ভিয়েনা ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে : সিইসি টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তিতে খোলা ময়দানে মোনাজাত স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন ইউরোপের অন্য কোনও দেশে রাশিয়ার হামলার ইচ্ছা নেই নিশ্চয়তা পুতিনের রোমানিয়া-বুলগেরিয়ার যৌথ অভিযানে ৮ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার মাধবপুরে ইঞ্জিন বিকল, ৩ ঘন্টা পর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় যাত্রা বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময় সেতুসহ পাঁচ দাবিতে শাহবাগে ভোলাবাসীর অবস্থান

থানায় আটক গরু ফিরে পেতে মালিকের আকুতি

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৭:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩
  • ২১ সময় দেখুন

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: থানায় চার মাস ধরে বন্দি একটি গরু। রোজ সেই গরুকে খাওয়াতে আসেন মালিক। পরম যত্ন ও পরিচর্যাও করেন। নিয়ম করে পরিচর্যা আর খাওয়াতে পারলেও গরুটিকে নিতে পারছেন না বাড়িতে। এতে দীর্ঘশ্বাস ফেলে থানা থেকে প্রতিদিন ফিরে যাচ্ছেন ভোলার লালমোহনের রমাগঞ্জ ইউনিয়নের মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী নামে এক ব্যক্তি।

তিনি জানান, গত ২৬ মার্চ তার লাল রঙের একটি গরু চুরি হয়। ঘটনাটি তিনি ইউপি চেয়ারম্যানকেও জানান। এর কয়েক মাস পরে লালমোহনের ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নেয়ামতপুর গ্রামের মাহাবুব আলমের ছেলে রুবেলের কাছ থেকে দুইটি গরু চোরাই সন্দেহে উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারের থানায় এসে নিজের গরুটি শনাক্ত করেন মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী। আরেকটি গরু সিরাজ নামে একজনের। সিরাজ মামলা করেন চোর রুবেলের বিরুদ্ধে। ওই মামলায় স্বাক্ষী হন মোশারেফ হোসেন। এরপর পুলিশ রুবেলকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়।

মোশারেফ হোসেন আরো জানান, সিরাজের শনাক্ত করা গরুটি ফিরিয়ে দেওয়া হলেও আমারটি ফেরৎ পাইনি। কারণ রুবেল চরফ্যাশনের মোতালেব হাওলাদারের হাট থেকে গরুটি কিনেছেন বলে একটি ভুয়া ক্রয় রশিদ দাখিল করেন। মামলাটি বিচারাধীন থাকায় আদালত থেকে ঘটনার তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে। এরপর তিনি তদন্তের মাধ্যমে গরুটির মূল মালিক আমাকে শনাক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেন।
ওই প্রতিবেদনে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জয়াধর মুমু উল্লেখ করেন, রুবেল মামুন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে গরু কিনেছেন বলে রশিদ দেখালেও সেই মামুনকে উপস্থিত করতে পারেননি। প্রকৃত পক্ষে মামুনের কোনো অস্তিত্ব নেই। তা কেবল সাজানো। একই সঙ্গে তিনি গরুটির প্রকৃত মালিক মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন।

গরুর মালিক মোশারেফ পাটওয়ারী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গরুটি থানায় বন্দি থাকায় রোগাক্রান্ত হচ্ছে। এ জন্য আমি গরুটি ফেরৎ চাই। একই সঙ্গে চোরের শাস্তি কামনা করছি।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাহবুব উল আলম জানান, মালিক নির্ধারণ করে  আদালতের নির্দেশনা পেলে গরুটি আমরা ফেরৎ দিয়ে দিবো।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস

জনপ্রিয়

উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

থানায় আটক গরু ফিরে পেতে মালিকের আকুতি

আপডেটের সময় ০৭:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩

ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: থানায় চার মাস ধরে বন্দি একটি গরু। রোজ সেই গরুকে খাওয়াতে আসেন মালিক। পরম যত্ন ও পরিচর্যাও করেন। নিয়ম করে পরিচর্যা আর খাওয়াতে পারলেও গরুটিকে নিতে পারছেন না বাড়িতে। এতে দীর্ঘশ্বাস ফেলে থানা থেকে প্রতিদিন ফিরে যাচ্ছেন ভোলার লালমোহনের রমাগঞ্জ ইউনিয়নের মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী নামে এক ব্যক্তি।

তিনি জানান, গত ২৬ মার্চ তার লাল রঙের একটি গরু চুরি হয়। ঘটনাটি তিনি ইউপি চেয়ারম্যানকেও জানান। এর কয়েক মাস পরে লালমোহনের ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নেয়ামতপুর গ্রামের মাহাবুব আলমের ছেলে রুবেলের কাছ থেকে দুইটি গরু চোরাই সন্দেহে উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারের থানায় এসে নিজের গরুটি শনাক্ত করেন মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী। আরেকটি গরু সিরাজ নামে একজনের। সিরাজ মামলা করেন চোর রুবেলের বিরুদ্ধে। ওই মামলায় স্বাক্ষী হন মোশারেফ হোসেন। এরপর পুলিশ রুবেলকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়।

মোশারেফ হোসেন আরো জানান, সিরাজের শনাক্ত করা গরুটি ফিরিয়ে দেওয়া হলেও আমারটি ফেরৎ পাইনি। কারণ রুবেল চরফ্যাশনের মোতালেব হাওলাদারের হাট থেকে গরুটি কিনেছেন বলে একটি ভুয়া ক্রয় রশিদ দাখিল করেন। মামলাটি বিচারাধীন থাকায় আদালত থেকে ঘটনার তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে। এরপর তিনি তদন্তের মাধ্যমে গরুটির মূল মালিক আমাকে শনাক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেন।
ওই প্রতিবেদনে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জয়াধর মুমু উল্লেখ করেন, রুবেল মামুন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে গরু কিনেছেন বলে রশিদ দেখালেও সেই মামুনকে উপস্থিত করতে পারেননি। প্রকৃত পক্ষে মামুনের কোনো অস্তিত্ব নেই। তা কেবল সাজানো। একই সঙ্গে তিনি গরুটির প্রকৃত মালিক মোশারেফ হোসেন পাটওয়ারী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন।

গরুর মালিক মোশারেফ পাটওয়ারী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গরুটি থানায় বন্দি থাকায় রোগাক্রান্ত হচ্ছে। এ জন্য আমি গরুটি ফেরৎ চাই। একই সঙ্গে চোরের শাস্তি কামনা করছি।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাহবুব উল আলম জানান, মালিক নির্ধারণ করে  আদালতের নির্দেশনা পেলে গরুটি আমরা ফেরৎ দিয়ে দিবো।

জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস