আবেদন শুনতে চাচ্ছে না সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৩:১৯:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৩
  • ৪১ সময় দেখুন

বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন আবেদন শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ

বাংলাদেশ ডেস্কঃ বুধবার (১১ জানুয়ারি) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন আবেদনটি শুনতে অপারগতা জানান। আদালতে মিন্নির পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দা নাসরিন ও অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল।

পরে জামিউল আহসান ফয়সাল সাংবাদিকদের জানান, ‘আদালত মিন্নির জামিন আবেদন শুনতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন। আমরা এখন হাইকোর্টের অন্য কোনো বেঞ্চে জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য উত্থাপন করব’।

এর আগে ২০২২ সালের ১৬ অক্টোবর হত্যা মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন মিন্নি। ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর মিন্নি নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান। ২০১৯ সালে প্রকাশ্য দিবালোকে বরগুনায় রিফাত হত্যার ঘটনায় ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামান মিন্নি ও অন্য পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় ২০২০ সালের ৩ অক্টোবর প্রকাশিত হয় এবং পরের দিন ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্ট বিভাগে পৌঁছায়।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা শহরে রিফাত শরীফকে (২২) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। বরগুনা সরকারি কলেজের প্রধান ফটকের কাছে তাঁর ওপর হামলা হয়। নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, তাঁর স্ত্রী মিন্নি তাঁকে আক্রমণকারীদের হাত থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন।

এই ঘটনার পর রিফাতের বাবা বাদী হয়ে ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রথমে মিন্নিকে একজন সাক্ষী হিসেবে রাখা হলেও ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই তাকে অভিযুক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই বছরের ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির আহমেদ ওরফে নয়ন বন্ড। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যার দায়ে মিন্নিসহ আরও নয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

এদিকে হত্যার অভিযোগে কিশোর আদালতে অন্য ১৪ অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তকে আলাদাভাবে বিচার করা হচ্ছে।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস 

জনপ্রিয়

হরমুজ প্রণালি সুরক্ষায় সামরিক শক্তি প্রয়োগের প্রস্তাবে আজ নিরাপত্তা পরিষদে ভোট

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

মিন্নির জামিনের আবেদন শুনতে চাচ্ছে না সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ

আপডেটের সময় ০৩:১৯:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৩

বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন আবেদন শুনতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ

বাংলাদেশ ডেস্কঃ বুধবার (১১ জানুয়ারি) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন আবেদনটি শুনতে অপারগতা জানান। আদালতে মিন্নির পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দা নাসরিন ও অ্যাডভোকেট জামিউল হক ফয়সাল।

পরে জামিউল আহসান ফয়সাল সাংবাদিকদের জানান, ‘আদালত মিন্নির জামিন আবেদন শুনতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন। আমরা এখন হাইকোর্টের অন্য কোনো বেঞ্চে জামিন আবেদনটি শুনানির জন্য উত্থাপন করব’।

এর আগে ২০২২ সালের ১৬ অক্টোবর হত্যা মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন মিন্নি। ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর মিন্নি নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান। ২০১৯ সালে প্রকাশ্য দিবালোকে বরগুনায় রিফাত হত্যার ঘটনায় ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামান মিন্নি ও অন্য পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় ২০২০ সালের ৩ অক্টোবর প্রকাশিত হয় এবং পরের দিন ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্ট বিভাগে পৌঁছায়।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা শহরে রিফাত শরীফকে (২২) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। বরগুনা সরকারি কলেজের প্রধান ফটকের কাছে তাঁর ওপর হামলা হয়। নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, তাঁর স্ত্রী মিন্নি তাঁকে আক্রমণকারীদের হাত থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন।

এই ঘটনার পর রিফাতের বাবা বাদী হয়ে ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রথমে মিন্নিকে একজন সাক্ষী হিসেবে রাখা হলেও ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই তাকে অভিযুক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই বছরের ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন প্রধান অভিযুক্ত সাব্বির আহমেদ ওরফে নয়ন বন্ড। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যার দায়ে মিন্নিসহ আরও নয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

এদিকে হত্যার অভিযোগে কিশোর আদালতে অন্য ১৪ অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তকে আলাদাভাবে বিচার করা হচ্ছে।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস