চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধিঃ ভোলার চরফ্যাশনে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ২২ বছর বয়সী এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সুমন ভূঁইয়া বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পুরো এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সুমন ভূঁইয়া উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আলমগীর ভূঁইয়ার ছেলে এবং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা এ গুরুতর অভিযোগে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
ভুক্তভোগী তরুণী জানান, প্রায় নয় মাস আগে অসুস্থ অবস্থায় ভূঁইয়ারহাট বাজারের সুমন মেডিকেল হল থেকে ওষুধ কিনতে গেলে তরুণীর সঙ্গে সুমনের পরিচয় হয়। পরে সুমন তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন এবং বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সম্পর্কে জড়িয়ে ফেলেন। সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতায় রূপ নেয়।
তরুণী বলেন, ‘বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সুমন একাধিকবার বিভিন্ন বাসা, হোটেল ও নির্জন স্থানে তাকে নিয়ে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান। সম্প্রতি ১০ মার্চ চরফ্যাশন সদরে একটি হোটেলে নিয়ে ভুক্তভোগী তরুণীর হাত পা বেঁধে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। তরুণীর দাবী, সে আমার জীবন নষ্ট করেছে। সুমন আমাকে বিয়ে না করলে আমি বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করবো।’
তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সুমন ভূঁইয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে চরফ্যাশন থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, ভুক্তভোগী তরুণী থানায় অভিযোগ দায়ের করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শহিদুল ইসলাম জামাল/ইবিটাইমস/এম আর


















