ভিয়েনা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমোহনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা প্রেমের বিয়ের তিন মাস পর নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে স্বৈরাচারের দোসররা: প্রতিমন্ত্রী টুকু ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলে সমাবেশ ও গণ মিছিল বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের আয়োজনে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন রাতের আঁধারে অসুস্থ স্বামীকে রাস্তায় ফেলে গেল স্ত্রী সরকার মানবপাচার রোধে সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন করছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, উত্তপ্ত ক্যাম্পাস

চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবিতে টাঙ্গাইলে মউশিক শিক্ষকদের স্মারকলিপি প্রদান

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:০৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • ৯৯ সময় দেখুন

টাঙ্গাইল  প্রতিনিধিঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অধীনে পরিচালিত ‘মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’-এর শিক্ষক, শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও কর্মচারীদের চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবিতে টাঙ্গাইলে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে) মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ বাংলাদেশ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রেস ক্লাবের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে প্রেরণ করা হয়।

স্মারকলিপিতে প্রকল্পের সকল জনবলকে অবিলম্বে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করে সরকারি গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদানের জোর দাবি জানানো হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নের লক্ষ্যে এই প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে প্রকল্পটি ৭ম পর্যায় সফলভাবে শেষ করে ৮ম পর্যায়ে পদার্পণ করেছে। পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলা হয়, ১ম থেকে ৬ষ্ঠ পর্যায় পর্যন্ত ২ কোটি ১৫ লাখ ৯ হাজার ৯৫০ জন এবং শুধুমাত্র ৭ম পর্যায়ে ১ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার শিক্ষার্থীকে এই প্রকল্পের অধীনে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে, যা দেশের নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও প্রাথমিক শিক্ষায় এক বিরাট সাফল্য।

বর্তমানে সারা দেশে এই প্রকল্পে প্রায় ৭১ হাজার ৯৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, এই শিক্ষকরা শুধু পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নেই; তারা সরকারি তহবিলে জাকাত প্রদানে মুসল্লিদের উৎসাহিত করা এবং নিজ উদ্যোগে জাকাত সংগ্রহের কাজ করে থাকেন। পাশাপাশি মাদক, বাল্যবিবাহ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এছাড়া টিকাদান কর্মসূচি ও সরকারের বিভিন্ন জরুরি বার্তা বিনা পারিশ্রমিকে দ্রুততম সময়ে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিলেও এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের জীবন আজ চরম নিরাপত্তাহীন ও অবমূল্যায়িত।

স্মারকলিপি প্রদানকালে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন— জেলা সভাপতি মাওলানা ফজলুল হক, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মশিউর রহমান, সহ-সভাপতি মাওলানা ইব্রাহীম জিহাদী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আমানুল্লাহ।

এছাড়াও মাওলানা জাহিদুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুস সামাদ, মাওলানা হাসান, মাওলানা হারুন, মাওলানা মতিয়ার, মাওলানা সাইদুর ইসলামসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ শিক্ষক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা/ইবিটাইমস 

লালমোহনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবিতে টাঙ্গাইলে মউশিক শিক্ষকদের স্মারকলিপি প্রদান

আপডেটের সময় ০৯:০৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

টাঙ্গাইল  প্রতিনিধিঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অধীনে পরিচালিত ‘মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’-এর শিক্ষক, শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও কর্মচারীদের চাকরি রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবিতে টাঙ্গাইলে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে) মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ বাংলাদেশ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং প্রেস ক্লাবের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে প্রেরণ করা হয়।

স্মারকলিপিতে প্রকল্পের সকল জনবলকে অবিলম্বে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করে সরকারি গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদানের জোর দাবি জানানো হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নের লক্ষ্যে এই প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে প্রকল্পটি ৭ম পর্যায় সফলভাবে শেষ করে ৮ম পর্যায়ে পদার্পণ করেছে। পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলা হয়, ১ম থেকে ৬ষ্ঠ পর্যায় পর্যন্ত ২ কোটি ১৫ লাখ ৯ হাজার ৯৫০ জন এবং শুধুমাত্র ৭ম পর্যায়ে ১ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার শিক্ষার্থীকে এই প্রকল্পের অধীনে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে, যা দেশের নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও প্রাথমিক শিক্ষায় এক বিরাট সাফল্য।

বর্তমানে সারা দেশে এই প্রকল্পে প্রায় ৭১ হাজার ৯৪৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, এই শিক্ষকরা শুধু পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নেই; তারা সরকারি তহবিলে জাকাত প্রদানে মুসল্লিদের উৎসাহিত করা এবং নিজ উদ্যোগে জাকাত সংগ্রহের কাজ করে থাকেন। পাশাপাশি মাদক, বাল্যবিবাহ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। এছাড়া টিকাদান কর্মসূচি ও সরকারের বিভিন্ন জরুরি বার্তা বিনা পারিশ্রমিকে দ্রুততম সময়ে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিলেও এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের জীবন আজ চরম নিরাপত্তাহীন ও অবমূল্যায়িত।

স্মারকলিপি প্রদানকালে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন— জেলা সভাপতি মাওলানা ফজলুল হক, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মশিউর রহমান, সহ-সভাপতি মাওলানা ইব্রাহীম জিহাদী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আমানুল্লাহ।

এছাড়াও মাওলানা জাহিদুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুস সামাদ, মাওলানা হাসান, মাওলানা হারুন, মাওলানা মতিয়ার, মাওলানা সাইদুর ইসলামসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ শিক্ষক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা/ইবিটাইমস