ভিয়েনা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :

হাঙ্গেরির সংসদ নির্বাচনে ভিক্টর অরবান সরকারের শোচনীয় পরাজয়

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭২ সময় দেখুন

হাঙ্গেরির প্রবীণ জাতীয়তাবাদী নেতা ভিক্টর অরবান জাতীয় নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ক্ষমতা হারিয়েছেন

ইউরোোপঃ রবিবার (১২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত দেশের সাধারণ নির্বাচনে ভিক্টর অরবান একটানা ১৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার পর তিনি হেরে যান তুলনামূলক নবীন মধ্য-ডানপন্থী টিসা পার্টির কাছে। এই ফলাফল রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্রদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ৬২ বছর বয়সী অরবান ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীলদের কাছে ‘ই-লিবারেল’ বা অনুদার গণতন্ত্রের মডেলের রূপকার হিসেবে প্রশংসিত ছিলেন। ভোটাররা দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক স্থবিরতা, আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা এবং ধনকুবেরদের সম্পদ সঞ্চয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন—এ কারণেই অরবানের এই বিশাল হার।

অরবানের এই ভরাডুবির ফলে টিসা পার্টির নেতা পিটার ম্যাগিয়ার হাঙ্গেরির ১৯৯ আসনের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন। এর ফলে, হাঙ্গেরির তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সংস্কারের পথ খুলে গেল। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমালোচকেরা অরবানের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক নিয়মকে দুর্বল করার অভিযোগ করেছিলেন।

প্রায় সব ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, টিসা পার্টি ১৩৮টি আসন পেতে যাচ্ছে, যা ম্যাগিয়ারের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করে। রোববারের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটার অংশগ্রহণ করেন, যা প্রমাণ করে যে বহু হাঙ্গেরিয়ান এই নির্বাচনকে দেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখেছেন।

নির্বাচনটিকে ম্যাগিয়ার ‘পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সেরা পছন্দ’ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। তিনি সতর্ক করেছিলেন, ব্রাসেলসের সঙ্গে অরবানের সংঘাতপূর্ণ অবস্থান দেশটিকে ইউরোপীয় মূলধারা থেকে আরও দূরে ঠেলে দেবে। অন্যদিকে অরবান দাবি করেন, টিসা পার্টি হাঙ্গেরিকে রাশিয়ার সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলবে। তবে ম্যাগিয়ার এই দাবি অস্বীকার করেন।

নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণার পর নিজ দল ফিদেজ পার্টির কার্যালয়ে অরবান বলেন, ‘এই নির্বাচনের ফলাফল আমাদের জন্য কষ্টদায়ক, কিন্তু স্পষ্ট।’ তাঁর সমর্থকদের কেউ কেউ টিভির পর্দায় তার ভাষণ দেখে কেঁদে ফেলেন।

অরবানের ১৬ বছরের শাসনের অবসান শুধু হাঙ্গেরি নয়, বরং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউক্রেনসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। অনেক ইউরোপীয় নেতা আশা করছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে হাঙ্গেরির বিরোধিতামূলক ভূমিকার অবসান ঘটবে। এতে করে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের জন্য ৯০ বিলিয়ন ইউরো (১০৫ বিলিয়ন ডলার) ঋণ অনুমোদনের পথ খুলতে পারে, যা এত দিন অরবান আটকে রেখেছিলেন।

ইউরেশিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজতবা রহমান বলেন, ম্যাগিয়ার দুর্নীতি দূর করা এবং গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে ফিদেজ-ঘনিষ্ঠদের সরানোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন প্রসঙ্গে ম্যাগিয়ার ৯০ বিলিয়ন ইউরো সহায়তা প্রবাহের পথ খুলে দিতে সম্মত হবেন। নির্বাচনের আগে তিনি খুব সতর্ক ছিলেন। কিন্তু এখন ফিদেজ ভোটারদের সন্তুষ্ট করার প্রয়োজন নেই। তাই আমরা মনে করি, হাঙ্গেরি ধীরে ধীরে ইউরোপীয় মূলধারায় ফিরে আসবে।’

