ভিয়েনা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নতুন করে আলোচনায় সম্মত ট্রাম্প, তবে বললেন যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই বান্দরবানে ৪ পর্যটককে উদ্ধার করেছে বিজিবি সরকার সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে রয়েছে: মাহদী আমিন লালমোহনে সাংবাদিকের ছেলের ওপর পরিকল্পিত হামলা, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেনের ৩৭৬টি ড্রোন প্রতিহতের দাবি রাশিয়ার চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ পদক্ষেপ টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ১ ব্যক্তির মৃত্যু পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর উদ্ধার-ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঝালকাঠিতে কৃষি উপকরণসহ অর্ধ কোটি টাকার প্রণোদনা বরাদ্দ

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৫:৫৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
  • ৭৩ সময় দেখুন

বাঁধন রায়, ঝালকাঠি : ঝালকাঠি জেলায় ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-১ মৌসুমে আউশ চাষ প্রণোদনায় বীজ ও কৃষি উপকরণসহ ৪৯ লাখ ৬৬ হাজার ৫০০ টাকার প্রণোদনা বরাদ্দ করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

এ প্রণোদনার আওতায় জেলার সদর, নলছিটি, রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলায় ৬ হাজার ৬শত জন কৃষককে ৬ হাজার ৬শত বিঘা জমি চাষের জন্য সার, বীজ প্রদান করা হবে।
একজন কৃষক বিঘা প্রতি চাষের জন্য ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার পাবেন। বর্তমানে বোরো ফসল কাটা শুরু হলে এরপরেই আউশের চাষাবাদ শুরু হবে।

প্রণোদনার আওতায় অর্থনৈতিক কোড অনুযায়ী বিভাজনে ২১ লাখ ১২ হাজার টাকার বীজ, ২৪ লাখ ৪২ হাজার টাকার সার এবং পরিবহন ও আনুষাঙ্গিক ৪লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ের বিবরণ করা হয়েছে।

ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ১৪০০জন কৃষককে ১৪০০ বিঘা চাষের জন্য ১০লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা, নলছিটি উপজেলায় ১৩০০ কৃষককে ১৩০০ বিঘা চাষের জন্য প্রনোদনা হিসেবে ৯লাখ ৭৮ হাজার ২২৫ টাকা, রাজাপুর উপজেলায় ১৯৫০জন কৃষককে সমপরিমাণ বিঘা চাষের জন্য প্রনোদনা হিসেবে ১৪ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৫ টাকা এবং কাঠালিয়া উপজেলায় ১৯৫০জন কৃষককে সমপরিমাণ বিঘা চাষের জন্য প্রণোদনা হিসেবে ১৪ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৫ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

জেলার মধ্যে রাজাপুর ও কাঠালিয়ায় আউশের আবাদ প্রধান এলাকা হওয়ায়, এসব উপজেলায় প্রনোদনার সহায়তা সংখ্যা বেশি।
অন্যদিকে বোরো ফসল আবাদের ক্ষেত্রে ঝালকাঠি ও নলছিটি উপজেলায় বোরো প্রধান এলাকা এবং রাজাপুর ও কাঠালিয়ায় এই সংখ্যা খুব সামান্য। এ বছর আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার প্রক্রিয়ার চলছে।
বিগত বছর আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় ১০ হাজার ৩৫ হেক্টরে আউশ আবাদ হয়েছে। ধারণা করা হয় এ বছর পানি বৃষ্টিসহ আবহাওয়া ভালো থাকলে এই আবাদ প্রায় ১৩০০ হেক্টরে সম্প্রসারিত হতে পারে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস

জনপ্রিয়

নতুন করে আলোচনায় সম্মত ট্রাম্প, তবে বললেন যুদ্ধবিরতি কার্যকর নেই

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

ঝালকাঠিতে কৃষি উপকরণসহ অর্ধ কোটি টাকার প্রণোদনা বরাদ্দ

আপডেটের সময় ০৫:৫৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

বাঁধন রায়, ঝালকাঠি : ঝালকাঠি জেলায় ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-১ মৌসুমে আউশ চাষ প্রণোদনায় বীজ ও কৃষি উপকরণসহ ৪৯ লাখ ৬৬ হাজার ৫০০ টাকার প্রণোদনা বরাদ্দ করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

এ প্রণোদনার আওতায় জেলার সদর, নলছিটি, রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলায় ৬ হাজার ৬শত জন কৃষককে ৬ হাজার ৬শত বিঘা জমি চাষের জন্য সার, বীজ প্রদান করা হবে।
একজন কৃষক বিঘা প্রতি চাষের জন্য ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি সার পাবেন। বর্তমানে বোরো ফসল কাটা শুরু হলে এরপরেই আউশের চাষাবাদ শুরু হবে।

প্রণোদনার আওতায় অর্থনৈতিক কোড অনুযায়ী বিভাজনে ২১ লাখ ১২ হাজার টাকার বীজ, ২৪ লাখ ৪২ হাজার টাকার সার এবং পরিবহন ও আনুষাঙ্গিক ৪লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয়ের বিবরণ করা হয়েছে।

ঝালকাঠি সদর উপজেলায় ১৪০০জন কৃষককে ১৪০০ বিঘা চাষের জন্য ১০লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা, নলছিটি উপজেলায় ১৩০০ কৃষককে ১৩০০ বিঘা চাষের জন্য প্রনোদনা হিসেবে ৯লাখ ৭৮ হাজার ২২৫ টাকা, রাজাপুর উপজেলায় ১৯৫০জন কৃষককে সমপরিমাণ বিঘা চাষের জন্য প্রনোদনা হিসেবে ১৪ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৫ টাকা এবং কাঠালিয়া উপজেলায় ১৯৫০জন কৃষককে সমপরিমাণ বিঘা চাষের জন্য প্রণোদনা হিসেবে ১৪ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৫ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

জেলার মধ্যে রাজাপুর ও কাঠালিয়ায় আউশের আবাদ প্রধান এলাকা হওয়ায়, এসব উপজেলায় প্রনোদনার সহায়তা সংখ্যা বেশি।
অন্যদিকে বোরো ফসল আবাদের ক্ষেত্রে ঝালকাঠি ও নলছিটি উপজেলায় বোরো প্রধান এলাকা এবং রাজাপুর ও কাঠালিয়ায় এই সংখ্যা খুব সামান্য। এ বছর আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার প্রক্রিয়ার চলছে।
বিগত বছর আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় ১০ হাজার ৩৫ হেক্টরে আউশ আবাদ হয়েছে। ধারণা করা হয় এ বছর পানি বৃষ্টিসহ আবহাওয়া ভালো থাকলে এই আবাদ প্রায় ১৩০০ হেক্টরে সম্প্রসারিত হতে পারে।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এসএস