টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ আন্দোলনকারীরা টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। দুপুর ২টার দিকে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী শহরের নিরালা মোড় দখলে নেয়। এ সময় তারা শহরের মেইন রোডে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালায়। বিক্ষুদ্ধরা কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাংচুর করে। আসবাবপত্রে রাস্তায় ফেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর আগে দুপুরে আন্দোলনকারীদের সাথে শহরের পুরাতন বাসষ্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ঘটে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়।
সর্বাত্মক শাটডাউনে টাঙ্গাইলে আন্দোলনকারীদের সাথে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে শহরের পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
বেলা সাড়ে ১০টার দিকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে জেলা সদর রোডে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হয়। তারা কোটা বাতিলের দাবিতে স্লোগান দেয়। এরপর শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের দিকে এগুতে থাকে। মিছিল পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় পৌছলে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ শুরু হয়।
মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড টিআর সেল নিক্ষেপ করে। আন্দোলনকারীরা পুলিশের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয় দফায় দফায়।
এ ঘটনা টিআর সেলের আঘাতে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী হয়। এরপর আন্দোলনকারীরা শহরের বেশ কয়েকটি সড়কে লাঠিসোটা নিয়ে বিক্ষিপ্ত মিছিল করে। এ অবস্থায় শহর জুড়ে চরম আতঙক ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে সর্বাত্মক শাট ডাউনে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধুসেতু মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। কিছু কিছু পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করলেও সংখ্যার দিক দিয়ে তা খুবই নগন্য। সকাল থেকে এ মহাসড়কে দুর পাল্লার কোন যাত্রীবাহি বাস কিংবা ব্যাক্তিগত কোন যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি।
শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা/ইবিটাইমস