ভিয়েনা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইউরোপের অন্য কোনও দেশে রাশিয়ার হামলার ইচ্ছা নেই নিশ্চয়তা পুতিনের রোমানিয়া-বুলগেরিয়ার যৌথ অভিযানে ৮ মানবপাচারকারী গ্রেপ্তার মাধবপুরে ইঞ্জিন বিকল, ৩ ঘন্টা পর কালনী এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় যাত্রা বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত সংকটময় সেতুসহ পাঁচ দাবিতে শাহবাগে ভোলাবাসীর অবস্থান পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ৭০,৬৬০ প্রবাসীর নিবন্ধন বাউল শিল্পী আবুল সরকারের ফাঁসির দাবিতে লালমোহনে বিক্ষোভ লালমোহনে এসটিএস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন অস্ট্রিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে পর্তুগালের অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ জয়লাভ খাল–বিলহীন খিলগাতীতে সাড়ে ৯ কোটি টাকার ব্রিজ নির্মাণ, প্রশ্ন স্থানীয়দের

কালীগঞ্জ জনপদে মূর্তিমান আতংক এমপি আনার

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৬:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩
  • ১৯ সময় দেখুন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ জনপদে মূর্তিমান আতংকের নাম আনায়ারুল আজিম আনার এমপি। ইন্টারপোলের এই আসামী হঠাৎ করেই যেন আলাদিনের চেরাগ হাতে পায়। কুখ্যাত এই মাদক সম্রাট অবৈধ টাকার বিনিময়ে হয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের এমপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। নিজ দলের নেতা-কর্মীকে হত্যা, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোসহ বিস্তর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি মানবতাবিরোধী অপরাধের আসামী জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাইদীকে নিয়ে প্রশংসা করে আবারো নতুন করে আলোচনায় এসেছেন এমপি আনার।
জানা গেছে,আন্তর্জাতিক চোরা চালান সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য ছিলেন এমপি আনার। ভারত সীমান্ত দিয়ে মাদক ও স্বর্ন চোরাচালানের ক্ষুদ্র কারবারি থেকে হয়ে যান শীর্ষ গডফাদার। দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চালের জেলাগুলোতে নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে একের পর এক ব্যবসায়ী প্রতিপক্ষকে হত্যা করেন তিনি। এরপর কালীগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন আনার। সেই থেকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। তার বিরুদ্ধে অর্ধশত মামলা ও ইন্টাপোলের রেড এলার্ট জারি হলে ২০০১ সালে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি। ২০০৪ সালে তৎকালিন ক্ষমতাসীন দল বিএনপি নেতাদের সাথে যোগসাজস করে দেশে ফিরে যোগ দেন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে। ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন। এ সময়ে ক্ষমতাসীন দলের এমপি হওয়ায় অবৈধ পন্থায় আয় করেছেন শত শত কোটি টাকা। সেই টাকা দিয়ে দেশ বিদেশে করেছেন একাধিক স্থাপনা।
কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আইয়ুব হোসেন জানান,এমপি আনার আওয়ামী লীগের কেউ ছিলেন না। হঠাৎ করেই তার অবৈধ কর্মকান্ড জায়েজ করার জন্য আওয়ামী লীগে নাম লেখান। তারপর থেকেই ধরাকে সরা মনে করে একের পর এক অনিয়ম করেও পার পেয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের প্রকৃত নেতাকর্মীদের কোনঠাসা করে বিএনপি-জামায়াত ও রাজাকারের পরিবারদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন তিনি।
এ সকল অভিযোগের বিষয় অস্বীকার করে আনায়ারুল আজীম আনার এমপি জানান, আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এটা করে কোন লাভ হবে না।
ঝিনাইদহ/ইবিটাইমস 
জনপ্রিয়

ইউরোপের অন্য কোনও দেশে রাশিয়ার হামলার ইচ্ছা নেই নিশ্চয়তা পুতিনের

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

কালীগঞ্জ জনপদে মূর্তিমান আতংক এমপি আনার

আপডেটের সময় ০৬:৪৮:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৩
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ জনপদে মূর্তিমান আতংকের নাম আনায়ারুল আজিম আনার এমপি। ইন্টারপোলের এই আসামী হঠাৎ করেই যেন আলাদিনের চেরাগ হাতে পায়। কুখ্যাত এই মাদক সম্রাট অবৈধ টাকার বিনিময়ে হয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের এমপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। নিজ দলের নেতা-কর্মীকে হত্যা, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোসহ বিস্তর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি মানবতাবিরোধী অপরাধের আসামী জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাইদীকে নিয়ে প্রশংসা করে আবারো নতুন করে আলোচনায় এসেছেন এমপি আনার।
জানা গেছে,আন্তর্জাতিক চোরা চালান সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য ছিলেন এমপি আনার। ভারত সীমান্ত দিয়ে মাদক ও স্বর্ন চোরাচালানের ক্ষুদ্র কারবারি থেকে হয়ে যান শীর্ষ গডফাদার। দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চালের জেলাগুলোতে নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে একের পর এক ব্যবসায়ী প্রতিপক্ষকে হত্যা করেন তিনি। এরপর কালীগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর নির্বাচিত হন আনার। সেই থেকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। তার বিরুদ্ধে অর্ধশত মামলা ও ইন্টাপোলের রেড এলার্ট জারি হলে ২০০১ সালে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান তিনি। ২০০৪ সালে তৎকালিন ক্ষমতাসীন দল বিএনপি নেতাদের সাথে যোগসাজস করে দেশে ফিরে যোগ দেন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে। ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন। এ সময়ে ক্ষমতাসীন দলের এমপি হওয়ায় অবৈধ পন্থায় আয় করেছেন শত শত কোটি টাকা। সেই টাকা দিয়ে দেশ বিদেশে করেছেন একাধিক স্থাপনা।
কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আইয়ুব হোসেন জানান,এমপি আনার আওয়ামী লীগের কেউ ছিলেন না। হঠাৎ করেই তার অবৈধ কর্মকান্ড জায়েজ করার জন্য আওয়ামী লীগে নাম লেখান। তারপর থেকেই ধরাকে সরা মনে করে একের পর এক অনিয়ম করেও পার পেয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের প্রকৃত নেতাকর্মীদের কোনঠাসা করে বিএনপি-জামায়াত ও রাজাকারের পরিবারদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন তিনি।
এ সকল অভিযোগের বিষয় অস্বীকার করে আনায়ারুল আজীম আনার এমপি জানান, আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এটা করে কোন লাভ হবে না।
ঝিনাইদহ/ইবিটাইমস