ভিয়েনা ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভারতের দুই গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে ভোটগ্রহণ চলছে ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে মার্কিন বাহিনীর অভিযান : পেন্টাগন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বৈঠক ইরানে সহায়তা পাঠালো বাংলাদেশ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ১০ সদস্যের যৌথ কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর লালমোহনে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করলেন ৯৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা নবীগঞ্জে কলেজছাত্র নিহতের ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তার ৪৯৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনসার নিয়োগে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মতি মার্কিন অবরোধ থাকলে হরমুজ খুলবে না: ইরান সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিন আজ

লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৪টি টিউবেেয়ল নষ্ট! বিশুদ্ধ পানির সঙ্কটে স্টাফ ও রোগীরা

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০২:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ৬৪ সময় দেখুন
ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৪টি টিউবওয়েলের সবগুলোই নষ্ট হয়ে পড়ে আছে মাসের পর মাস। এছাড়া ২০২২ সালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ৭টি পানির ট্যাব বসানো হয়। সেগুলোতেও গত কয়েক মাস ধরে পানি উঠছে না। এতে করে প্রয়োজন হলে দূর থেকে গিয়ে স্টাফ, রোগী এবং রোগীর স্বজনদের পানি আনতে হচ্ছে। ফলে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কটে স্টাফ, রোগী এবং রোগীর স্বজনদের মধ্যে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি থাকা রোগীর স্বজন মাওলানা ইমাম উদ্দিন শামিম, ফারহানা ও মো. মনিরুল ইসলাম নামের কয়েকজন জানান, হাসপাতালের ভিতরের সবগুলো টিউবওয়েল ও পানির ট্যাব নষ্ট। এগুলোতে পানি উঠছে না। যার জন্য রাত-বিরাতে দূর থেকে গিয়ে পানি আনতে হয়। এ জন্য অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করতে হচ্ছে। রাতের বেলায় দূর থেকে পানি আনা মহিলাদের জন্য আরো বেশি দুর্ভোগের। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাচ্ছি- দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন হাসপাতালের সবগুলো পানির ট্যাব ও টিউবওয়েল মেরামত করা হয়।
অন্যদিকে নামপ্রকাশে অনইচ্ছুক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কয়েকজন স্টাফ ও ডাক্তার বলেন, কয়েক মাস ধরেই পানির টিউবওয়েল এবং ট্যাবগুলোতে পানি উঠছে না। এতে করে হাসপাতাল এলাকার মসজিদের টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে হচ্ছে। যা অনেক কষ্টসাধ্য। যার জন্য আমাদের এবং হাসপাতালের রোগী, রোগীর স্বজন ও মসজিদের মুসল্লিদের সমস্যায় পড়তে হয়। এ জন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালের নিজস্ব টিউবওয়েল ও পানির ট্যাবগুলো মেরামত করা জরুরি।
এছাড়া লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের বেসিনটিতেও পানি পড়ছে না গত এক সপ্তাহ ধরে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ জরুরি বিভাগে দায়িত্বরতরা। জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালন করা নামপ্রকাশে অনইচ্ছুক কয়েকজন জানান, হাসপাতালের জরুরি বিভাগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। এখানে অনেক কাজ। তবে এখানের বেসিনটিতে এখন পানি পড়ছে না। যার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ শেষে অন্য রুম অথবা বাহিরে গিয়ে হাত ধুঁতে হয়। এই বেসিনটিতে পানি সরবরাহের জন্য শিগগিরই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া দরকার।
লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত জুনিয়র মেকানিক্স মো. মাহফুজ বলেন, গত কয়েক মাস ধরে পানির ট্যাব ও টিউবওয়েলগুলোতে পানি উঠছে না। বিষয়টি আমি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ আমাকে প্রয়োজনীয় মালামাল দিলে পানির ট্যাব ও টিউবওয়েলগুলো মেরামত করবো।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মো. তৈয়বুর রহমান জানান, হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে পানি সরবরাহ রয়েছে। তবে টিউবওয়েল ও পানির ট্যাবগুলোতে একটু সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য শিগগিরই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া জরুরি বিভাগের বেসিনটিতে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে।
জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস 
জনপ্রিয়

ভারতের দুই গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে ভোটগ্রহণ চলছে

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৪টি টিউবেেয়ল নষ্ট! বিশুদ্ধ পানির সঙ্কটে স্টাফ ও রোগীরা

আপডেটের সময় ০২:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
ভোলা দক্ষিণ প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৪টি টিউবওয়েলের সবগুলোই নষ্ট হয়ে পড়ে আছে মাসের পর মাস। এছাড়া ২০২২ সালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ৭টি পানির ট্যাব বসানো হয়। সেগুলোতেও গত কয়েক মাস ধরে পানি উঠছে না। এতে করে প্রয়োজন হলে দূর থেকে গিয়ে স্টাফ, রোগী এবং রোগীর স্বজনদের পানি আনতে হচ্ছে। ফলে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কটে স্টাফ, রোগী এবং রোগীর স্বজনদের মধ্যে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি থাকা রোগীর স্বজন মাওলানা ইমাম উদ্দিন শামিম, ফারহানা ও মো. মনিরুল ইসলাম নামের কয়েকজন জানান, হাসপাতালের ভিতরের সবগুলো টিউবওয়েল ও পানির ট্যাব নষ্ট। এগুলোতে পানি উঠছে না। যার জন্য রাত-বিরাতে দূর থেকে গিয়ে পানি আনতে হয়। এ জন্য অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করতে হচ্ছে। রাতের বেলায় দূর থেকে পানি আনা মহিলাদের জন্য আরো বেশি দুর্ভোগের। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাচ্ছি- দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন হাসপাতালের সবগুলো পানির ট্যাব ও টিউবওয়েল মেরামত করা হয়।
অন্যদিকে নামপ্রকাশে অনইচ্ছুক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কয়েকজন স্টাফ ও ডাক্তার বলেন, কয়েক মাস ধরেই পানির টিউবওয়েল এবং ট্যাবগুলোতে পানি উঠছে না। এতে করে হাসপাতাল এলাকার মসজিদের টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে হচ্ছে। যা অনেক কষ্টসাধ্য। যার জন্য আমাদের এবং হাসপাতালের রোগী, রোগীর স্বজন ও মসজিদের মুসল্লিদের সমস্যায় পড়তে হয়। এ জন্য দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালের নিজস্ব টিউবওয়েল ও পানির ট্যাবগুলো মেরামত করা জরুরি।
এছাড়া লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের বেসিনটিতেও পানি পড়ছে না গত এক সপ্তাহ ধরে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ জরুরি বিভাগে দায়িত্বরতরা। জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালন করা নামপ্রকাশে অনইচ্ছুক কয়েকজন জানান, হাসপাতালের জরুরি বিভাগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। এখানে অনেক কাজ। তবে এখানের বেসিনটিতে এখন পানি পড়ছে না। যার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ শেষে অন্য রুম অথবা বাহিরে গিয়ে হাত ধুঁতে হয়। এই বেসিনটিতে পানি সরবরাহের জন্য শিগগিরই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া দরকার।
লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত জুনিয়র মেকানিক্স মো. মাহফুজ বলেন, গত কয়েক মাস ধরে পানির ট্যাব ও টিউবওয়েলগুলোতে পানি উঠছে না। বিষয়টি আমি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ আমাকে প্রয়োজনীয় মালামাল দিলে পানির ট্যাব ও টিউবওয়েলগুলো মেরামত করবো।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মো. তৈয়বুর রহমান জানান, হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে পানি সরবরাহ রয়েছে। তবে টিউবওয়েল ও পানির ট্যাবগুলোতে একটু সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য শিগগিরই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া জরুরি বিভাগের বেসিনটিতে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে।
জাহিদুল ইসলাম দুলাল/ইবিটাইমস