ভিয়েনা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কাল তারেক রহমানকে টেলিফোনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ট্রাম্পের অভিনন্দন এআই’কে গুটিকয়েক ধনকুবেরের মর্জির ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না : জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার চলমান থাকবে: চিফ প্রসিকিউটর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত জনপ্রত্যাশা পূরণ করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ বাংলাদেশে সুষ্ঠুভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরে ইইউর ধন্যবাদ জ্ঞাপন

‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণে এখন পর্যন্ত উঠেছে পৌনে ২ কোটি টাকা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০১:০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৭৭ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের জন্য রাখা দানবাক্সগুলো এখন উপচে পড়ছে। অনলাইন ও অফলাইনে এমন উৎসাহজনক সাড়া মিলেছে যে পুরো উদ্যোগটি রাতারাতি রাজ্যের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

সাময়িক বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের উদ্যোগেই এই তহবিল সংগ্রহ চলছে।

হুমায়ুন কবীরের দাবি, মসজিদটি নির্মাণে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। ইতোমধ্যে সোমবার দুপুর পর্যন্ত চারটি দানবাক্স এবং একটি বস্তা খুলেই পাওয়া গেছে ৩৭ লাখ ৩৩ হাজার রুপি। অনলাইন কিউআর কোডের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত ও বিদেশ থেকে ইতোমধ্যে এসেছে ৯৩ লাখ রুপি। সাতটি বাক্স এখনো খোলা হয়নি। সব মিলিয়ে মোট অনুদান ১ কোটি ৩০ লাখ রুপি ছাড়িয়েছে (বাংলাদেশি টাকা যা প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ ৪১ টাকা), যা কবীরের শিবিরের ভাষায় ‘সব প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে’।

গত শনিবার (০৬ ডিসেম্বর) অভূতপূর্ব নিরাপত্তার মধ্যেই রেজিনগরে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। তারিখটি বেছে নেওয়া হয় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকীর সঙ্গে মিলিয়ে—যা রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

সেদিন হাজারে হাজারে মানুষ সেখানে ভিড় করেন। ১১টি ঝকঝকে দানবাক্সের পাশে অংশগ্রহণকারীদের জন্য পরিবেশন করা হয় শাহি বিরিয়ানি, যার পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার মানুষের জন্য। এরপর থেকেই স্থানীয়রা শুধু অর্থই নয়, ইট ও নির্মাণ সামগ্রী নিয়েও আসছেন প্রতীকী সমর্থন জানাতে।

রোববার গভীর রাত পর্যন্ত ৩০ জনের একটি দল ক্যাশ-কাউন্টিং মেশিনের সাহায্যে অনুদান গণনা করেন। পুরো প্রক্রিয়া রেকর্ড করা হয় এবং স্বচ্ছতার জন্য লাইভও দেখানো হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় বাকি বাক্সগুলো খোলা হবে। এরপর সব অর্থ সিসিটিভি–নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সরিয়ে ব্যাংকে স্থানান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা/এসএস

জনপ্রিয়

গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণে এখন পর্যন্ত উঠেছে পৌনে ২ কোটি টাকা

আপডেটের সময় ০১:০৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ইবিটাইমস ডেস্ক : পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের জন্য রাখা দানবাক্সগুলো এখন উপচে পড়ছে। অনলাইন ও অফলাইনে এমন উৎসাহজনক সাড়া মিলেছে যে পুরো উদ্যোগটি রাতারাতি রাজ্যের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

সাময়িক বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের উদ্যোগেই এই তহবিল সংগ্রহ চলছে।

হুমায়ুন কবীরের দাবি, মসজিদটি নির্মাণে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। ইতোমধ্যে সোমবার দুপুর পর্যন্ত চারটি দানবাক্স এবং একটি বস্তা খুলেই পাওয়া গেছে ৩৭ লাখ ৩৩ হাজার রুপি। অনলাইন কিউআর কোডের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত ও বিদেশ থেকে ইতোমধ্যে এসেছে ৯৩ লাখ রুপি। সাতটি বাক্স এখনো খোলা হয়নি। সব মিলিয়ে মোট অনুদান ১ কোটি ৩০ লাখ রুপি ছাড়িয়েছে (বাংলাদেশি টাকা যা প্রায় ১ কোটি ৭৬ লাখ ৪১ টাকা), যা কবীরের শিবিরের ভাষায় ‘সব প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে’।

গত শনিবার (০৬ ডিসেম্বর) অভূতপূর্ব নিরাপত্তার মধ্যেই রেজিনগরে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। তারিখটি বেছে নেওয়া হয় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকীর সঙ্গে মিলিয়ে—যা রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

সেদিন হাজারে হাজারে মানুষ সেখানে ভিড় করেন। ১১টি ঝকঝকে দানবাক্সের পাশে অংশগ্রহণকারীদের জন্য পরিবেশন করা হয় শাহি বিরিয়ানি, যার পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার মানুষের জন্য। এরপর থেকেই স্থানীয়রা শুধু অর্থই নয়, ইট ও নির্মাণ সামগ্রী নিয়েও আসছেন প্রতীকী সমর্থন জানাতে।

রোববার গভীর রাত পর্যন্ত ৩০ জনের একটি দল ক্যাশ-কাউন্টিং মেশিনের সাহায্যে অনুদান গণনা করেন। পুরো প্রক্রিয়া রেকর্ড করা হয় এবং স্বচ্ছতার জন্য লাইভও দেখানো হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় বাকি বাক্সগুলো খোলা হবে। এরপর সব অর্থ সিসিটিভি–নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সরিয়ে ব্যাংকে স্থানান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা/এসএস