ভিয়েনা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং ও কুইজ প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত পদত্যাগের পথে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এমপি আমির হামজাকে আদালতে হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিয়ে তেহরানের সঙ্গে ইউরোপের আলোচনা বাংলাদেশ থেকে ৬ হাজার ড্রাইভার নেবে দুবাই সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ বাংলাদেশ-অ্যাঙ্গোলা জ্বালানি সহযোগিতা আলোচনা শুরু চাঁদপুরে বিশ্ব খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ঝিনাইদহে নব-গঠিত কমিটি থেকে ছাত্রদলের ৩ নেতার পদত্যাগ লালমোহনে এনায়েত কবির পাটোয়ারী মৃত্যুবার্ষিকী পালন

৭৬ তম জন্মদিনের আলোয় কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন

  • EuroBanglaTimes
  • আপডেটের সময় ০৫:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩
  • ৭৬ সময় দেখুন
রিপন শানঃ কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। বাংলাসাহিত্যের এক জীয়লকিংবদন্তি কথাশিল্পী । যেমন বলেন তেমন লেখেন।
আজ ১৪ জুন তাঁর  ৭৬তম জন্মবার্ষিকী। এই প্রখ্যাত নারী ঔপন্যাসিক ১৯৪৭ সালের ১৪ জুন আজকের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন। নন্দিত এ কথাসাহিত্যিকের লেখালেখির শুরু ষাটের দশকের মধ্যভাগে, রাজশাহী মহিলা কলেজে পড়ার সময়। সে সময়ের লেখা নিয়ে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘উৎস থেকে নিরন্তর’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৯ সালে। তার দুটি গ্রন্থ ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ ও ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ নিয়ে চলচ্চিত্র এবং কয়েকটি গল্প নিয়ে নাটক নির্মিত হয়েছে।
সেলিনা হোসেনের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি, কানাড়ি, রুশ, মালে, মালয়ালম, ফরাসি, জাপানি, ফিনিশ, কোরিয়ান প্রভৃতি ভাষায় সেলিনা হোসেনের বেশ কয়েকটি গল্প অনূদিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ‘যাপিত জীবন’ ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি’ উপন্যাসটি পাঠ্যসূচিভুক্ত। শিলচরে আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তার পাঁচটি উপন্যাস এমফিল গবেষণাভুক্ত। ২০০৫ সাল থেকে শিকাগোর ওকটন কলেজের সাহিত্য বিভাগে দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্য কোর্সে তার ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ উপন্যাসটি পাঠ্যসূচিভুক্ত হয়।
সেলিনা হোসেনের কর্মজীবন শুরু বাংলা একাডেমিতে গবেষণা সহকারী হিসেবে। তিনি বাংলা একাডেমির ‘অভিধান প্রকল্প’, ‘বিজ্ঞান বিশ্বকোষ প্রকল্প’, ‘বিখ্যাত লেখকদের রচনাবলি প্রকাশ’, ‘লেখক অভিধান’, ‘চরিতাভিধান’ এবং ‘একশত এক সিরিজ’-এর গ্রন্থগুলো প্রকাশনার দায়িত্ব পালন করেন। ২০ বছরের বেশি সময় তিনি ‘ধান শালিকের দেশ’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন। ১৯৯৭ সালে বাংলা একাডেমির প্রথম নারী পরিচালক হন। ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমি থেকে অবসর নেন। বর্তমানে বাংলা একাডেমির চেয়ারম্যান পদে কর্মরত। এর আগে শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান ছিলেন।
সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক, ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক স্বর্ণপদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, অগ্রণী ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার, অলক্ত পুরস্কার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, রবীন্দ্রস্মৃতি পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক/ইবিটাইমস 
জনপ্রিয়

মাভাবিপ্রবিতে জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং ও কুইজ প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত

Address : Erlaaer Strasse 49/8/16 A-1230 Vienna,Austria. Mob : +43676848863279, 8801719316684 (BD) 8801911691101 ( Ads) Email : eurobanglatimes123@gmail.com
Translate »

৭৬ তম জন্মদিনের আলোয় কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন

আপডেটের সময় ০৫:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩
রিপন শানঃ কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। বাংলাসাহিত্যের এক জীয়লকিংবদন্তি কথাশিল্পী । যেমন বলেন তেমন লেখেন।
আজ ১৪ জুন তাঁর  ৭৬তম জন্মবার্ষিকী। এই প্রখ্যাত নারী ঔপন্যাসিক ১৯৪৭ সালের ১৪ জুন আজকের এ দিনে জন্মগ্রহণ করেন। নন্দিত এ কথাসাহিত্যিকের লেখালেখির শুরু ষাটের দশকের মধ্যভাগে, রাজশাহী মহিলা কলেজে পড়ার সময়। সে সময়ের লেখা নিয়ে তার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘উৎস থেকে নিরন্তর’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৯ সালে। তার দুটি গ্রন্থ ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’ ও ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ নিয়ে চলচ্চিত্র এবং কয়েকটি গল্প নিয়ে নাটক নির্মিত হয়েছে।
সেলিনা হোসেনের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি, কানাড়ি, রুশ, মালে, মালয়ালম, ফরাসি, জাপানি, ফিনিশ, কোরিয়ান প্রভৃতি ভাষায় সেলিনা হোসেনের বেশ কয়েকটি গল্প অনূদিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ‘যাপিত জীবন’ ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি’ উপন্যাসটি পাঠ্যসূচিভুক্ত। শিলচরে আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তার পাঁচটি উপন্যাস এমফিল গবেষণাভুক্ত। ২০০৫ সাল থেকে শিকাগোর ওকটন কলেজের সাহিত্য বিভাগে দক্ষিণ এশিয়ার সাহিত্য কোর্সে তার ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ উপন্যাসটি পাঠ্যসূচিভুক্ত হয়।
সেলিনা হোসেনের কর্মজীবন শুরু বাংলা একাডেমিতে গবেষণা সহকারী হিসেবে। তিনি বাংলা একাডেমির ‘অভিধান প্রকল্প’, ‘বিজ্ঞান বিশ্বকোষ প্রকল্প’, ‘বিখ্যাত লেখকদের রচনাবলি প্রকাশ’, ‘লেখক অভিধান’, ‘চরিতাভিধান’ এবং ‘একশত এক সিরিজ’-এর গ্রন্থগুলো প্রকাশনার দায়িত্ব পালন করেন। ২০ বছরের বেশি সময় তিনি ‘ধান শালিকের দেশ’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন। ১৯৯৭ সালে বাংলা একাডেমির প্রথম নারী পরিচালক হন। ২০০৪ সালে বাংলা একাডেমি থেকে অবসর নেন। বর্তমানে বাংলা একাডেমির চেয়ারম্যান পদে কর্মরত। এর আগে শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান ছিলেন।
সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক, ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক স্বর্ণপদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, অগ্রণী ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কার, অলক্ত পুরস্কার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, রবীন্দ্রস্মৃতি পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন কথাশিল্পী সেলিনা হোসেন।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক/ইবিটাইমস