ঝালকাঠি জেলায় এ বছর প্রনোদনা ও প্রদর্শণী মিলিয়ে ২৭৪ হেক্টরে সূর্যমুখীর চাষ 

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ ঝালকাঠি জেলায় সম্প্রসারিত হচ্ছে তৈল জাতীয় ফসল সূর্যমুখীর চাষ। তৈল জাতীয় পণ্যের আমদানী নির্ভরতা কমানো এবং আভ্যন্তরীণ ভোজ্য তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্যই কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে প্রনোদনা ও প্রদর্শণী করে আবাদ সম্প্রসারন করছে। সরিষা চাষের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চাষাবাদ করতে হলেও সূর্যমুখী চাষের ক্ষেত্রে আগাম জানুয়ারী মাসে বীজ রোপন করে ফলন তুলতে পারে কৃষক। কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের চাষাবাদে তদারকী ও পরামর্শ প্রদান করছে।

এবছর জেলার ৪টি উপজেলায় প্রনোদনা ও প্রদর্শণী মিলিয়ে ২৭৪ হেক্টরে সূর্যমুখী চাষ হয়েছে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ৭২ হেক্টর, নলছিটি উপজেলায় ৮২ হেক্টর রাজাপুর উপজেলায় ৬৬ হেক্টর ও কাঠালিয়া উপজেলায় ৫৪ হেক্টরে সূর্যমুখী আবাদ হয়েছে। জেলায় প্রধানত হাইছন-৩৩ ও ৩৬, কাবেরী এবং বারি সূর্যমুখী ২ ও ৩ জাতের আবাদ হয়েছে। সূর্যমুখী চাসে মাঝেমাঝে পোকার আক্রমণ হয় এবং কৃষক কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিয়ে কীটনাশক নিয়ে এর আক্রমন দমন করে। পোকা প্রথমে পাতা থেকে শুরু করে সূর্যমুখী ফুলের বীজে আক্রমণ করে বীজ নষ্ট করে ফেলে এবং এরফলে কৃষককে উৎপাদন হারাতে হয়। এছাড়া সূর্যমুখী থেকে বীজ আসলে টিয়াসহ এক শ্রেণীর পাখির সূর্যমুখীর ক্ষেতে আক্রমণ হয়। পাখিরা দলবদ্ধ হয়ে এসে বীজ খাওয়ার চেয়ে নষ্ট  করে বেশী এবং কৃষকরা কোন কোন ক্ষেতে স্থানীয়ভাবে শব্দ জাতীয় পদ্ধতি তৈরি করে পাখির আক্রমণ রোধ করে।

ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, সূর্যমুখীর উৎপাদন হেক্টরপ্রতি জাত বেধে দেড় থেকে দুই মেট্রিক টন পাওয়া যায়। এই তেল সুস্বাধু ও পুষ্টিকর এবং এই তেলের মধ্যে ক্লোস্টরেল থাকে না এবং হৃদরোগীদের জন্য স্বাস্থ্য সহায়ক উপকারী ভোজ্য তেল এই সূর্যমুখী।

বাধন রায়/ইবিটাইমস 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Time limit exceeded. Please complete the captcha once again.

Translate »