তবে ব্রাসেলসের কিছু কূটনীতিক সতর্ক করে বলেছেন, অভিবাসনসহ কিছু বিষয় জটিলই থেকে যেতে পারে। একজন কূটনীতিক বলেন, ‘হাঙ্গেরি চ্যালেঞ্জিং অংশীদার হিসেবেই থাকবে, তবে এমন এক অংশীদার যার সঙ্গে অন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলো কাজ করতে পারবে।’

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ম্যাগিয়ারকে অভিনন্দন জানান এবং ইউরোপের শক্তি বৃদ্ধি ও শান্তি-নিরাপত্তা বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি টেলিগ্রামে লেখেন, ‘গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গির বিজয় গুরুত্বপূর্ণ।’ ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়ন বলেন, ‘হাঙ্গেরি ইউরোপকে বেছে নিয়েছে। ইউরোপ সব সময়ই হাঙ্গেরিকে বেছে নিয়েছে।’

অরবানের বিদায় ইউরোপীয় ইউনিয়নে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রধান মিত্রকে হারানোর সমান। একই সঙ্গে পশ্চিমা ডানপন্থী রাজনীতিতেও এর প্রভাব পড়বে, যার মধ্যে হোয়াইট হাউসও রয়েছে। অরবান যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের সমর্থন পেয়েছিলেন। এর অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বুদাপেস্ট সফর করেন। এ ছাড়া ক্রেমলিন এবং ইউরোপের ডানপন্থী নেতারাও তাকে সমর্থন দিয়েছিলেন।

তবে নির্বাচনী প্রচারণার সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ ওঠে, তাঁর সরকার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে মস্কোর সঙ্গে সমন্বয় করেছে—যা তাঁর প্রচারণাকে ধাক্কা দেয়। অরবান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁর লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে হাঙ্গেরির জাতীয় পরিচয় ও ঐতিহ্যবাহী খ্রিষ্টীয় মূল্যবোধ রক্ষা করা এবং বিপজ্জনক বিশ্বে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস/এম আর 

হাঙ্গেরির সংসদ নির্বাচনে ভিক্টর অরবান সরকারের শোচনীয় পরাজয়

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

হাঙ্গেরির সংসদ নির্বাচনে ভিক্টর অরবান সরকারের শোচনীয় পরাজয়

আপডেটের সময় ০৭:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

হাঙ্গেরির প্রবীণ জাতীয়তাবাদী নেতা ভিক্টর অরবান জাতীয় নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ক্ষমতা হারিয়েছেন

ইউরোোপঃ রবিবার (১২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত দেশের সাধারণ নির্বাচনে ভিক্টর অরবান একটানা ১৬ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার পর তিনি হেরে যান তুলনামূলক নবীন মধ্য-ডানপন্থী টিসা পার্টির কাছে। এই ফলাফল রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্রদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ৬২ বছর বয়সী অরবান ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীলদের কাছে ‘ই-লিবারেল’ বা অনুদার গণতন্ত্রের মডেলের রূপকার হিসেবে প্রশংসিত ছিলেন। ভোটাররা দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক স্থবিরতা, আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা এবং ধনকুবেরদের সম্পদ সঞ্চয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন—এ কারণেই অরবানের এই বিশাল হার।

অরবানের এই ভরাডুবির ফলে টিসা পার্টির নেতা পিটার ম্যাগিয়ার হাঙ্গেরির ১৯৯ আসনের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন। এর ফলে, হাঙ্গেরির তথাকথিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সংস্কারের পথ খুলে গেল। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমালোচকেরা অরবানের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক নিয়মকে দুর্বল করার অভিযোগ করেছিলেন।

প্রায় সব ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, টিসা পার্টি ১৩৮টি আসন পেতে যাচ্ছে, যা ম্যাগিয়ারের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করে। রোববারের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটার অংশগ্রহণ করেন, যা প্রমাণ করে যে বহু হাঙ্গেরিয়ান এই নির্বাচনকে দেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে দেখেছেন।

