ভিয়েনা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নতুন করে আলোচনায় সম্মত ট্রাম্প, তবে বললেন যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই বান্দরবানে ৪ পর্যটককে উদ্ধার করেছে বিজিবি সরকার সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে রয়েছে: মাহদী আমিন লালমোহনে সাংবাদিকের ছেলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেনের ৩৭৬টি ড্রোন প্রতিহতের দাবি রাশিয়ার চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ পদক্ষেপ টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ১ ব্যক্তির মৃত্যু পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর উদ্ধার-ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

টাঙ্গাইলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্লে গ্রাউন্ড স্থাপন, আনন্দমুখর পরিবেশে শিক্ষার নতুন দিগন্ত

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০১:৪১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯৩ সময় দেখুন

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : “বিশ্বকে বদলে দিতে, বিকশিত হই আনন্দের সাথে”এই সুন্দর প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে শুরু হয়েছে শিশুদের আনন্দমুখর শিক্ষা নিশ্চিতের এক অনন্য উদ্যোগ।

জেলার ১২টি উপজেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের স্কুলমুখী করতে এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধে ১৬০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্লে গ্রাউন্ড স্থাপন করার আওতায় সদর উপজেলার ১৩ টি স্কুলে একযোগে উদ্বোধন করা হলো প্লে গ্রাউন্ড।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর ) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চাকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মিয়া ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মিয়া বলেন, “খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি শিশুদের মানসিক বিকাশ, দলগত চেতনা এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিদ্যালয়ে খেলার পরিবেশ থাকলে শিশুরা নিয়মিত স্কুলে আসতে আগ্রহী হবে, ফলে ঝরে পড়ার হার অনেকটাই কমে যাবে।”

তিনি আরও বলেন,প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিশুদের বয়স উপযোগী দোলনা, স্লাইড, দড়ি লাফ, ব্যালান্স বোর্ডসহ বিভিন্ন প্লে-সামগ্রী বসানো হবে। এতে শিশুরা আনন্দের মধ্য দিয়ে শেখার সুযোগ পাবে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, প্লে গ্রাউন্ড স্থাপনের ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসার আগ্রহ বেড়ে যাবে। আগে অনেক শিশুই পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলত, কিন্তু খেলার সুযোগ থাকলে তারা আনন্দের সঙ্গে বিদ্যালয়ে সময় কাটাতে পারবে।

অভিভাবকরাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমাদের সন্তানরা এখন শুধু বই নয়, খেলাধুলার মাধ্যমে মন খুলে শেখার সুযোগ পাচ্ছে এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

ছাত্র ছাত্রীরা বলেন,আগে আমরা মাঠে খেলতাম এখন অনেক নতুন খেলাধুলা করতে পারবো।

শিশুদের হাসিখুশি মুখ, খেলার শব্দ আর শেখার আনন্দে টাঙ্গাইলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পাবে এমনটাই আশা সংশ্লিষ্ট সকলের।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়

নতুন করে আলোচনায় সম্মত ট্রাম্প, তবে বললেন যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

টাঙ্গাইলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্লে গ্রাউন্ড স্থাপন, আনন্দমুখর পরিবেশে শিক্ষার নতুন দিগন্ত

আপডেটের সময় ০১:৪১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, টাঙ্গাইল : “বিশ্বকে বদলে দিতে, বিকশিত হই আনন্দের সাথে”এই সুন্দর প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে শুরু হয়েছে শিশুদের আনন্দমুখর শিক্ষা নিশ্চিতের এক অনন্য উদ্যোগ।

জেলার ১২টি উপজেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিশুদের স্কুলমুখী করতে এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধে ১৬০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্লে গ্রাউন্ড স্থাপন করার আওতায় সদর উপজেলার ১৩ টি স্কুলে একযোগে উদ্বোধন করা হলো প্লে গ্রাউন্ড।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর ) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চাকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মিয়া ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মিয়া বলেন, “খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি শিশুদের মানসিক বিকাশ, দলগত চেতনা এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিদ্যালয়ে খেলার পরিবেশ থাকলে শিশুরা নিয়মিত স্কুলে আসতে আগ্রহী হবে, ফলে ঝরে পড়ার হার অনেকটাই কমে যাবে।”

তিনি আরও বলেন,প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিশুদের বয়স উপযোগী দোলনা, স্লাইড, দড়ি লাফ, ব্যালান্স বোর্ডসহ বিভিন্ন প্লে-সামগ্রী বসানো হবে। এতে শিশুরা আনন্দের মধ্য দিয়ে শেখার সুযোগ পাবে।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, প্লে গ্রাউন্ড স্থাপনের ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসার আগ্রহ বেড়ে যাবে। আগে অনেক শিশুই পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলত, কিন্তু খেলার সুযোগ থাকলে তারা আনন্দের সঙ্গে বিদ্যালয়ে সময় কাটাতে পারবে।

অভিভাবকরাও এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমাদের সন্তানরা এখন শুধু বই নয়, খেলাধুলার মাধ্যমে মন খুলে শেখার সুযোগ পাচ্ছে এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

ছাত্র ছাত্রীরা বলেন,আগে আমরা মাঠে খেলতাম এখন অনেক নতুন খেলাধুলা করতে পারবো।

শিশুদের হাসিখুশি মুখ, খেলার শব্দ আর শেখার আনন্দে টাঙ্গাইলের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পাবে এমনটাই আশা সংশ্লিষ্ট সকলের।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস