ভিয়েনা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইউরোপকে নিজেদের প্রতিরক্ষায় নিজেদের ‘পদক্ষেপ’ নিতে হবে – ইইউ শীর্ষ কূটনীতিক যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানিরা দারিদ্রতার শীর্ষে সৌদি আরব নিজের ভূখণ্ড থেকে ইরানে হামলা চালাতে অনুমতি দিবে না তারেক রহমানের মধ্যেই মানুষ নতুন আশার আলো দেখছে – ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল মা-বোনদের মূল্য নির্ধারণ করতে চায় একটি দল :নয়ন জিয়াউর রহমান ছিলেন সৎ রাষ্ট্রনায়ক : হাফিজ ৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল আসছেন তারেক রহমান চরফ্যাসনে জামায়াতের বিরুদ্ধে হাতপাখার নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ নির্বাচিত সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করবে : মেজর হাফিজ আস্থা লাইফের বীমার আওতায় সুইট গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারী

তারেক রহমানের মধ্যেই মানুষ নতুন আশার আলো দেখছে – ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৯ সময় দেখুন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একথা বলেন

ইবিটাইমস ডেস্কঃ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের মলানী বাজারে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় মির্জা ফখরুল আরো বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান, আমাদের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে। যেখানে যাচ্ছে সেখানে শুধু লোক আর লোক।

গতকাল ময়মনসিংহ গিয়েছিল লাখ লাখ লোক হয়েছে সমাবেশে। কেন যাচ্ছে? কারণ মানুষগুলো তার মধ্যে একটা আশা খুঁজে পাচ্ছে। তার মধ্যে নতুন নেতা দেখতে পাচ্ছে। যে নেতা তাদেরকে ভালো কিছু দেওয়ার কথা বলছেন।

তিনি বলেন, তিনি মা-বোনদেরকে ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলছেন, যদি একটা ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয় সে ক্ষেত্রে সস্তায় নিত্যপূর্ণ জিনিস ক্রয় করতে পারবে। চিকিৎসা, শিক্ষাসহ সবকিছুই করতে পারবে। কৃষকদেরকেও কার্ড দেওয়া হবে। যার ফলে সে তার সার-বীজ সবকিছুই ন্যায্য মূল্যে ক্রয় করতে পারবে। আমরা বাচ্চাদেরকে ভালো লেখাপড়ার জন্য ভালো স্কুলের ব্যবস্থা করব। হাসপাতালে যেন মানুষ ভালো চিকিৎসা পায় সে ব্যবস্থা করব। সস্তায় ওষুধ দেওয়ার চেষ্টা করব।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রাজনীতি করে কি বাড়িঘর বানাইছি? উল্টা আমার বাবার সম্পত্তি বিক্রি করেছি। সব বিক্রি করেছি। এমনকি আমি আমার ঠাকুরগাঁও শহরের বসতবাড়ির অর্ধেকটা বিক্রি করে দিয়েছে। এই করেই আমরা রাজনীতি করি। আমি একটা কথা বলতে চাই, এটাই আমার শেষ নির্বাচন।

তিনি বলেন,আমার শরীর দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। বয়সও বাড়ছে। আমার নিজেরই মনে হচ্ছে আমি মনে হয় আর পাঁচ বছর পরে ইলেকশন করতে পারব না। আমার শেষ অনুরোধ এবার আপনার একটু আমাকে সমর্থন দেবেন। তাহলে আপনাদের জন্য একটু আমি কাজ করার সুযোগ পাব।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এখন আমরা একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারছি। আর ধানখেতে রাত কাটাতে হচ্ছে না, মিথ্যা মামলার আতঙ্কও অনেকটা কমেছে।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস/এম আর 

জনপ্রিয়

ইউরোপকে নিজেদের প্রতিরক্ষায় নিজেদের ‘পদক্ষেপ’ নিতে হবে – ইইউ শীর্ষ কূটনীতিক

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

তারেক রহমানের মধ্যেই মানুষ নতুন আশার আলো দেখছে – ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

আপডেটের সময় ০৬:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একথা বলেন

ইবিটাইমস ডেস্কঃ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের মলানী বাজারে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় মির্জা ফখরুল আরো বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান, আমাদের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ছেলে। যেখানে যাচ্ছে সেখানে শুধু লোক আর লোক।

গতকাল ময়মনসিংহ গিয়েছিল লাখ লাখ লোক হয়েছে সমাবেশে। কেন যাচ্ছে? কারণ মানুষগুলো তার মধ্যে একটা আশা খুঁজে পাচ্ছে। তার মধ্যে নতুন নেতা দেখতে পাচ্ছে। যে নেতা তাদেরকে ভালো কিছু দেওয়ার কথা বলছেন।

তিনি বলেন, তিনি মা-বোনদেরকে ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলছেন, যদি একটা ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয় সে ক্ষেত্রে সস্তায় নিত্যপূর্ণ জিনিস ক্রয় করতে পারবে। চিকিৎসা, শিক্ষাসহ সবকিছুই করতে পারবে। কৃষকদেরকেও কার্ড দেওয়া হবে। যার ফলে সে তার সার-বীজ সবকিছুই ন্যায্য মূল্যে ক্রয় করতে পারবে। আমরা বাচ্চাদেরকে ভালো লেখাপড়ার জন্য ভালো স্কুলের ব্যবস্থা করব। হাসপাতালে যেন মানুষ ভালো চিকিৎসা পায় সে ব্যবস্থা করব। সস্তায় ওষুধ দেওয়ার চেষ্টা করব।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রাজনীতি করে কি বাড়িঘর বানাইছি? উল্টা আমার বাবার সম্পত্তি বিক্রি করেছি। সব বিক্রি করেছি। এমনকি আমি আমার ঠাকুরগাঁও শহরের বসতবাড়ির অর্ধেকটা বিক্রি করে দিয়েছে। এই করেই আমরা রাজনীতি করি। আমি একটা কথা বলতে চাই, এটাই আমার শেষ নির্বাচন।

তিনি বলেন,আমার শরীর দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। বয়সও বাড়ছে। আমার নিজেরই মনে হচ্ছে আমি মনে হয় আর পাঁচ বছর পরে ইলেকশন করতে পারব না। আমার শেষ অনুরোধ এবার আপনার একটু আমাকে সমর্থন দেবেন। তাহলে আপনাদের জন্য একটু আমি কাজ করার সুযোগ পাব।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এখন আমরা একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারছি। আর ধানখেতে রাত কাটাতে হচ্ছে না, মিথ্যা মামলার আতঙ্কও অনেকটা কমেছে।

কবির আহমেদ/ইবিটাইমস/এম আর