নির্বাচনটিকে ম্যাগিয়ার ‘পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সেরা পছন্দ’ হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। তিনি সতর্ক করেছিলেন, ব্রাসেলসের সঙ্গে অরবানের সংঘাতপূর্ণ অবস্থান দেশটিকে ইউরোপীয় মূলধারা থেকে আরও দূরে ঠেলে দেবে। অন্যদিকে অরবান দাবি করেন, টিসা পার্টি হাঙ্গেরিকে রাশিয়ার সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলবে। তবে ম্যাগিয়ার এই দাবি অস্বীকার করেন।

নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণার পর নিজ দল ফিদেজ পার্টির কার্যালয়ে অরবান বলেন, ‘এই নির্বাচনের ফলাফল আমাদের জন্য কষ্টদায়ক, কিন্তু স্পষ্ট।’ তাঁর সমর্থকদের কেউ কেউ টিভির পর্দায় তার ভাষণ দেখে কেঁদে ফেলেন।

অরবানের ১৬ বছরের শাসনের অবসান শুধু হাঙ্গেরি নয়, বরং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউক্রেনসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। অনেক ইউরোপীয় নেতা আশা করছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে হাঙ্গেরির বিরোধিতামূলক ভূমিকার অবসান ঘটবে। এতে করে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের জন্য ৯০ বিলিয়ন ইউরো (১০৫ বিলিয়ন ডলার) ঋণ অনুমোদনের পথ খুলতে পারে, যা এত দিন অরবান আটকে রেখেছিলেন।

ইউরেশিয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজতবা রহমান বলেন, ম্যাগিয়ার দুর্নীতি দূর করা এবং গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে ফিদেজ-ঘনিষ্ঠদের সরানোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন প্রসঙ্গে ম্যাগিয়ার ৯০ বিলিয়ন ইউরো সহায়তা প্রবাহের পথ খুলে দিতে সম্মত হবেন। নির্বাচনের আগে তিনি খুব সতর্ক ছিলেন। কিন্তু এখন ফিদেজ ভোটারদের সন্তুষ্ট করার প্রয়োজন নেই। তাই আমরা মনে করি, হাঙ্গেরি ধীরে ধীরে ইউরোপীয় মূলধারায় ফিরে আসবে।’

তবে ব্রাসেলসের কিছু কূটনীতিক সতর্ক করে বলেছেন, অভিবাসনসহ কিছু বিষয় জটিলই থেকে যেতে পারে। একজন কূটনীতিক বলেন, ‘হাঙ্গেরি চ্যালেঞ্জিং অংশীদার হিসেবেই থাকবে, তবে এমন এক অংশীদার যার সঙ্গে অন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলো কাজ করতে পারবে।’

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ম্যাগিয়ারকে অভিনন্দন জানান এবং ইউরোপের শক্তি বৃদ্ধি ও শান্তি-নিরাপত্তা বজায় রাখতে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি টেলিগ্রামে লেখেন, ‘গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গির বিজয় গুরুত্বপূর্ণ।’ ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়ন বলেন, ‘হাঙ্গেরি ইউরোপকে বেছে নিয়েছে। ইউরোপ সব সময়ই হাঙ্গেরিকে বেছে নিয়েছে।’

অরবানের বিদায় ইউরোপীয় ইউনিয়নে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রধান মিত্রকে হারানোর সমান। একই সঙ্গে পশ্চিমা ডানপন্থী রাজনীতিতেও এর প্রভাব পড়বে, যার মধ্যে হোয়াইট হাউসও রয়েছে। অরবান যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের সমর্থন পেয়েছিলেন। এর অংশ হিসেবে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বুদাপেস্ট সফর করেন। এ ছাড়া ক্রেমলিন এবং ইউরোপের ডানপন্থী নেতারাও তাকে সমর্থন দিয়েছিলেন।

তবে নির্বাচনী প্রচারণার সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ ওঠে, তাঁর সরকার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে মস্কোর সঙ্গে সমন্বয় করেছে—যা তাঁর প্রচারণাকে ধাক্কা দেয়। অরবান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁর লক্ষ্য ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে হাঙ্গেরির জাতীয় পরিচয় ও ঐতিহ্যবাহী খ্রিষ্টীয় মূল্যবোধ রক্ষা করা এবং বিপজ্জনক বিশ্বে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস/এম আর