মোতাব্বির হোসেন কাজল, হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার একটি এনজিও অফিসে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় আরও চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। রোববার (১৯ জুলাই) ভোরে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি টোলপ্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের বাহুবল মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মে বাহুবল উপজেলার ইজ্জতনগর এলাকায় অবস্থিত আশা এনজিওর মিরপুর শাখা অফিসে ৫-৬ জন মুখোশধারী ডাকাত আবাসিক কক্ষের তালা ভেঙে প্রবেশ করে। তারা অফিসের কর্মচারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্টিলের সিন্দুকে থাকা ৪১ হাজার ৫৬৭ টাকা এবং কর্মচারীদের কাছে থাকা আরও ৭ হাজার ৯৮০ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। মোট ৪৯ হাজার ৫৪৭ টাকা লুটের পর ডাকাতরা হত্যার ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ ঘটনায় আশা এনজিওর সিনিয়র ব্রাঞ্চ ম্যানেজার শেখ আহম্মদ আলী বাদী হয়ে বাহুবল মডেল থানায় দণ্ডবিধির ৩৯৫/৩৯৭ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯-এর সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল ভোর ৫টা ১০ মিনিটে আউশকান্দি টোলপ্লাজার সামনে অভিযান চালিয়ে মামলার চার পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার পাচাউল খিলগাঁও গ্রামের জুয়েল মিয়া (২৫), নবীগঞ্জ উপজেলার মিয়াজপুর গ্রামের শিলন মিয়া (৩০), একই উপজেলার কুর্শি গ্রামের মোক্তার (৩৫) এবং বাহুবল উপজেলার তামাতাশি গ্রামের ইশতিয়াক আহমেদ তারেক (২২)।
র্যাব জানায়, এর আগে গত ২২ মে একই মামলার আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সর্বশেষ গ্রেপ্তার চার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাহুবল মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস



















