ভিয়েনা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বরিশালে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে দালালচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান, ৩ ব্যক্তির কারাদন্ড চিতলমারিতে ২০ লাখ টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল উদ্ধার কলম্বিয়ার কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ৯ জনের প্রাণহানি নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের আগে নিরাপত্তা চুক্তি চাই : লেবাননের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ এক বছরের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচন হবে: মির্জা ফখরুল প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করা সিএজি’র অডিট রিপোর্টে স্থান পেয়েছে বালিশ কাণ্ডের দুর্নীতির প্রতিবেদন টাঙ্গাইলে তেল কম দেওয়ার দায়ে পেট্রোল পাম্পে জরিমানা টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্বোধন কৃষ্ণচূড়ায় লাল হওয়ার কথা ছিল যে গ্রাম; নিষ্ঠুরতায় নিভে যাচ্ছে সেই স্বপ্ন

‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণে এখন পর্যন্ত উঠেছে পৌনে ২ কোটি টাকা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০১:০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২১৩ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের জন্য রাখা দানবাক্সগুলো এখন উপচে পড়ছে। অনলাইন ও অফলাইনে এমন উৎসাহজনক সাড়া মিলেছে যে পুরো উদ্যোগটি রাতারাতি রাজ্যের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

সাময়িক বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের উদ্যোগেই এই তহবিল সংগ্রহ চলছে।

হুমায়ুন কবীরের দাবি, মসজিদটি নির্মাণে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। ইতোমধ্যে সোমবার দুপুর পর্যন্ত চারটি দানবাক্স এবং একটি বস্তা খুলেই পাওয়া গেছে ৩৭ লাখ ৩৩ হাজার রুপি। অনলাইন কিউআর কোডের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত ও বিদেশ থেকে ইতোমধ্যে এসেছে ৯৩ লাখ রুপি। সাতটি বাক্স এখনো খোলা হয়নি। সব মিলিয়ে মোট অনুদান ১ কোটি ৩০ লাখ রুপি ছাড়িয়েছে (বাংলাদেশি টাকা যা প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ ৪১ টাকা), যা কবীরের শিবিরের ভাষায় ‘সব প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে’।

গত শনিবার (০৬ ডিসেম্বর) অভূতপূর্ব নিরাপত্তার মধ্যেই রেজিনগরে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। তারিখটি বেছে নেওয়া হয় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকীর সঙ্গে মিলিয়ে—যা রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

সেদিন হাজারে হাজারে মানুষ সেখানে ভিড় করেন। ১১টি ঝকঝকে দানবাক্সের পাশে অংশগ্রহণকারীদের জন্য পরিবেশন করা হয় শাহি বিরিয়ানি, যার পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার মানুষের জন্য। এরপর থেকেই স্থানীয়রা শুধু অর্থই নয়, ইট ও নির্মাণ সামগ্রী নিয়েও আসছেন প্রতীকী সমর্থন জানাতে।

রোববার গভীর রাত পর্যন্ত ৩০ জনের একটি দল ক্যাশ-কাউন্টিং মেশিনের সাহায্যে অনুদান গণনা করেন। পুরো প্রক্রিয়া রেকর্ড করা হয় এবং স্বচ্ছতার জন্য লাইভও দেখানো হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় বাকি বাক্সগুলো খোলা হবে। এরপর সব অর্থ সিসিটিভি–নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সরিয়ে ব্যাংকে স্থানান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

বরিশালে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে দালালচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান, ৩ ব্যক্তির কারাদন্ড

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণে এখন পর্যন্ত উঠেছে পৌনে ২ কোটি টাকা

আপডেটের সময় ০১:০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ইবিটাইমস ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের জন্য রাখা দানবাক্সগুলো এখন উপচে পড়ছে। অনলাইন ও অফলাইনে এমন উৎসাহজনক সাড়া মিলেছে যে পুরো উদ্যোগটি রাতারাতি রাজ্যের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

সাময়িক বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের উদ্যোগেই এই তহবিল সংগ্রহ চলছে।

হুমায়ুন কবীরের দাবি, মসজিদটি নির্মাণে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। ইতোমধ্যে সোমবার দুপুর পর্যন্ত চারটি দানবাক্স এবং একটি বস্তা খুলেই পাওয়া গেছে ৩৭ লাখ ৩৩ হাজার রুপি। অনলাইন কিউআর কোডের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত ও বিদেশ থেকে ইতোমধ্যে এসেছে ৯৩ লাখ রুপি। সাতটি বাক্স এখনো খোলা হয়নি। সব মিলিয়ে মোট অনুদান ১ কোটি ৩০ লাখ রুপি ছাড়িয়েছে (বাংলাদেশি টাকা যা প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ ৪১ টাকা), যা কবীরের শিবিরের ভাষায় ‘সব প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে’।

গত শনিবার (০৬ ডিসেম্বর) অভূতপূর্ব নিরাপত্তার মধ্যেই রেজিনগরে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। তারিখটি বেছে নেওয়া হয় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকীর সঙ্গে মিলিয়ে—যা রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

সেদিন হাজারে হাজারে মানুষ সেখানে ভিড় করেন। ১১টি ঝকঝকে দানবাক্সের পাশে অংশগ্রহণকারীদের জন্য পরিবেশন করা হয় শাহি বিরিয়ানি, যার পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার মানুষের জন্য। এরপর থেকেই স্থানীয়রা শুধু অর্থই নয়, ইট ও নির্মাণ সামগ্রী নিয়েও আসছেন প্রতীকী সমর্থন জানাতে।

রোববার গভীর রাত পর্যন্ত ৩০ জনের একটি দল ক্যাশ-কাউন্টিং মেশিনের সাহায্যে অনুদান গণনা করেন। পুরো প্রক্রিয়া রেকর্ড করা হয় এবং স্বচ্ছতার জন্য লাইভও দেখানো হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় বাকি বাক্সগুলো খোলা হবে। এরপর সব অর্থ সিসিটিভি–নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সরিয়ে ব্যাংকে স্থানান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা/এসএস