ইবিটাইমস, ঢাকা: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সুসম্পর্ক জোরদারে সীমান্ত হত্যা একটি বড় বাধা। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক জন-মানুষের পর্যায়ে জোরদার করা দরকার। সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটলে তা জনগণের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এটা বাংলাদেশ প্রত্যাশা করেনা।
সীমান্তে স্বর্ণা দাস নামে এক কিশোরীকে হত্যার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র নিশ্চয়তার অপেক্ষায় আছি। এটা পেলেই আমরা নয়াদিল্লির কাছে কড়া প্রতিবাদ জানাব, এই হত্যাকাণ্ডকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেন তিনি।
তৌহিদ হোসেন বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের তথাকথিত ‘সোনালী অধ্যায়’ চলাকালীনও সীমান্ত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে এবং এ ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, ভারত ঢাকার সঙ্গে সুসম্পর্ক চাইলে এ সম্পর্ক অবশ্যই ন্যায্যতার ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হবে। আমরা একতরফা সম্পর্ক চাই না।
এসময়, রাষ্ট্রপতির মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম সাংবিধানিকভাবে সম্ভব কি না এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি অবহিত কীনা- জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এর সঙ্গে রিলেটেড (যুক্ত) কোনো কাজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের না। স্পেকুলেশনের (অনুমান) ভিত্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু করতে পারবে না। এটা রাষ্ট্রপতির বিষয়। খুবই সেনসেটিভ (সংবেদনশীল)। যথাযথ কর্তৃপক্ষ এটা দেখুক। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি যুক্ত হয়ও শেষ পর্যায়ে গিয়ে হবে, আর তখন দেখা যাবে।
তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে আমি আসলে কোনো কথা বলতে চাই না। এটার মধ্যে আইনগত দিক আছে, রাষ্ট্রপতির নিজের ব্যাপার আছে। এটা নিয়ে নাড়াচাড়া করা আমার কাজ না।’
এর আগে প্রবাসী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তার এক ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, রাষ্ট্রপতি মো, সাহাবুদ্দিন মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম রয়েছে। রাষ্ট্রপতির দুবাইয়ে ব্যবসা ও সেখানে বসবাসের অনুমতি (রেসিডেন্সি পারমিট) রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ঢাকা/ইবিটাইমস/এনএল/আরএন



















