ভিয়েনা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী মাভাবিপ্রবিতে সিনিয়রকে মারধরের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ ও ভাঙচুর, সহকারী প্রক্টরসহ আহত ১০ ঝিনাইদহে কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে সার ও বীজ বিতরণ বাহুবলে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত লালমোহনে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বাসযোগ্য শহর কোপেনহেগেন,ভিয়েনা দ্বিতীয়,আর ঢাকা ১৭১তম অসাধারণ জয়ে বিশ্বকাপের শেষ আটে আর্জেন্টিনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী: আপিল বিভাগের রায় কাল বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

তাপদাহের কবলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা, মর্নিং শিফট চালুর দাবি

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৯:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
  • ১১৯ সময় দেখুন

শেখ ইমন, ঝিনাইদহ : অধিকাংশ শ্রেণিকক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফ্যান নেই। কোথাও একটি ফ্যান থাকলেও তা সচল নয়,আবার কোথাও ফ্যান ঠিক মত চলে না। ফলে গরমে ক্লাসে বসেই ঘাম ঝরাচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ছে মাঝপথেই। ফলে কমে যাচ্ছে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

প্রচন্ড গরমে জনজীবনের নাভিশ্বাস উঠেছে। আর এই দাবদাহে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। শ্রেণিকক্ষে ফ্যানের অভাব আর ডে-শিফটে প্রচন্ড তাপমাত্রার মধ্যে পাঠদান কার্যক্রম যেন এক চরম কষ্টের নামান্তর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সদর উপজেলার মুরারীদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে যেখানে অন্তত ৪টি ফ্যান প্রয়োজন, সেখানে রয়েছে মাত্র ৩টি, তার মধ্যে একটি পুরোপুরি অচল এবং অন্যটি মাঝেমধ্যে থেমে যায়। এই অবস্থায় শ্রেণিকক্ষে থাকা যেন শিক্ষার্থীদের জন্য এক অদৃশ্য শাস্তি।

শহরের খান-এ-খোদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্রও ভিন্ন নয়। সেখানে শ্রেণিকক্ষ সংকুচিত, বাতাস প্রবাহের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই, আর একটি সচল ফ্যান যেন বিলাসিতার নামান্তর। এই গরমে শিশুরা নাজেহাল হয়ে ক্লাস করছে, অনেকেই শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে।

নাজমুল হোসেন নামের এক শিক্ষক বলেন, ডে-শিফটে ক্লাস পরিচালনার ফলে দুপুরের পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ছুটির পর শিক্ষার্থীদের তপ্ত রোদে বাড়ি ফিরতেও চরম কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। তাদের দাবি, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত ফ্যানের ব্যবস্থা এবং ডে-শিফটের পরিবর্তে মর্নিং শিফট চালু করা হোক।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনন্দ কিশোর সাহা বলেন, “শিক্ষকদের বক্তব্য সঠিক। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, ঝিনাইদহ জেলার ৬টি উপজেলার মধ্যে মোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৯০৭টি। এসব বিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১,৬৭,৪০১ জন।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

Tag :
জনপ্রিয়

রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

তাপদাহের কবলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা, মর্নিং শিফট চালুর দাবি

আপডেটের সময় ০৯:২৬:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

শেখ ইমন, ঝিনাইদহ : অধিকাংশ শ্রেণিকক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফ্যান নেই। কোথাও একটি ফ্যান থাকলেও তা সচল নয়,আবার কোথাও ফ্যান ঠিক মত চলে না। ফলে গরমে ক্লাসে বসেই ঘাম ঝরাচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ছে মাঝপথেই। ফলে কমে যাচ্ছে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি। ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

প্রচন্ড গরমে জনজীবনের নাভিশ্বাস উঠেছে। আর এই দাবদাহে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা। শ্রেণিকক্ষে ফ্যানের অভাব আর ডে-শিফটে প্রচন্ড তাপমাত্রার মধ্যে পাঠদান কার্যক্রম যেন এক চরম কষ্টের নামান্তর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সদর উপজেলার মুরারীদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে যেখানে অন্তত ৪টি ফ্যান প্রয়োজন, সেখানে রয়েছে মাত্র ৩টি, তার মধ্যে একটি পুরোপুরি অচল এবং অন্যটি মাঝেমধ্যে থেমে যায়। এই অবস্থায় শ্রেণিকক্ষে থাকা যেন শিক্ষার্থীদের জন্য এক অদৃশ্য শাস্তি।

শহরের খান-এ-খোদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্রও ভিন্ন নয়। সেখানে শ্রেণিকক্ষ সংকুচিত, বাতাস প্রবাহের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই, আর একটি সচল ফ্যান যেন বিলাসিতার নামান্তর। এই গরমে শিশুরা নাজেহাল হয়ে ক্লাস করছে, অনেকেই শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে।

নাজমুল হোসেন নামের এক শিক্ষক বলেন, ডে-শিফটে ক্লাস পরিচালনার ফলে দুপুরের পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ছুটির পর শিক্ষার্থীদের তপ্ত রোদে বাড়ি ফিরতেও চরম কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। তাদের দাবি, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত ফ্যানের ব্যবস্থা এবং ডে-শিফটের পরিবর্তে মর্নিং শিফট চালু করা হোক।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আনন্দ কিশোর সাহা বলেন, “শিক্ষকদের বক্তব্য সঠিক। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, ঝিনাইদহ জেলার ৬টি উপজেলার মধ্যে মোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৯০৭টি। এসব বিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১,৬৭,৪০১ জন।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস