ভিয়েনা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাহারি সব পিঠা নিয়ে লালমোহনে পিঠা উৎসব পালিত

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৪:৩১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ১১৪ সময় দেখুন

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্যদিয়ে পিঠা উৎসব পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে হামীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটির প্রাঙ্গণে এই উৎসব পালন করা হয়। উৎসবে মোট ১৫টি স্টল বসে। স্টলগুলোতে দেশীয় বিভিন্ন বাহারী  পিঠার সমাহার দেখা যায়। যেখানে ছিল দেশীয় পঞ্চাশ ধরনের বারো শতাধিক বাহারি পিঠার সমাহার। সর্বনিম্ন পাঁচ টাকা থেকে ত্রিশ টাকা পর্যন্ত ছিল এ পিঠার দাম।

পিঠা ছাড়াও এই উৎসবে ছিল বিভিন্ন ধরনের জুস, চা ও ঝালমুড়ি। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে ভিড় জমান লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এ বিষয়ে লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন বলেন, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য পিঠা। তবে এখন আর আগের মতো গ্রামাঞ্চলে পিঠার দেখা মিলে না। তাই শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা মানসম্মতভাবে তৈরি করেছে এসব পিঠা। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে প্রতি বছরই আমরা এ উৎসবের আয়োজন করবো।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

বাহারি সব পিঠা নিয়ে লালমোহনে পিঠা উৎসব পালিত

আপডেটের সময় ০৪:৩১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্যদিয়ে পিঠা উৎসব পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে হামীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটির প্রাঙ্গণে এই উৎসব পালন করা হয়। উৎসবে মোট ১৫টি স্টল বসে। স্টলগুলোতে দেশীয় বিভিন্ন বাহারী  পিঠার সমাহার দেখা যায়। যেখানে ছিল দেশীয় পঞ্চাশ ধরনের বারো শতাধিক বাহারি পিঠার সমাহার। সর্বনিম্ন পাঁচ টাকা থেকে ত্রিশ টাকা পর্যন্ত ছিল এ পিঠার দাম।

পিঠা ছাড়াও এই উৎসবে ছিল বিভিন্ন ধরনের জুস, চা ও ঝালমুড়ি। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে ভিড় জমান লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এ বিষয়ে লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুহুল আমিন বলেন, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য পিঠা। তবে এখন আর আগের মতো গ্রামাঞ্চলে পিঠার দেখা মিলে না। তাই শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা মানসম্মতভাবে তৈরি করেছে এসব পিঠা। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে প্রতি বছরই আমরা এ উৎসবের আয়োজন করবো।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস