ভিয়েনা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই: র‌্যাব মহাপরিচালক সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হবিগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই বন্ধু নিহত হবিগঞ্জে RAB এর অভিযানে ৬০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বিচারকরা সম্পূর্ণ স্বাধীন, যে কারণে তারা গ্রেফতারের পরদিনই জামিন পেয়েছেন: আইনমন্ত্রী ঢাকা- টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার ধীরগতি আওয়ামী লীগের মতো বিএনপি সরকার পুলিশকে লাঠিয়াল বাহিনীর মতো ব্যবহার করতে চাইছে: ঝিনাইদহে হাসনাত আবদুল্লাহ ভিয়েনায় বাংলাদেশী মসজিদ সমূহে পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজের সময়সূচী রামিসাসহ সকল ধর্ষণ-খুন ও হামের টিকা সংকটে মৃত্যুর বিচারের দাবিতে কাফন মিছিল ও সমাবেশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাঙ্গামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১০:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • ৭৯ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : রাঙ্গামাটি জেলায় আজ যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা।

শুক্রবার সকাল থেকেই জেলা শহরের বিভিন্ন বিহারে ধর্মীয় শোভাযাত্রা, ধর্মসভাসহ নানা দান কার্যের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাজার হাজার পুণ্যার্থীর ঢল নামে এবং বিশ্বের সকল প্রাণীর সুখ-শান্তি ও মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

সকাল ৮টায় শহরের বনরূপা কাঁঠালতলি মৈত্রী বিহার থেকে একটি বিশাল ধর্মীয় শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তবলছড়ি আনন্দ বিহারে গিয়ে শেষ হয়। মিলিত হয় ধর্ম সভায়। সম্পাদন করা হয় সংঘদানসহ নানান দান কার্য। পুণ্যার্থীরা পঞ্চশীল গ্রহণ করেন।

এ সময় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারসহ বিভিন্ন বিহারের বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরুসহ বিহারের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

একই সময়ে শহরের রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে রাজবন বিহার পর্যন্ত আরও একটি বর্ণাঢ্য ধর্মীয় শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ ও দায়ক-দায়িকারা অংশ নেন।

দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল বুদ্ধ পূজা, পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ, বুদ্ধ মূর্তিসহ সংঘদান এবং ভিক্ষু সংঘের ধর্মদেশনা। পুণ্যার্থীরা বুদ্ধের অহিংসা ও সাম্যের বাণী অনুসরণের শপথ নেন এবং বিহারগুলোতে অন্নদানসহ বিবিধ পুণ্যকর্মে লিপ্ত হন।

বৌদ্ধ ধর্মমতে, এই বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে এই পবিত্র তিথিতেই লুম্বিনী কাননে রাজকুমার সিদ্ধার্থ গৌতমের জন্ম হয়েছিল। দীর্ঘ সাধনার পর এই একই দিনে তিনি ভারতের বুদ্ধগয়ায় ‘বুদ্ধত্ব’ বা পরম জ্ঞান অর্জন করেন। আবার এই একই তিথিতেই তিনি কুশীনগরে মহাপরিনির্বাণ লাভ করেছিলেন। বুদ্ধের এই জন্ম বোধিলাভ এবং মহাপরিনির্বাণ-এই তিন মহাঘটনা এই দিনেই ঘটেছিল বলেই একে ‘ত্রি-স্মৃতি বিজড়িত বুদ্ধ পূর্ণিমা’ বলা হয়।

বুদ্ধের অর্জিত সেই পরম জ্ঞান এবং অহিংসার পথ অনুসরণ করেই আজকের এই দিনটি পার্বত্য জনপদ উৎসবে পরিণত হয়।

জেলা শহর ছাড়া বিভিন্ন উপজেলায় নানা ধর্মীয় আয়োজনে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত হচ্ছে।
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই: র‌্যাব মহাপরিচালক

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

রাঙ্গামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত

আপডেটের সময় ১০:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

ইবিটাইমস ডেস্ক : রাঙ্গামাটি জেলায় আজ যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হয়েছে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা।

শুক্রবার সকাল থেকেই জেলা শহরের বিভিন্ন বিহারে ধর্মীয় শোভাযাত্রা, ধর্মসভাসহ নানা দান কার্যের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হাজার হাজার পুণ্যার্থীর ঢল নামে এবং বিশ্বের সকল প্রাণীর সুখ-শান্তি ও মঙ্গল কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

সকাল ৮টায় শহরের বনরূপা কাঁঠালতলি মৈত্রী বিহার থেকে একটি বিশাল ধর্মীয় শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তবলছড়ি আনন্দ বিহারে গিয়ে শেষ হয়। মিলিত হয় ধর্ম সভায়। সম্পাদন করা হয় সংঘদানসহ নানান দান কার্য। পুণ্যার্থীরা পঞ্চশীল গ্রহণ করেন।

এ সময় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারসহ বিভিন্ন বিহারের বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরুসহ বিহারের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

একই সময়ে শহরের রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে রাজবন বিহার পর্যন্ত আরও একটি বর্ণাঢ্য ধর্মীয় শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ ও দায়ক-দায়িকারা অংশ নেন।

দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল বুদ্ধ পূজা, পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণ, বুদ্ধ মূর্তিসহ সংঘদান এবং ভিক্ষু সংঘের ধর্মদেশনা। পুণ্যার্থীরা বুদ্ধের অহিংসা ও সাম্যের বাণী অনুসরণের শপথ নেন এবং বিহারগুলোতে অন্নদানসহ বিবিধ পুণ্যকর্মে লিপ্ত হন।

বৌদ্ধ ধর্মমতে, এই বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে এই পবিত্র তিথিতেই লুম্বিনী কাননে রাজকুমার সিদ্ধার্থ গৌতমের জন্ম হয়েছিল। দীর্ঘ সাধনার পর এই একই দিনে তিনি ভারতের বুদ্ধগয়ায় ‘বুদ্ধত্ব’ বা পরম জ্ঞান অর্জন করেন। আবার এই একই তিথিতেই তিনি কুশীনগরে মহাপরিনির্বাণ লাভ করেছিলেন। বুদ্ধের এই জন্ম বোধিলাভ এবং মহাপরিনির্বাণ-এই তিন মহাঘটনা এই দিনেই ঘটেছিল বলেই একে ‘ত্রি-স্মৃতি বিজড়িত বুদ্ধ পূর্ণিমা’ বলা হয়।

বুদ্ধের অর্জিত সেই পরম জ্ঞান এবং অহিংসার পথ অনুসরণ করেই আজকের এই দিনটি পার্বত্য জনপদ উৎসবে পরিণত হয়।

জেলা শহর ছাড়া বিভিন্ন উপজেলায় নানা ধর্মীয় আয়োজনে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত হচ্ছে।
ঢাকা/এসএস