ভিয়েনা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার লক্ষ্যে সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে টাঙ্গাইলের ১০৬৩ ভোট কেন্দ্র ঝালকাঠিতে দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী কার্যালয় ও কর্মীদের দোকানে আগুন টাঙ্গাইলে সেই জিয়ার পরিবারকে সান্ত্বনা দিলেন টুকু শহীদ শরীফ ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের দলিল হস্তান্তর প্রধান উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ সংসদ নির্বাচন: আজ রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল, কাল পরিবহন চলাচল বন্ধ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট : প্রস্তুতি সম্পন্ন হবিগঞ্জে ৬৪৭ কেন্দ্রে ভোট, কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে অভিজ্ঞতা না থাকার কারণে দেশ পরিচালনা করতে তারা ব্যর্থ হবে – মেজর হাফিজ প্রতিদ্বন্দ্বী দল পাকবাহিনীর দাসত্ব করেছিল: নয়ন

হরিনাকুণ্ডুতে হত্যাকাণ্ডের জেরে বাড়ি ভাঙচুর-লুটপাট

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ১১:০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • ৫৬ সময় দেখুন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ছবিটি দেখলে মনে হবে গাঁজার যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি এলাকা। কিন্তু না এটি  ঝিনাইদহ জেলার হরিনাকুণ্ডু উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের হাকিমপুরের চিত্র। সম্প্রতি এই গ্রামে লুটপাট ও ভাংচুর করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হামলাকারীরা ফলনশীল কলাবাগান কেটে ফেলেছে, পুকুরের মাছ লুট করেছে এবং ঘরবাড়ি ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে।
চারদিকে ধ্বংসস্তূপ আর ছড়িয়ে থাকা ইট, কাঠ ও ভাঙা আসবাবপত্রের দৃশ্য দেখে মনে হবে যেন যুদ্ধবিধ্বস্ত কোনো এলাকা।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১১ ফেব্রুয়ারি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মোশারফ নামে এক আইনজীবীর সহকারীকে কুপিয়ে হত্যার পর অভিযুক্তদের বাড়িঘরে এভাবেই ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এই ঘটনায় পুরো গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ১১ ফেব্রুয়ারি এক পক্ষের বিরুদ্ধে মোশাররফ হোসেন নামে এক আইনজীবীর সহকারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং প্রতিপক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে অভিযুক্তদের বাড়িঘরে হামলা চালায়।
এই হামলার ঘটনায় প্রায় ১০টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।  তথ্য নিয়ে জানা গেছে, কসিম মোল্লার ছেলে যুব্বার মণ্ডল, সাঈদ মণ্ডল, সোবহানের ছেলে রমজান ও তার দুই ছেলের মোট ৪১টি গরু, ২টি দোকান, ১টি পুকুর, ৫ বিঘা কলার জমি ও ২ বিঘা ভুট্টার জমি লুটপাট করা হয়েছে। এছাড়াও, সোবহানের দুই ছেলে ওমর আলী ও নাজমুল, ঠান্ডু, বকুল, আকুলের বাড়ি ও ফসলি জমি লুটপাটের শিকার হয়েছে।
এ ঘটনায় পুরো গ্রামজুড়ে ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীরা প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। এক ভুক্তভোগী বলেন, “আমাদের সবকিছু কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বাড়ি-ঘর ভেঙে ফেলেছে, গরু নিয়ে গেছে, দোকান লুট করেছে। এখন কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো?”
এ বিষয়ে হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি এম এ রউফ খান বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করে হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। “আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত চলছে, প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়

নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার লক্ষ্যে সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে টাঙ্গাইলের ১০৬৩ ভোট কেন্দ্র

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

হরিনাকুণ্ডুতে হত্যাকাণ্ডের জেরে বাড়ি ভাঙচুর-লুটপাট

আপডেটের সময় ১১:০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ছবিটি দেখলে মনে হবে গাঁজার যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি এলাকা। কিন্তু না এটি  ঝিনাইদহ জেলার হরিনাকুণ্ডু উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের হাকিমপুরের চিত্র। সম্প্রতি এই গ্রামে লুটপাট ও ভাংচুর করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হামলাকারীরা ফলনশীল কলাবাগান কেটে ফেলেছে, পুকুরের মাছ লুট করেছে এবং ঘরবাড়ি ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে।
চারদিকে ধ্বংসস্তূপ আর ছড়িয়ে থাকা ইট, কাঠ ও ভাঙা আসবাবপত্রের দৃশ্য দেখে মনে হবে যেন যুদ্ধবিধ্বস্ত কোনো এলাকা।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১১ ফেব্রুয়ারি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মোশারফ নামে এক আইনজীবীর সহকারীকে কুপিয়ে হত্যার পর অভিযুক্তদের বাড়িঘরে এভাবেই ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এই ঘটনায় পুরো গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ১১ ফেব্রুয়ারি এক পক্ষের বিরুদ্ধে মোশাররফ হোসেন নামে এক আইনজীবীর সহকারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং প্রতিপক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে অভিযুক্তদের বাড়িঘরে হামলা চালায়।
এই হামলার ঘটনায় প্রায় ১০টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।  তথ্য নিয়ে জানা গেছে, কসিম মোল্লার ছেলে যুব্বার মণ্ডল, সাঈদ মণ্ডল, সোবহানের ছেলে রমজান ও তার দুই ছেলের মোট ৪১টি গরু, ২টি দোকান, ১টি পুকুর, ৫ বিঘা কলার জমি ও ২ বিঘা ভুট্টার জমি লুটপাট করা হয়েছে। এছাড়াও, সোবহানের দুই ছেলে ওমর আলী ও নাজমুল, ঠান্ডু, বকুল, আকুলের বাড়ি ও ফসলি জমি লুটপাটের শিকার হয়েছে।
এ ঘটনায় পুরো গ্রামজুড়ে ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীরা প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। এক ভুক্তভোগী বলেন, “আমাদের সবকিছু কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বাড়ি-ঘর ভেঙে ফেলেছে, গরু নিয়ে গেছে, দোকান লুট করেছে। এখন কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো?”
এ বিষয়ে হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি এম এ রউফ খান বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করে হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। “আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত চলছে, প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস