ভিয়েনা ১১:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লালমোহনে উপজেলা পর্যায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দেলদুয়ারে ধানক্ষেত থেকে নিখোঁজ নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আসবে বলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর আশাবাদ ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ দেশে এসেছে ১৫ লাখ হাম ও ৯ লাখ ডোজ টিডি টিকা ১৬ মে চাঁদপুর ও ২৫ মে ফেনী সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড: রাজসাক্ষী হতে চান সাবেক ডিআইজি জলিল নাগরপুরে বালু উত্তোলনের দায়ে জেল জরিমানা রাজধানীর মিরপুরে বাজারে বের হয়ে নিখোঁজ টাঙ্গাইলের আজহার আলী লালমোহনে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান

আন্দোলন দমনে বাংলাদেশে প্রাণঘাতী অস্ত্রের বেআইনি ব্যবহার হয়েছে: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:২২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুলাই ২০২৪
  • ৫৮ সময় দেখুন

ইবিটাইমস ডেস্ক: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ক্রাইসিস এভিডেন্স ল্যাব বিক্ষোভ দমনের সময় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ‘প্রাণঘাতী অস্ত্রের বেআইনি ব্যবহারের’ তিনটি ঘটনার ভিডিও যাচাই করেছে। সিনিয়র ডিরেক্টর মুচেনা বলেন, ‘যেসব ভিডিও ও ফটোগ্রাফিক প্রমাণ আসছে তা ভয়াবহ।’  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত গত ২০ জুলাইয়ের একটি ভিডিও ক্লিপের উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে, যেখানে দেখা যায় একজন অফিসার অ্যাসল্ট রাইফেল থেকে গুলি চালাচ্ছেন।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সাত সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি যাচাই করে দেখেছে যে, গুলির ওই ঘটনা ঢাকার রামপুরার ডিআইটি রোডে একটি ব্যাংকের সামনের। সেসময় বাংলাদেশ পুলিশ এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের কয়েকজন কর্মকর্তাকে একটি সাঁজোয়া যানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘এক অফিসার একটি চাইনিজ ৫৬-১ অ্যাসল্ট রাইফেল লক্ষ্যবস্তুর দিকে তাক করে দুই রাউন্ড গুলি চালান।’ ‘এমন আগ্নেয়াস্ত্র সমাবেশ নিয়ন্ত্রণের জন্য উপযুক্ত হাতিয়ার নয়। শুধু মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে বা গুরুতর আহত হওয়ার হুমকি থাকলে সময় এমন আগ্নেয়াস্ত্র প্রয়োজন হয়,’ যোগ করা হয় এতে।

বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনার বিশ্লেষণ করে বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক এই মানবাধিকার সংস্থা।

প্রতিবেদনে সংস্থাটির সিনিয়র ডিরেক্টর দেপোরসে মুচেনা বলেছেন, ‘সরকারকে অবিলম্বে গুলি করার নির্দেশ প্রত্যাহার করতে হবে, সারাদেশে ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি চালু করতে হবে এবং বিক্ষোভ দমনে সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।’

‘সরকারকে অবশ্যই নিশ্চয়তা দিতে হবে যে ভবিষ্যতে আর দেখামাত্র গুলির নির্দেশ এবং আন্দোলন দমনে ইন্টারনেট বন্ধ করা হবে না,’ বলেন তিনি।

সিনিয়র ডিরেক্টর মুচেনা বলেন, ‘জরুরিভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সব ঘটনা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে এবং দায়ীদের অবশ্যই পূর্ণ জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’

নাগরিকের প্রতিবাদের অধিকারকে শ্রদ্ধা, আন্দোলনকারীদের ওপর সহিংস দমন-পীড়ন বন্ধ করতে এবং অবিলম্বে যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর সব বিধিনিষেধ তুলে নিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/ এনএল/আরএন

জনপ্রিয়

লালমোহনে উপজেলা পর্যায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

আন্দোলন দমনে বাংলাদেশে প্রাণঘাতী অস্ত্রের বেআইনি ব্যবহার হয়েছে: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল

আপডেটের সময় ০৬:২২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুলাই ২০২৪

ইবিটাইমস ডেস্ক: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ক্রাইসিস এভিডেন্স ল্যাব বিক্ষোভ দমনের সময় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ‘প্রাণঘাতী অস্ত্রের বেআইনি ব্যবহারের’ তিনটি ঘটনার ভিডিও যাচাই করেছে। সিনিয়র ডিরেক্টর মুচেনা বলেন, ‘যেসব ভিডিও ও ফটোগ্রাফিক প্রমাণ আসছে তা ভয়াবহ।’  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত গত ২০ জুলাইয়ের একটি ভিডিও ক্লিপের উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে, যেখানে দেখা যায় একজন অফিসার অ্যাসল্ট রাইফেল থেকে গুলি চালাচ্ছেন।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সাত সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি যাচাই করে দেখেছে যে, গুলির ওই ঘটনা ঢাকার রামপুরার ডিআইটি রোডে একটি ব্যাংকের সামনের। সেসময় বাংলাদেশ পুলিশ এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের কয়েকজন কর্মকর্তাকে একটি সাঁজোয়া যানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘এক অফিসার একটি চাইনিজ ৫৬-১ অ্যাসল্ট রাইফেল লক্ষ্যবস্তুর দিকে তাক করে দুই রাউন্ড গুলি চালান।’ ‘এমন আগ্নেয়াস্ত্র সমাবেশ নিয়ন্ত্রণের জন্য উপযুক্ত হাতিয়ার নয়। শুধু মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে বা গুরুতর আহত হওয়ার হুমকি থাকলে সময় এমন আগ্নেয়াস্ত্র প্রয়োজন হয়,’ যোগ করা হয় এতে।

বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনার বিশ্লেষণ করে বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক এই মানবাধিকার সংস্থা।

প্রতিবেদনে সংস্থাটির সিনিয়র ডিরেক্টর দেপোরসে মুচেনা বলেছেন, ‘সরকারকে অবিলম্বে গুলি করার নির্দেশ প্রত্যাহার করতে হবে, সারাদেশে ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি চালু করতে হবে এবং বিক্ষোভ দমনে সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।’

‘সরকারকে অবশ্যই নিশ্চয়তা দিতে হবে যে ভবিষ্যতে আর দেখামাত্র গুলির নির্দেশ এবং আন্দোলন দমনে ইন্টারনেট বন্ধ করা হবে না,’ বলেন তিনি।

সিনিয়র ডিরেক্টর মুচেনা বলেন, ‘জরুরিভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সব ঘটনা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে এবং দায়ীদের অবশ্যই পূর্ণ জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।’

নাগরিকের প্রতিবাদের অধিকারকে শ্রদ্ধা, আন্দোলনকারীদের ওপর সহিংস দমন-পীড়ন বন্ধ করতে এবং অবিলম্বে যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর সব বিধিনিষেধ তুলে নিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

ডেস্ক/ইবিটাইমস/ এনএল/আরএন