ভোলা প্রতিনিধিঃ ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে পর্যাপ্ত ইলিশ। টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর প্রথম দিনে ইলিশ পাওয়ায় হাসি ফুটেছে জেলেদের মুখে।এ ইলিশ মাছ বিক্রির টাকায় বিগত দিনের ক্ষতি পুশিয়ে ঘুরে দাড়াতে পারবেন বলে আশাবাদি জেলেরা।
শনিবার( ২৯অক্টোবর)বিকালে উপজেলার বাত্তিরখাল মৎস্য ঘাট ঘুরে দেখা গিয়েছে,ব্যস্ত সময় পার করেছেন জেলে পাড়ার জেলেরা। সরগরম হয়ে উঠেছে মাছের আড়ৎ ও বরফ মিলে গুলো। ইলিশ ধরার উৎসবে মেতে উঠেছেন জেলেরা। নিশেধাজ্ঞা কাটিয়ে নদীতে নেমেই দেখা মিলেছে ইলিশের। নদীতে শত শত নৌকা ট্রলার নিয়ে জেলেরা নেমে পড়েছে ইলিশ শিকারে।
প্রথম দিনেই ভালো পরিমানে মাছ পাওয়ায় খুশি তারা। পর্যাপ্ত ইলিশ ধরা পড়ায় ঘুরে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন জেলেরা। আড়ৎগুলোতে লাখ লাখ টাকার মাছ বিক্রি হচ্ছে। সেই মাছ চলে যাচ্ছে ভোলা জেলার বাইরের জেলা গুলোতে।
বাত্তিরখাল মৎস্য ঘাটের জেলে মোঃ মনির মাঝি,তোফাজ্জল মাঝি বলেন,আমরা রাতেই নদীতে গিয়েছি, যে পরিমান মাছ পেয়েছি তাতে ঘুরে দাড়াতে পারবো ।এ ভাবে মাছ পাইলে বিগত দিনে যে পরিমান ধার- দেনা করেছি, পরিশোধ করতে পারবে বলে আশা রাখছি।
সদর উপজেলার তুলাতলী মৎস্য ঘাটের আড়ৎদার ইসমাইল হোসেন বলেন,মেঘনা নদীতে পর্যাপ্ত ইলিশ পাওয়ায় যাচ্ছে,মাছের আড়ৎদ গুলো সরগরম হয়ে উঠেছে। এত জেলেরাও খুশি, আমরা আড়ৎদাররাও খুশি। প্রথম দিন এ ঘাটে ৬০ লাখ টাকার মাছের কেনা-বেচা হয়েছে।
তেতুলিয়া নদীর পাড়ে গজারিয়া খালগড়া মৎস্য ঘাটের জেলে সিরাজ মাঝি,সুমন,পারভেজ বলেন,আমরা প্রথম দিনে নদীতে গিয়ে ২৫ হাজার টাকা ইলিশ মাছ পেয়েছি। আমাদের খরচ গিয়ে ১৫ হাজার টাকা লাভ হয়েছে।এই ভাবে মাছ পাইলে বিগত দিনের ধার-দেনা শোধ করতে পারবো।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্লাহ বলেন, এ বছর ইলিশের লমাত্রা অর্জিত হবে বলে মনে করছেন। ইলিশের অভিযান সফল হওয়ায় নদীতে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে।দ্বীপজেলা ভোলায় ইলিশ ধরার উপর জীবিকা চলে এমন জেলের সংখ্যা ৩ লাখের অধিক।
মনজুর রহমান/ইবিটাইমস